কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না, বাংলায় বাতিলের পথে ৩০ হাজার আবাস

প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনার জন্য টাকা পাঠাচ্ছে না কেন্দ্র সরকার। আর তার জেরেই ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিলের পথে বাংলার বুকে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের সব রাজ্যকেই দেওয়া হচ্ছে টাকা। অথচ সেটাই দেওয়া হচ্ছে না বাংলাকে। কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ এই মনোভাবের জন্যই বাংলায়(Bengal) এখন প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনার(PMGAY) মাধ্যমে নির্মিত হতে চলা ৩০ হাহাজার বাড়ি এবার বাতিলের পথে হাঁটা দিয়েছে। কেননা প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার এক বছরের মধ্যে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু কয়েক বছর কেটে গেলেও বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করতে পারেননি অনেকে। এসব ক্ষেত্রে কেন নিয়ম মান্য করা গেল না, দিল্লির নির্দেশে জেলাগুলির কাছে সেই কারণ জানতে চেয়েছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর(Panchayat Department)। দেখা যাচ্ছে, অন্তত ৩০ হাজার বাড়ি আর শেষ করাই কার্যত অসম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনার মাধ্যমে বাংলার বুকে এখনও পর্যন্ত ৩৪ লক্ষের বেশি বাড়ি তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখন ৩০ হাজার বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা বিশবাঁও জলে চলে গিয়েছে। কেননা রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরে জমা পড়া জেলাওয়াড়ি রিপোর্ট বলছে, যে সব উপভোক্তার নাম ওই সব বাড়ি নির্মাণের জন্য গৃহীত হয়েছিল তাঁদের একটা বড় অংশের উপভোক্তা বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্তই বাতিল করেছেন। সেই বাতিলের কারণ হিসাবে তাঁরা পারিবারিক, ব্যক্তিগত নানা প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া, ৭ হাজারের বেশি উপভোক্তার ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে। অনিচ্ছুক ও মৃত উপভোক্তা ছাড়াও অনেকের কোনও খোঁজ মিলছে না। কিছু ক্ষেত্রে আবার বাড়ির কাজ যে ঠিকানায় শুরু করেছিলেন উপভোক্তা, সেখানে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন, তাঁরা অন্যত্র চলে গিয়েছেন। কোথাও কোথাও পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে সময়মতো বাড়ি তৈরির কাজ শেষ হয়নি। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ইত্যাদি জেলায় অনেক উপভোক্তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের পক্ষে আর বাড়ি করা সম্ভবই নয়।   

এদিকে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে কেন্দ্রের এই অসহযোগিতার বিরুদ্ধেই কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court) দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায়(Public Interest Litigation Case) আগামী ৯ অক্টোবরের মধ্যে কেন্দ্রকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলায় বলা হয়, ২০১৬ সালে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হল দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজনদের জন্য কাঁচা বাড়িকে পাকা বাড়িতে রূপান্তরিত করা। ওই প্রকল্পে কেন্দ্র সরকার ৬০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেয় ও বাকি ৪০ শতাংশ খরচ রাজ্য সরকার বহণ করে। কিন্তু কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির সরকার এই রাজ্যকে এই প্রকল্পে আর্থিক সাহায্য করাই বন্ধ করে দিয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ২.৩৪ কোটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করার কথা। কিন্তু সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না। কেননা কেন্দ্র অন্য রাজ্যের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পে টাকা দিলেও এই রাজ্যের জন্য টাকা দিচ্ছে না।

বক্সঅফিসে ঝড় তুলতে ব্যর্থ! মুক্তির দিনে মাত্র ২১ কোটি টাকা আয় করল ইমরানের ‘আওয়ারাপান ২’

শ্যামাপ্রসাদের ট্যাবলো থেকে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, স্বাধীনতা দিবসে নতুন রূপে রেড রোড

‘জেন আলফা’র হাত ধরেই অলিম্পিক জয়, ২০৩৬-এ নতুন প্রজন্মকে তৈরি করার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

স্ত্রী-সন্তান নেই, স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চে বিজয়ের বাবা-মায়ের পাশে নজর কাড়লেন তৃষা

স্বাধীনতা দিবসে গরম ভাতের সঙ্গে বানিয়ে ফেলুন রুই মাছের ডিমের ভাপা

স্বাধীনতা দিবসে ঘরেই বানান তেরঙা পোলাও, রইল সম্পূর্ণ রেসিপি

ব্রাউনি খেলেই টাক মাথা ভরে যাবে চুলে, সহজেই বানিয়ে ফেলুন এই বিশেষ পদ

আমেরিকার মিশিগানে বন্দুকবাজের তাণ্ডবে হত ৫, পুলিশের গুলিতে খতম সন্দেহভাজন

‘১ কোটি পড়ুয়াকে এআই ট্রেনিং, বিনামূল্যে অনলাইনে কোচিং,’ লালকেল্লা থেকে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

‘তেল-গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ পেত কেউ,’ বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

জোরালো ভূমিকম্পের জেরে ইন্দোনেশিয়ায় নিহত ২, হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বাড়ি

হরমুজ প্রণালিকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণার হুমকি ট্রাম্পের

রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত সুশান্তের রহস্যমৃত্যু মামলার তদন্তকারী আধিকারিক নুপূর প্রসাদ

‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্নপূরণে লালকেল্লা থেকে ‘সপ্তধারার’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর