এই মুহূর্তে

নাবালিকার বিয়েতে ভুরিভোজে হাজির? হাজতবাস আমন্ত্রিতদেরও, কড়া রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিয়ে বাড়িতে আমন্ত্রণ পেয়ে কব্জি-ঢুবিয়ে খান সকলেই। সুন্দর করে সেজে বর-কনেকে দেখে সোজা চলে যান খাবারের জায়গায়। স্টার্টার থেকে মেন কোর্স সবকিছু মন মতো পুষিয়ে খান অনেকেই। কিন্তু বিয়ে বাড়ি খেতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। সেদিকে খেয়াল রাখবেন। বিয়ের ভোজ খাওয়ার পরিবর্তে জুটতে পারে পুলিশের মার। অবাক হলেও এচাই সত্যি। আইনেও আছে সেই কথা। ভাবছেন তো এ আবার কেমন বিয়েবাড়ি?

আইন অনুযায়ী, পাত্র-পাত্রী নাবালক- নাবালিকা হলে মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়ির যেমন বিপদে পড়বেন, তেমন ছাড় পাবেন না পুরোহিত, নাপিত থেকে শুরু করে আমন্ত্রিতরাও। শাস্তি ভোগ করতে হবে ক্যাটারার, ডেকরেটরদেরও। কিন্তু আইন যতই থাকুন, জেল-জরিমানা কটা হয়েছে। মাঝে মধ্যে শাস্তির কথা শোনা গেলেও বড় শাস্তির খবর মেলেনি। নাবালিকার ইচ্ছায় এবং প্রশাসনের তৎপরতায় নাবালিকার বিবাহ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার উদাহরণ রয়েছে। বাল্যবিবাহের  সমস্যাকে মূল থেকে উৎপাটন করতে তৎপর মমতা সরকার। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশাসনিক তৎপরতা ও কঠোরভাবে সামাজিক অবক্ষয়কে রোধ করতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, বাঁকুড়া, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অধিকাংশ বাল্যবিবাহের পাওয়া গিয়েছে। সরকার শুরু করেছে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের কারণে হাত নাবালিকা বিবাহে কিছুটা হলেও রাশ টানা গিয়েছে। ২০০৬ সালের বাল্যবিবাহ রোধ আইন অনুযায়ী তৈরি গাইডলাইন পাঠিয়ে জেলা প্রশাসনগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের তরফে গত ১৫ মে চিঠি ও নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। একাধিক জেলার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অনেকেই ভাবেন মেয়ের বিয়ে তাড়াতাড়ি দিলেই শান্তি। এইক্ষেত্রে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই বিয়েতে পেটপুজোয় ব্যস্ত থাকেন অনেকেই। পোলাও-মাটন খেয়ে পান চিবোতে চিবোতে বাড়ি ফেরাতেই যেন আনন্দ। কিন্তু এমন বিয়ে বাড়িতে গেলে এখন থেকে বাড়তে পারে বিপদ। নাবালিকার বিয়েতে ভোজ খেতে গিয়ে গ্রেফতার হতে পারেন আমন্ত্রিতও। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের বিভিন্ন কর্মশালাতে নিয়ম করে আমন্ত্রিতদের গ্রেফতারির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে জানানো হয়েছে। বীরভূম, দার্জিলিং, মালদহ, জলপাইগুড়ি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ সহ বিভিন্ন জেলায় আইনের কথা বলে জিঙ্গেল, পোস্টার, হোর্ডিং তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

আউশগ্রামে ভোটার তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ কলিতা মাজিকে প্রার্থী করল বিজেপি, প্রশ্ন তুলল তৃণমূল    

‘একতরফা সিদ্ধান্ত নেবেন না’, নন্দিনীদের অপসারণ নিয়ে জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

কলকাতায় শুরু তুমুল ঝড়-শিলাবৃষ্টি, বাড়িমুখো অফিস যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

কিছুক্ষণের মধ্যে ধেয়ে আসছে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি, কলকাতা-সহ চার জেলায় জারি লাল সতর্কতা

সাহিত্যসম্রাটের পরিবারের সদস্যকে প্রার্থী করল বিজেপি, ‘‌বঙ্কিম দা’‌ ড্যামেজ কন্ট্রোলে কৌশল

আবার মমতা বনাম শুভেন্দু, পরাজয়ের ভয়ে দুই আসনে প্রার্থী করল বিজেপি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ