পুজোতে কুমোরটুলির এই শিল্পীর ঘর ফাঁকা, নেন না বায়নাও, কেন?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুমোরটুলি। উত্তর কলকাতার এই এলাকায় তৈরি হয় মূর্তি। মরশুম বুঝে এখানের পটুয়ারা মূর্তি তৈরি করেন। দুর্গাপুজো আসলেই ভিড় বাড়তে থাকে পটুয়াপাড়ায়। সরু সরু গলিতে ছোট ছোট ঘরে হাতের জাদুতে ফুটে ওঠে মায়ের মূর্তি। প্রতি স্টুডিওতে দু্র্গা অ্যান্ড ফ্যামিলি। নানা ধরনের প্রতিমা সেজে উঠছে। এই সময়েই পটুয়ারা সারাবছরের রসদ জোগার করেন। ছোট বড়, একচালা থেকে শুরু করে বড় বড় মূর্তিও তৈরি করেন।

পুজোর আগে নাওয়া-খাওয়া ভুলে যান অনেকেই। এখানে ব্যতিক্রম শুধু তপন পাল। কুমোরটুলিতেই বাস তাঁর। মূর্তি গড়াই পেশা। অথচ পুজোর আগে দুর্গামূর্তি গড়ার কোনও তাড়া নেই তাঁর। বনমালি সরকার স্ট্রিট থএকে ডানদিকে পর্থম গলিতে ঢুকে কয়েক পা এগোলেই সরু এক ঘর। এখানে নেই কোনও দুর্গা প্রতিমা। আর্ট কলেজের ছাত্র তপন পাল। কলেজ পাস করে চলে গিয়েছিলেন হায়দরাবাদ। দীর্ঘদিন কাজ করেছেন রামোজি ফিল্ম সিটিতে। বছর পাঁচেক আগে কুমোরটুলিতে ফিরে আসা। পারিবারিক সূত্রে মূর্তি গড়া বরাবরের নেশা। ছোটোবেলায় বাবার সঙ্গে দুর্গা প্রতিমা গড়তেন। এখন আর আগের মতো আগ্রহ পাননা।

কুমোরটুলির সব ঘরে যখন ব্যস্ততা, তখন শান্তভাবে ধীরে সুস্থে দিন কাটান তপনবাবু। তাঁর কথায়, এখন বদলে গিয়েছে মায়ের মূর্তি। এখনকার মূর্তি দেখতে ভাল লাগে না। তাই আর বানান না। পাশাপাশি বয়সও সঙ্গ দেয়না। রমেশ পাল, গোরাচাঁদ পালের মতো শিল্পীদের নাম করে বললেন, ‘এঁদের তৈরি ঠাকুর মানুষ দাঁড়িয়ে দেখত। এখনকার দুর্গা দেখে মনে সেই ভক্তি জাগে না। আর্টের ঠাকুর বানানো হলেও তাঁর মধ্যে আভিজাত্য রাজকীয়তা থাকে। কিন্তু এখন সেটা দেখতে পাওয়া যায়না। তাঁর কথায়, কুমোরটুলির ঠাকুরের নিজস্ব পরিচিতিটাই হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রতিমা তৈরির ব্যাকরণটাই ভুলেছেন। ঠাকুর দেখলেই হাত জোর হয়ে যাবে আপনা থেকেই। তবেই তাঁর মধ্যে রয়েছে আকর্ষণীয়তা। এখন সেটা দেখতে পাওয়া যায় না।

পানমশলা বিজ্ঞাপনী বিতর্কে মিলল না স্বস্তি, শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত দিল্লি হাইকোর্টের

আটটি চেম্বারে রমরমিয়ে ‘চিকিৎসা’, ফি ৮০০ টাকা! সোনারপুরে গ্রেফতার ‘ভুয়ো ডাক্তার’

নৃশংস! অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, লুট সোনার গহনা

‘হাস্যকর!’ ইমরান খান ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মাইকেল হোল্ডিংয়ের

‘সরকারের আয়ের জন্য বাসের ভাড়া বাড়ানো উচিত,’ দাবি দিলীপ ঘোষের

‘গাড়ি থামিয়ে সাহায্য করলেন না কেন?’, গুরুগ্রামে হিট অ্যান্ড রান কাণ্ডে মুখ খুললেন বাইকার সিয়া

মজুত থাকা অস্ত্র লুট, পাকিস্তানের ১৪টি সেনা চৌকি নিজেদের দখলে নিল বালুচ বিদ্রোহীরা

পুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি! কোথায় কোথায় হবে ভারী বৃষ্টি?

জল্পনায় ইতি, নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন শুভেন্দুর প্রয়াত PA-চন্দ্রনাথের মা হাসি রানি রথ

‘আর অফিস আসতে হবে না’, সকাল ৬টার ইমেলে মাথায় হাত নামী সংস্থার কর্মীদের

অভিবাসন তল্লাশি ছাড়া দিল্লি ছাড়লেন তিন ইতালীয়, এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ

সিংহ রাশিতে কেতুর প্রবেশ, ৯০ দিনে ৬ রাশির জাতকদের জীবনে সুদিন

আগের মতোই চলবে মিড ডে মিল, ইসকনকে সরিয়ে জানাল শিক্ষাদফতর

‘মাকে খুনের চেষ্টা,’ প্রতিবাদে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন রেখা পাত্র