চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘কাকিমাকে খুন করা হয়েছে’, বিস্ফোরক অভিযোগ পূর্ণিমার দেওরপো মিঠুন কান্দুর

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরুলিয়া(Purulia) জেলার বহু বিতর্কিত ঝালদা(Jhalda) পুরসভা এলাকার কংগ্রেসি(INC) পরিবার হিসাবে চিহ্নিত কান্দু পরিবারে আবারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গিয়েছে শুক্রবার রাতে। মারা গিয়েছেন প্রয়াত তপন কান্দুর(Tapan Kandu) স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু(Purnima Kandu)। তিনি ঝালদা পুরসভার কংগ্রেসি কাউন্সিলরও ছিলেন। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে গতকাল রাত থেকেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছিল। এই অবস্থায় শনিবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তাঁর দেওরপো তথা এলাকারই তৃণমূল(TMC) কাউন্সিলর মিঠুন কান্দু(Mithun Kandu)। তাঁর অভিযোগ, পূর্ণিমাকে খুন করা হয়েছে। যদিও প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে পূর্ণিমা কান্দুর। পূর্ণিমার দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত এই নিয়ে মুখ খুলতে রাজী নয় ঝালদা থানার পুলিশও। ঘটনার জেরে পুরুলিয়ার জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো(Nepal Mahato) জানিয়েছেন, ‘মিঠুন যে দাবি করেছে নিশ্চয় কিছু জানে। আমরা চাইব প্রকৃত তদন্ত। হঠাৎ করে তিনি মারা গেলেন। তপন কান্দু খুনের ঘটনায় সিবিআই(CBI) তদন্তের আবেদনকারী ছিলেন পূর্ণিমা। ফলে তাঁর মৃত্যুও নিশ্চয় সিবিআই দেখবে।’ 

আরও পড়ুন, মামার বাড়ির পাশের পুকুরে স্নানে নেমে জলে ডুবে মৃত্যু দাদা-ভাইয়ের

 ২০২২ সালের পুরনির্বাচনে ঝালদা পুরসভার ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়েছিল। কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয়েই ৫টি করে ওয়ার্ডে জয়ী হয়। ২টি আসনে জেতে নির্দল প্রার্থীরা। নির্দলদের সমর্থনে সেখান পুরবোর্ড গড়তে তৎপর হয়েছিলেন সেখানকার ৪ বারের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। সেই সময়ে পূর্ণিমাও জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। কিন্তু পুরবোর্ড গঠনের আগেই দুষ্কৃতীদের হাতে খুব হয়ে যান তপন। সেই মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয় বাংলা। আদালতের নির্দেশে সিবিআই ঘটনার তদন্তে নামে। পরে বার বার নানা পালাবদলের মাধ্যমে পুরবোর্ড আসে তৃণমূলের দখলে। পূর্ণিমা কাউন্সিলর হিসাবেই কাজ করছিলেন। কিন্তু এবার তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন উঠে গেল। গতকাল রাতে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় পূর্ণিমা কান্দুকে। নিয়ে যাওয়া হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় ঝালদা শহরে কান্দু পরিবারের স্টেশন রোডের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। পূর্ণিমার সন্তানরা ফিরে এসে দেখে, তাদের মা অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন নেপাল মাহাতো-সহ দলীয় নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন, ‘গণইস্তফা’ সরকারের কাছে কোনও গ্রাহ্য পদত্যাগ নয়, সাফ জানালেন আলাপন

ঘটনা প্রসঙ্গে নেপাল মাহাতো বলেন, ‘কী করে মৃত্যু হয়েছে আমিও জানি না। সন্ধে অবধি ভালো ছিল বলেই শুনেছি। ওর ছেলেমেয়েরা বাইরে ছিল। এসে দেখে মারা গিয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলেই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ডাক্তারও কনফিউজড। কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে। তার পরই আসল কারণ জানা যাবে।’ এরই মধ্যে এদিন মিঠুন অভিযোগ তুলে জানিয়েছে, ‘তপন কাকু কাউকে টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন কাকিমা। টাকা ফেরত যাতে না দিতে হয়, সেজন্য স্লো পয়জন দিয়ে কাকিমাকে খুন করা হয়েছে। লিখিতভাবে অভিযোগ জানাব। সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। তবে এই মৃত্যুর পিছনে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই। ময়নাতদন্ত হলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ নেপাল মাহাতোও এদিন জানিয়েছেন, তাঁরাও চান মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে আসুক। এদিনই পূর্ণিমার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে আনা হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

‘‌মা–মেয়ের পা ধরে ক্ষমা চাওয়াব’‌, সবংয়ে বিজেপি কর্মীদের চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি, হরিণঘাটার ঘাসফুল কাউন্সিলরের গ্রেফতারে সরব তৃণমূল

ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজির অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘বিজেপি প্রার্থীকে দলের কর্মীরাই মানছে না’, সবংয়ে মানস-অমলের তফাৎ বোঝালেন অভিষেক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ