এই মুহূর্তে

চরম সঙ্কটে বিজেপি, হাতছাড়া হতে পারে মণিপুরও

নিজস্ব প্রতিনিধি: রয়েছে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। ৬০ আসনের বিধানসভায় ৩৭জনই গেরুয়া শিবিরের। এর বাইরেও রয়েছে ৩টি জোট শরিকের ১৪জনের বিধায়ক। পাশে আছেন ৩জন নির্দলও। বিরোধী শিবিরে মাত্র ৬জন। তারপরেও সঙ্কট ক্রমশ বাড়ছে। সরকার থাকবে নাকি পড়ে যাবে তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এর রেশ পড়ছে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতেও। কেন্দ্রের শাসক দলই ক্রমশ জমি হারা হতে শুরু করে দিয়েছে। নজরে মণিপুর(Manipur)। সেখানে টালমাটাল অবস্থা ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP) সরকারের। পরিস্থিতি সেখানে এতটাই সঙ্কটজনক যে অনেকেই মনে করছেন সেখানে যে কোনওদিন যে কোনও সময়ে সরকার পড়ে যেতে পারে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী বদল করার কথাও শুরু হয়ে গিয়েছে বলেই পদ্মশিবির সূত্রে জানা গিয়েছে। কিন্তু যা পরিস্থিতি তা দেখে অনেকেই মনে করছেন কর্ণাটকের পরে এবার মণিপুরও হাতছাড়া হতে চলেছে বিজেপির।

আরও পড়ুন ববিতার বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা, হাতিয়ার আদালতের রায়

সঙ্কট ঠিক কোথায়? গতবছর অনুষ্ঠিত হয় মণিপুর বিধানসভার নির্বাচন। ৬০ আসনের সেই নির্বাচনে বিজেপি একাই পায় ৩৭টি আসন। জোট শরিক হিসাবে NPP পায় ৭টি আসন, NPF পায় ৫টি আসন ও KPA পায় ২টি আসন। এছাড়াও ৩জন নির্দল বিধায়ক বিজেপি সরকারকে সমর্থন জানায়। সব মিলিয়ে ৫৪জনের সমর্থনে দ্বিতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং(N Biren Singh)। বিরোধী আসনে রয়েছেন কংগ্রেসের মাত্র ৫জন বিধায়ক ও সংযুক্ত জনতা দলের ১জন বিধায়ক। সেই হিসাবে এই সরকারের কোনও বিপদই হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সেখানেই পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গিয়েছে সাম্প্রতিক কালের সংঘর্ষের ঘটনায়। কেননা বিজেপির অন্দরেই মণিপুরের মাটিতে বিদ্রোহ শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে দলের অন্দরেই যেমন জোরালো দাবি উঠেছে কুকি-হামার-জোমি প্রভাবিত এলাকায় ‘পৃথক প্রশাসনে’র, তেমনি সেই দাবিতে সুর চড়িয়েছেন ৩ জোট শরিক বিধায়কও। মোট ১০ জন বিধায়ক এই দাবির সমর্থনে সুর চড়িয়েছেন। এই ১০জনের মধ্যে ৭জনই আবার বিজেপির।

আরও পড়ুন এগরার বিস্ফোরণের ঘটনায় NIA তদন্তে আপত্তি নেই, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এই অবস্থায় গত রবিবার দিল্লি গিয়ে মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের(Amit Shah) সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন বীরেন্দ্র। সেই বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিক বৈঠকে এটাও জানিয়ে দেন, কুকি-হামার-জোমি প্রভাবিত এলাকায় ‘পৃথক প্রশাসনে’র দাবি কোনওমতেই মেনে নেওয়া হবে না। কিন্তু সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের জেরেই বিজেপির ৭ বিক্ষুব্ধ বিধায়ক দল ছাড়ার পথে হাঁটা দিতে চলেছেন। সেই সঙ্গে ৩ জোট শরিকও বিজেপির সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করতে চলেছে। তাঁদের এখন দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বদল ঘটানো হোক মণিপুরে। এই অবস্থায় কার্যত সুতোর ওপর ঝুলছে মণিপুরের বিজেপি সরকারের ভবিষ্যত। বীরেন্দ্রকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দিলেও সমস্যার সমাধান কতখানি হবে তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আর এই কারণেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, সেখানে সরকার থাকা আর পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

CBSC-র দশম শ্রেণীর ফলাফল প্রকাশ, কীভাবে জানবেন রেজাল্ট?

অর্থ পাচার মামলায় প্রিয়াঙ্কা গান্ধির স্বামী রবার্ট বঢরাকে তলব দিল্লির আদালতের

বিমানে পাশের আসনে বসা মহিলাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার ভারতীয়

ফের পিছিয়ে গেল ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি, নতুন তারিখ দিল সুপ্রিম কোর্ট

বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় চমক, প্রথমবার বোনাস শেয়ার দিচ্ছে LIC

গুগলের কোটি টাকার চাকরি ছেড়ে দুবাই, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তনু পুরি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ