চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলায় চালু হচ্ছে উৎসাহ প্রকল্প, নজরে ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) হাত ধরে বাংলায় চালু হচ্ছে আরও এক নতুন প্রকল্প যা রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নয়া দরজা খুলে দিতে চলেছে। রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের(Food Processing Industries and Horticulture Department) মাধ্যমে আনা এই নয়া প্রকল্পের নাম, ‘উৎসাহ প্রকল্প’। এই প্রকল্পের আওতায় মাছ, মাংস, দুধ, পোলট্রি, বেকারি, কেক-পেস্ট্রি, মশলা, চালকল, গমকল, তেলকল, ডাল, আনাজপাতি, ফল, মধু, মাশরুমসহ যেকোনও খাদ্যদ্রব্য বা উদ্যানপালন সম্পর্কিত ব্যবসা(Business) বা ক্ষুদ্র শিল্পের(Small Industry) জন্য ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র শিল্পপতিদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সব থেকে বড় কথা এই প্রকল্প যে আর্থিক সাহায্য করা হবে তা বছরের পর বছর ধরে ধাপে ধাপে কিস্তিতে দেওয়া হবে না, বরঞ্চ তা ব্যবসা বা ক্ষুদ্র শিল্পের সূচনাকালেই দুই দফায় দিয়ে দেওয়া হবে। 

রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে ছোট ব্যবসা বা শিল্পের জন্য সাধারণ মানুষকে আগ্রহী করতেই এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি কিনতে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সরাসরি আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি দেবে রাজ্য সরকার। শিল্প গড়ার জন্য যত টাকার মেশিন, তার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত উৎসাহমূলক নগদ সাহায্য করবেন তাঁরা। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকার যন্ত্রপাতিতে ওই সহায়তা মিলবে। রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দফতরের কর্তাদের কথায়, এর আগে একটি উৎসাহমূলক স্কিম চালু ছিল, যেখানে ভর্তুকির একটা অংশ বহন করত কেন্দ্রীয় সরকার। সেক্ষেত্রে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যবসায় মিলত সুবিধা। তবে তা দেওয়া হতো ধাপে ধাপে, প্রতিবছর। কিন্তু বেশ কয়েকবছর আগেই সেই স্কিম বন্ধ হয়ে যায়। এবার সরকার নিজেই চাইছে, একেবারে ছোট মাপের শিল্পে ভর্তুকি দেওয়া হোক। তাই নতুন প্রকল্প আনা হয়েছে। যদিও রাজ্যজুড়ে জেলা স্তরে স্কিমটিকে জনপ্রিয় করতে ইতিমধ্যেই কমিটি গড়া হলেও রাজ্যের কোনও পুরনিগম(Municipal Corporation) এলাকায় তা মিলবে না।  

যাঁরা ছোট পুঁজিতে ব্যবসা বা শিল্প গড়তে চান, তাঁদের ব্যাঙ্কঋণ পেতে অনেক সময়ই সমস্যায় পড়েন। কিন্তু রাজ্যের এই স্কিমে সেই সমস্যা ততটা প্রকট হবে না বলেই মনে করছেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দফতরের কর্তারা। তাঁদের কথায়, ব্যাঙ্কগুলি ঋণ দিতে চায় না অনুৎপাদক সম্পদ বৃদ্ধির আশঙ্কায়। অর্থাৎ ঋণ খেলাপের ভয় পায় ব্যাঙ্কগুলি। যদি ব্যাঙ্কে সরাসরি ভর্তুকির অঙ্ক চলে যায়, তাহলে সেই সঙ্কট কাটবে বলে আশাবাদী তাঁরা। আর এই পথটাই বাংলায় আগামী দিনে তরুণ প্রজন্মকে ক্ষুদ্র শিল্প বা ব্যবসা শুরুর জন্য উৎসাহ প্রদান করবে। সেই সব ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে বলেই তাঁরা আশাবাদী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচনের মুখে কলকাতায় ম্যারাথন তল্লাশি ইডি-র

শুক্রে ঝোড়ো প্রচারে মমতা-অভিষেক, রয়েছে জনসভা ও পদযাত্রাও

দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও কার্যালয়ে IT হানা, কী কারণে আয়কর তল্লাশি?

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ