চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হাসিনাকে কবে দিল্লির কাছে ফেরত চাওয়া হবে জানিয়ে দিল ইউনূস সরকার

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: হিন্দু নির্যাতন নিয়ে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের তিক্ততা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ওই তিক্ততার মধ্যেই আগামিকাল সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখছেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশরি। রাজনৈতিক পালাবদলের পরে এই প্রথম ভারতের কোনও শীর্ষ আধিকারিক বাংলাদেশে আসছেন। আর ভারতের বিদেশ সচিব ঢাকায় পা দেওয়ার কয়েক ঘন্টা আগেই দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া নিয়ে বড় সড় ঘোষণা করল মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস সরকার।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সাংবাদিক সম্মেলন করে ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে আমাদের সরকারের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের সম্মুখীন করতে চাই। তাঁর আমলে গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে। জুলাই-অগস্টে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে হত্যার মূল নির্দেশদাতা তিনি। এর আগে যেসব গুম হয়েছে, তখন তিনি সরকার প্রধান ছিলেন। তারপর শ্বেতপত্রে এসেছে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এটি করদাতাদের টাকা, নাগরিকদের টাকা চুরি করে বাইরে চলে গিয়েছে। এই পুরো জিনিসগুলোর জবাবদিহির জন্য আইনের আওতায় আনাটা হচ্ছে আমাদের একটি অঙ্গীকার। কিছু আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হবে। ’

বঙ্গবন্ধু কন্যার জমানায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেই চুক্তিকেই যে হাতিয়ার করে মোদি সরকারের উপরে চাপ তৈরি করা হবে, তাও জানিয়ে দিয়েছেন মোল্লা ইউনূসের মুখপাত্র। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল বলেন, ‘যেহেতু ভারতের সঙ্গে আমাদের একটা প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী কিছু আইনি প্রক্রিয়া করে তারপর একজনকে অপরাধী বা দণ্ডিতকে প্রত্যর্পণ চাওয়া যেতে পারে।  আমরা সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছি। তা সম্পন্ন করার পর আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে (শেখ হাসিনা) প্রত্যর্পণ করার জন্য ভারতের দ্বারস্থ হবে।’

উল্লেখ্য কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে গত ৫ অগস্ট সেনাবাহিনীর বিদ্রোহের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছোট বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে দিল্লি যান তিনি। গত চার মাস ধরে ভারত সরকারের বিশেষ আতিথ্যে রয়েছেন। যদিও মোদি সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি। তবে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিশেষ ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মোদি সরকার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

তেলের ভান্ডার শূন্যের পথে, জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশে স্থগিত নির্বাচন

মৌলবাদীদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ঢাকায় পয়লা বৈশাখে বের হল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ