পাশে থাকে না ছেলে মেয়েরা, হয়না ভাসান, পঞ্চমুন্ডি আসনে তন্ত্রমতে পূজিত হন দেবী জয়দুর্গা

Share:

নিজস্ব প্রতিনধি: এখানে দেবী দুর্গার দশ হাত নয় দেবী চতুর্ভুজা। তিনি বিরাজ করেন পঞ্চমুন্ডি আসনে। ১২ হাতের বেনারসি থাকে মায়ের পরণে। এই দেবীর সঙ্গে নেই ছেলেমেয়েরা। তবে রয়েছে বাহন সিংহ এবং ১২ হাতের বেনারসি। পূর্ব বর্ধমানে বৈকুণ্ঠপুরে দেবী পঞ্চমুন্ডি আসনে বসে দেবী জয়দুর্গা তন্ত্রমতে পূজিত হন।

লোকমুখে শোনা যায় পূর্ব বর্ধমানের বৈকুণ্ঠপুরের বাঁকা নদীর ধারে কোনও তান্ত্রিক প্রায় ৫০০-৬০০ বছর আগে এই পুজো শুরু করেন। তিনি মাটি দিয়ে তৈরি করেছিলেন মা জয়দুর্গার মূর্তি। ওই তান্ত্রিক নদীর ধারে একটি কুটির তৈরি করে সেখনেই মাকে অধিষ্ঠিত করেন। তখন থেকেই তান্ত্রিক মতে পুজো শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁরপর স্বপ্নাদেশ পেয়ে বর্ধমানের মহারাজ কীর্তিচাঁদ জমি দান করেছিলেন দেবীর পুজোর জন্য। মহারাজই মায়ের আদেশ পাওয়ার পর ওই জমিতে তৈরি করে দেন মন্দির। পরবর্তীকালে তান্ত্রিক পুজোর দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরই পরিবারের কোনও এক ব্যক্তির কাঁধে। সেই ঘটনার পর থেকেই তার পর থেকে এই পুজো করে আসছে বৈকুণ্ঠপুরের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার।

বৈকুণ্ঠপুরের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের ছোট ছেলে মানস বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো প্রসঙ্গে জানান, তান্ত্রিক বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা তিনকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুজোর দায়িত্ব দেওয়ার পর এই পরিবার ১১ পুরুষ ধরে পুজো করে আসছে । তিনি জানান, এখনও মহারাজ কীর্তিচাঁদের নামেই সংকল্প হয় মা জয়দুর্গার সন্ধিপুজোয়। তিনি জানান যেহেতু মায়ের পুজো হয় তন্ত্রমতে তাই বিসর্জন হয় না। মানস বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন মায়ের ভোগও তাঁদের বাড়িতে আলাদা। নিত্য পুজোয় দেওয়া হয় নানা রকম মাছ আর অষ্টমীতে ভোগে নিবেদন করা হয় মাগুর মাছ। সন্ধ্যারতির পরে মাকে দেওয়া হয় শীতলভোগ। বলির প্রথাও রয়েছে। সেই শুরু থেকে মা জয়দুর্গার পুজোর নিয়মে কোনও বদল হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায় তাঁদের বাড়িতে ২ বছর অন্তর হয় অঙ্গরাগ। তবে সারাবছরই দেবীর নিত্যসেবা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান বর্তমানে তাঁর বাড়ির সদস্যরা বিভন্ন প্রান্তে থাকলেও পুজোর জন্য সকলেই বর্ধমানের বৈকুণ্ঠপুরের আসেন ।

বিমান নাকি পিকনিক স্পট? ইন্ডিগোর বিমানে এক পরিবারের কাণ্ডে তুমুল বিতর্ক

আকস্মিক বন্যায় বিধ্বস্ত নেপাল, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয় পর্যটক

ইউনিফর্ম পরে ডিউটিতে গিয়ে রাস্তায় শুয়ে গড়াগড়ি জওয়ানের, তারপরের ঘটনা শুনলে অবাক হবেন…

নবদ্বীপে ভেজাল দুধ তৈরির কারখানার হদিশ, আটক ১

‘ক্ষমতার অপব্যবহার’, রাজস্থান হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে অপসারণের দাবি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির

আভা আইডি তৈরিতে দেরি, লাইনে দাঁড়িয়ে কালঘাম ছুটছে রোগী-পরিজনদের, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়

মালদা মেডিকেল কলেজে একদিনেই ১০ শিশুর মৃত্যু, রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য দফতরের

হাওড়ায় বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কাজ

‘কাটমানি ভাগাভাগি করে নেব’, হাতে গঙ্গাজল নিয়ে শপথ পুর কাউন্সিলরদের, দেখুন ভিডিও  

‘রাখির উপহার চাই না, স্কুল ঠিক করে দিন’, জেলাশাসককে আর্জি খুদে পড়ুয়াদের

বাড়িতে ডেকে এনে শিশুকে যৌন হেনস্থা প্রৌঢ়ের, শোরগোল গড়ফায়

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় অঘটন! প্রথম স্থান হারালেন বুমরাহ, জায়গা নিলেন কে?

এক ঝটকায় নিশ্চিহ্ন গোটা গ্রাম! তিব্বত সীমান্তে নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃত ৮

সোনাল দিনুসার শতরানেও ফলোঅন এড়াতে পারল না শ্রীলঙ্কা