এই মুহূর্তে

এরশাদের পার্টিকে ভোটে লড়তে দেওয়া যাবে না, নতুন আবদার ইসলামি জঙ্গিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আগামী মাসেই রয়েছে বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট নিয়ে চড়ছে পারদ। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করেছে ইউনূস সরকার। এবার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা)-কে নির্বাচনে লড়তে না দেওয়ার দাবি উঠল। এই দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। সেখান থেকে বের হয়েই তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “জাতীয় পার্টি বিগত ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল। নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কারভাবে বলেছি, আমরা চাই না তারা নির্বাচনে থাকুক।” সাংবাদিকদের সামনে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা আগেও বলেছি, নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের কোনো ধরনের পুনর্বাসন আমরা চাই না।” তাঁর দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, কমিশন তাঁদের কথা শুনেছে। আইনের মধ্যে থেকে বিধিবদ্ধভাবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:  মোল্লা ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ, ৩৫ দিনে খুন ১১ জন

 আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ওই দিন গণভোটও হবে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই শুরু হবে গণনা।  বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা ঘোষণা করেছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরউদ্দিন। স্বাধীন বাংলাদেশে এই প্রথম ভোটে লড়তে পারছে না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল আওয়ামী লীগ। এবারের লড়াই মূলত ত্রিমুখী। খালেদা জিয়ার বিএনপির সঙ্গে লড়াই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জামায়াতে ইসলামী এবং পাকিস্তানপ্রেমী জাতীয় নাগরিক পার্টির। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা-কালো। গণভোটের ব্যালটের রং হবে গোলাপি। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার অংশ নেবেন। ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে।

বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। ওই নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় ফেরেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা। ৩০০ আসন বিশিষ্ট জাতীয সংসদে হাসিনার দল আওয়ামী লীগ জয়ী হয় ২২২ আসনে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি জয়ী হয় ১১টি আসনে। আওয়ামী লীগ জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জয়ী হয়েছিল। নির্দল প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন ৬২টি আসনে। যদিও ওই নির্বাচন বয়কট করেছিল খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। পাকিস্তান প্রেমী ইসলামি দলগুলিও অংশ নেয়নি। ওই ভোট নিয়ে ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল শেখ হাসিনাকে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

ফের অশান্ত ঢাকা, সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঝাঁঝরা বিএনপি নেতা

জুলাই যোদ্ধাদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবেন খালেদা-পুত্র তারেক, ব্রাত্য দীপু দাসের পরিবার

‘বেদনাদায়ক’, বাংলাদেশে হিন্দু বিধবাকে ধর্ষণের পর গাছে বেঁধে নির্যাতন নিয়ে গর্জে উঠলেন শিখর ধাওয়ান

দীর্ঘ ১৪ বছর বাদে ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু

বাংলাদেশে চোর সন্দেহে হিন্দু যুবককে ধাওয়া, প্রাণ বাঁচতে খালের জলে ঝাঁপ দিতেই মৃত্যু

সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করার হুমকি দেওয়া ইসলামি জঙ্গির সঙ্গে তারেকের বৈঠক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ