চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জেলে বন্দি মেরঠ কাণ্ডে অভিযুক্ত সাহিল-মুসকানকে রামায়ন উপহার ছোট পর্দার রামের

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাপ কর্মে লিপ্ত দস্যু রত্নাকর রাম নাম উচ্চারণ করতে পারেননি। তাই নিজের পাপ মোচনের জন্য বেঁচে নিয়েছিলেন মরা শব্দ যার উলটো করলেই রাম। একসময় মরা জপ করতে করতে দস্যু তাঁর জিভের পাপরুপী জড়তা কাটিয়ে বলে উঠেছিলেন রাম। বছরের পর বছর ধরে ধ্যানমগ্ন রত্নাকরের দেহের উপরে ঢিবি বানিয়ে ফেলেছিল বল্মীক অর্থাৎ উই পোকারা। তখন থেকেই দস্যু রত্নাকর হয়ে উঠলেন মহর্ষি বাল্মিকী। যিনি ক্রৌঞ্চের মৃত্যুতে ক্রৌঞ্চির বিলাপ থেকে সৃষ্টি করলেন ভারতের দুই মহাকাব্যের একটি, রামায়ণ। মেরঠের মুসকান রাস্তোগি ও সাহিল শুক্লা রত্নাকর থেকে বাল্মিকীর চরিত্রে উন্নীত হতে পারবে কীনা, সেটা সময় বলবে। কিন্তু তাদের উন্নীত করার চেষতায় কোনও কসুর রাখলেন না ছোটপর্দার ‘রামচন্দ্র’ অরুণ গোভিল।

প্রেমিক সাহিলের সঙ্গে মিলে স্বামী সৌরভ রাজপুতকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে মুসকান রাস্তোগি। আপাতত প্রণয়ী- প্রণয়িনীর ঠাঁই হয়েছে শ্রীঘরে। তারা দুজনেই চরণ সিং জেলা কারাগারে রয়েছে। সৌরভকে হত্যা করে তাঁর দেহ ১৫ টুকরো করে একটি ড্রামে রেখে সিমেন্ট বালি দিয়ে সিল করে দিয়েছিল মুসকান ও সাহিল। রবিবার তাদের সঙ্গে দেখা করলেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে উত্তীর্ণ অরুণ গোভিল।

বিজেপি নেতা গোভিল এই মুহূর্তে মিরাটের সাংসদ। তিনি রবিবার জেলে এসে বন্দিদের মধ্যে রামায়ণের ১,৫০০ কপি বিতরণ করেন। অরুণ গোভিলের ‘ঘর ঘর রামায়ণ’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রচেষ্টা। তাই বন্দিরাও তাঁকে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

রামানন্দ সাগরের জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘রামায়ণ’-এ ভগবান রামের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সুপ্রসিদ্ধ অরুণ গোভিল মেরঠ-হাপুর লোকসভা কেন্দ্রে ‘ঘর ঘর রামায়ণ’ প্রচার করছেন। দেশব্যাপী ১১ লক্ষ রামায়ণ বিতরণ করা এর উদ্দেশ্য। ৪৫ দিন আগে হাপুরে ‘ঘর ঘর রামায়ণ’ চালু হওয়ার পর থেকে, এই অঞ্চলে ১১,০০০ এরও বেশি কপি বিতরণ করা হয়েছে।

১৯ মার্চ থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকা মুসকান এবং সাহিল কারাগারে রয়েছে। কিন্তু সেই জীবনের সঙ্গে তাদের মানিয়ে নিতে বেশ সমস্যা হচ্ছে। জেল কর্মকর্তারা বলছেন যে দুজনের কেউ মাদক পাচ্ছে না, তাই তাদের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে মুসকান সাহিল দুজনেই অস্থিরতা, অনিদ্রায় ভুগছিলেন।

রামায়ণ বিতরণ করে সাংসদ ওরুণ গোভিল বলেছেন,  “রামায়ণের প্রতি বন্দীরা অপরিসীম শ্রদ্ধা দেখিয়েছে। যদি এর শিক্ষার একটি অংশও অনুসরণ করা হয়, তবে সমাজে ইতিবাচকতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। রামায়ণ বিতরণ করলেই তো শুধু হবে না, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর শিক্ষার বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। যদি আমরা এর মূল্যবোধের ১০ শতাংশও গ্রহণ করি, তবুও সমাজ ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবে।”

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মিরাটে ভয়ঙ্কর ঘটনা! রোগীর পেট কেটে অস্ত্রপচার না করে যা করলেন চিকিৎসকরা…

তিনদিন আটকে রেখে মার্কিন পর্যটককে ধর্ষণ, গ্রেফতার কর্ণাটকের হোমস্টের মালিক ও কর্মী

মন্দিরে প্রবেশাধিকার নেই, নিজের গ্রামে আজও জাতিবিদ্বেষের শিকার ‘পঞ্চায়েত’ অভিনেতা

ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে সোনার গহনা চুরি করল ৫ পুলিশ কর্তা, তারপর যা হল…

‘একাধিকবার সময় চাইলেও দেখা করেননি যোগী আদিত্যনাথ’, ক্ষোভ উগরে দিলেন পহেলগাঁওয়ে নিহতের স্ত্রী

পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা মোদির, যা লিখলেন…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ