আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

চণ্ডীগড়কে তুলে ধরে কংগ্রেসকে তুলোধনা ‘জাগো বাংলা’য়

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে তৃণমূল জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারের পথে পা বাড়িয়েছে। মোদিকেও যে হারানো যায় সেটা বাংলার নির্বাচনে স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে মোদি ও বিজেপি বিরোধী জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের কদর বেড়ে গিয়েছে। কার্যত মমতাই এখন দেশে মোদি ও বিজেপি বিরোধীতার প্রধান মুখ। এই অবস্থায় ত্রিপুরা হোক কী গোয়া, হরিয়ানা হোক কী মেঘালয় যেখানেই তৃণমূল দলের বিস্তারের জন্য পা বাড়াচ্ছে সেখানেই কংগ্রেস নেতৃত্ব আক্রমণ শানানো শুরু করছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে বিজেপির বি টিম হয়ে কাজ করার, বিজেপিকে ভোট রাজনীতিতে জয়ের সুযোগ করে দেওয়ার। কিন্তু কংগ্রেস নিজে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার নামে কী করছে সেটাই এবার পাল্টা তুলে ধরে আক্রমণে নামল তৃণমূল। মঙ্গলবার তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’তে সম্পাদকীয় বিভাগে কংগ্রেসকে সরাসরি ‘দ্বিচারী’ বলে আক্রমণ শানানো হয়েছে। চণ্ডীগড়ে সাম্প্রতিক কালে হয়ে যাওয়া মেয়র নির্বাচনের ঘটনাকে তুলে ধরে কংগ্রেসের ‘দ্বিচারীতা’ নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল।

সম্প্রতি চণ্ডীগড়ে হয়ে গিয়েছে সেখানকার পুরনিগমের নির্বাচন। ৩৫ আসনের পুরনিগমের নির্বাচনে সব থেকে বেশি আসন পেয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। তাঁদের দখলে গিয়েছে ১৪টি ওয়ার্ড। তারপরেই ছিল বিজেপি। তাঁদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ১২। কংগ্রেস পায় ৮টি আসন ও শিরোমণি অকালি দল পায় মাত্র ১টি আসন। মেয়র পদের নির্বাচনে নূন্যতম ১৮জন কাউন্সিলরের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল। সেই পদের জন্য আপ প্রার্থী করেছিল অঞ্জু কাটিয়ালকে। বিজেপি প্রার্থী করেছিল সরবজিত কৌরকে। খালি চোখে আপ আর কংগ্রেস একে অপরের হাত ধরলেই হারের মুখ দেখতো বিজেপি। কিন্তু হঠাৎ করেই কংগ্রেসের কাউন্সিলররা জানিয়ে দেন তাঁরা ভোটাভুটিতে অংশ নেবেন না। দেখা যায় কংগ্রেসের ৭জন কাউন্সিলর ভোটে অংশ না নিলেও ১জন কাউন্সিলর সরাসরি বিজেপির প্রার্থীকে সমর্থন করেন। এর জেরে আপ ও বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট হয় ১৪টি করে। শিরোমণি অকালি দলও বিজেপিকে সমর্থন করে। এই অবস্থায় বিজেপি জোর করে আপের এক প্রার্থীর ভোট বাতিল করায় চণ্ডীগড়ের মেয়র পদে বিজেপির প্রার্থীই ১৪-১৩ ভোটে জয়ী হন। আর এই ঘটনা তুলে ধরেই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল।

‘জাগো বাংলা’তে এদিন সম্পাদকীয়তে সরাসরি প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যেখানে আপ আর কংগ্রেস এক হলেই বিজেপি হারতো সেখানে কোন রহস্যজনক কারনে কংগ্রেসের কাউন্সিলররা মেয়র নির্বাচনের ভোটাভুটিতে অংশ না নিয়ে গোটা প্রক্রিয়া থেকে সরে থাকলেন? জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও কিন্তু সবাই এখন বলছে, চণ্ডীগড়ে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই কংগ্রেসের কাউন্সিলররা এটা করেছেন। আর সবটাই হয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যাণ্ডের নির্দেশে। কেননা এই ৭জনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন কোনও পদক্ষেপ নেননি তেমনি যে কংগ্রেস কাউন্সিলর সরাসরি বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থীকে সমর্থন করেছেন তাঁর বিরুদ্ধেও কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেননি। সবটাই গটআপ গেম আর তা করা হয়েছে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই। তাহলে বিজেপির প্রকৃত বি টিম কে? কংগ্রেস তো নিজেই বুঝিয়ে দিচ্ছে তাঁদের লক্ষ্য এখন একটাই বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া। এর পরে কোন মুখে কংগ্রেস তৃণমূলকে আক্রমণ করে তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, এখনও খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

‘মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে,’ স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা, ক্ষোভ পুলিশের ভূমিকায়

কালবৈশাখীর মধ্যেই ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাহারায় মমতা

তৃণমূলের EVM-বিকৃতির অভিযোগ খারিজ কমিশনের, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে যাচ্ছেন মমতা, স্ট্রংরুম পাহারায় তৃণমূল সুপ্রিমো

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ