চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণ নিতে গেলেই পিএম বিদ্যালক্ষ্মী এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কাঠগড়ায় ব্যাঙ্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার জন্য সহজেই ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে। যার গ্যারান্টার থাকবে খোদ রাজ্য সরকার। এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে গরিব মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষিত করতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৩ হাজার ছাত্রছাত্রী এই ঋণ পেয়েছে। আবার অনেক পড়ুয়া স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করেছেন। সেসব আবেদন যাচাই করে অনুমোদনও দিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর। কিন্তু তাল কেটেছে নয়া অভিযোগ আসায়।

কেমন অভিযোগ তুলেছে পড়ুয়ারা?‌ উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নিজেদের পেশা তৈরি করতে চায় পড়ুয়ারা। কিন্তু পড়ুয়াদের অভিযোগ, ব্যাঙ্কে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের বহু উপভোক্তা পড়ুয়াকে। এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ নিতে গেলে কেন্দ্রের মোদি সরকারের ‘পিএম বিদ্যালক্ষ্মী’ প্রকল্পের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার জন্য ঋণ দেওয়ার কথা বলছে একাধিক ব্যাঙ্কগুলি। তাতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে পড়ুয়ারা। কী করবে বুঝে উঠতে না পেরে অনেকে ফিরে যাচ্ছে। আর গোটা বিষয়টি অভিভাবকদের জানাচ্ছে। এই ঘটনা এখন প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। আসলে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি ঘুরপথে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রচারের খেলায় নামেছে বলে পড়ুয়াদের আশঙ্কা।

কী বলছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী?‌ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এই অভিযোগ কানে পৌঁছেছে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২১ সালের ৩০ জুন এই প্রকল্প চালু হয়। তিন বছর পর ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর ‘পিএম বিদ্যালক্ষ্মী’ প্রকল্প চালু করে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন পড়ুয়াদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় প্রকল্প চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডকে নকল করে শুরু হয়। এখন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের উপর তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধাভোগী ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা লক্ষাধিক। তাই পিএম বিদ্যালক্ষ্মীকে জনপ্রিয় করতে পারবে না।’

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ এমন অভিযোগ জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রীকে। তাতেই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পড়ুয়ারা ব্যাঙ্কে গেলে ‘পিএম বিদ্যালক্ষ্মী’র মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৩,৯১৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকল্পের উপভোক্তা সংখ্যা ১ লক্ষ স্পর্শ করেছে। তাই কেন্দ্রের প্রকল্প নিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটির কনভেনর বলবীর সিং বলেছেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির অফিসার যাঁরা তাঁদের নানা রাজ্যে কাজ করতে হয়। বাংলায় বদলি হয়ে আসা একাধিক অফিসার ভুল করে পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমেই ঋণের সুবিধা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া রয়েছে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আজ রাত থেকেই আকাশে উড়বে ড্রোন, ৭২ ঘণ্টা আগেই বর্ডার সিলের নির্দেশ

ফের খড়্গপুর IIT-তে পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু! তদন্তে পুলিশ

বেতন-বিতর্কে দীপ্সিতা, ‘মিথ্যাচারিণী’ বলে কটাক্ষ পৌর কর্মীদের

এবার জঙ্গলমহলে মোদি, রবিবারে চার মেগা সভা প্রধানমন্ত্রীর

ভোটার তালিকায় নাম নেই, ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আবেদন পরিবারের

খাস কলকাতায় ভোটের মুখে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ সহ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ