চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

চোখে জল এনেছে শেষ কয়েকটি শব্দ, হরিশের সঙ্গে শেষবার কথা বলা সিস্টারের পরিচয় জানেন?

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে প্রথম ইচ্ছামৃত্যুর আবেদনে সায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  গাজিয়াবাদের হরিশ রানার গল্প বর্তমানে চর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে। ১৩ বছর কোমায় থাকার পর আদালতের অনুমতিতে  ইচ্ছামৃত্যু ধাপ সম্পন্ন হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনের পর, তাঁকে দিল্লির এইমস-এ স্থানান্তরিত করা হয়েছে, যেখানে  চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে লাইফ সাপোর্ট  খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।   সম্প্রতি একটি ভিডিও ভারাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে হরিশকে শেষবিদায় দেওয়া হচ্ছে।  কিন্তু এই পুরো ঘটনার মাঝে, আরেকটি মুখ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে আধ্যাত্মিক পোশাক পরিহিত একজন মহিলা  হরিশ রানার কাছে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এবং   শেষ বিদায় জানাচ্ছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “এখন যাও, সবাইকে ক্ষমা করে দাও এবং সবার কাছে ক্ষমা চাও।” এই কথাগুলো শুনে  প্রতিটি মানুষের চোখ জলে ভরে গিয়েছে।  সেই দ্রুত  সোশ্যাল মিডিয়ায়  ছড়িয়ে পড়ার পরেই  সকলে এটা জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন  যে, এমন আবেগঘন মুহূর্তে এই বার্তাটি দেওয়া ওই সিস্টারকে? জেনে নিন তাঁর পরিচয়। 

জানা গিয়েছে, ভিডিওতে  দেখতে পাওয়া মহিলা ব্রহ্ম কুমারীদের সঙ্গে যুক্ত একজন প্রবীণ সাধিকা, যিনি “বেহান” নামে পরিচিত। তিনি সাহিবাদের মোহন নগরে অবস্থিত ব্রহ্ম কুমারী কেন্দ্র, “প্রভু মিলন ভবন” এর  সঙ্গে যুক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে আধ্যাত্মিক সেবায় সক্রিয়ভাবে জড়িত। এই আধ্যাত্মিক সংগঠনের সাথে হরিশ রানা পরিবারের সম্পর্ক নতুন নয়। হরিশ রানার বাবা অশোক রানা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বহু বছর ধরে ব্রহ্ম কুমারীদের অনুষ্ঠান এবং আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। বলা হয় যে, দুর্ঘটনার পর যখন হরিশের জীবন হঠাৎ বদলে যায় এবং তিনি কোমায় চলে যান, তখন পরিবারটি আধ্যাত্মিক সহায়তাকে তাদের শক্তি হিসেবে গ্রহণ করে। এই কারণেই, বছরের পর বছর ধরে, ব্রহ্ম কুমারী কেন্দ্রের সাথে যুক্ত অনেক ব্যক্তি সময়ে সময়ে রানা পরিবারের সাথে দেখা করেছেন, তাদের সঙ্গে প্রার্থনা করেছেন এবং  মানসিক  ভাবে পাশে থেকেছেন। 

শেষ সাক্ষাতের আবেগঘন মুহূর্ত

১৩ মার্চ যখন  স্পষ্ট হ যায় যে আদালতের অনুমতির পর হরিশ রানাকে এখন ইচ্ছামৃত্যুর মধ্য দিয়ে যেতে হবে, তখন ব্রহ্মা কুমারী কেন্দ্রের আধ্যাত্মিক  নেত্রী  সিস্টার কুমারী লাভলী দিদি রানা পরিবারের বাড়িতে আসেন। বাড়ির পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত এবং আবেগপ্রবণ বলে বর্ণনা করা হয়েছিল। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন এবং সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে, সিস্টার লাভলী হরিশ রানার কপালে চন্দনের তিলক লাগিয়ে, তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন এবং শান্ত কণ্ঠে কয়েকটি কথা বলেন। “সকলকে ক্ষমা করে, সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে, এখন  চলে যাও” এই কথাটি উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন।

আধ্যাত্মিক দর্শনে ক্ষমার গুরুত্ব

ব্রহ্মা কুমারীদের শিক্ষায় ক্ষমা এবং অন্তরের শান্তি অত্যন্ত মূল্যবান। মানুষ বিশ্বাস করে যে জীবনের শেষ মুহূর্তগুলিতে মনকে সম্পূর্ণরূপে হালকা এবং শান্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চিন্তাভাবনা থেকেই  সিস্টার লাভলি হরিশ রানাকে বার্তাটি পৌঁছে দেন। যা সকলের চোখে জল এনে দেয়। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ত্রিপুরায় ভূমিশয্যা নিল বিজেপি, এডিসি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় প্রদ্যোতের দলের

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে রাহুল গান্ধির বিরুদ্ধে FIR দায়েরের নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

সুরাটে উদ্ধার ২০০০ কেজি ‘ভেজাল ঘি’, গ্রেফতার ২ ব্যবসায়ী

সান ফ্রান্সিসকোতে বিপাকে এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট, ব্যাগ থেকে যা উদ্ধার হল….

চার বছরের মেয়েকে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের, নেপথ্যে পরকীয়া?

মিরাটে ২৮ কুইন্ট্যাল ভেজাল পনির উদ্ধার, গ্রেফতার দুই ভাই

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ