‘ভাল বাংলা ছবির দর্শক এখনও রয়েছে’, দাবি জাতীয় পুরস্কার জয়ী নীলাদ্রি রায়ের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ছোটবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি বিশেষ টান ছিল। আর সেই অমোঘ টান উপেক্ষা করতে না পেরে জীবনে পেশা হিসাবেই আঁকড়ে ধরেছিলেন ছবিকে। অনেক চড়াই-উতরাই পেয়ে অবশেষে স্বীকৃতি পেয়েছেন। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিচালক গৌতম ঘোষের উপরে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘ মুভিং ফোকাস’-এ অনবদ্য সম্পাদনার জন্য সেরা সম্পাদক হিসাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন নীলাদ্রি রায়। ওই স্বীকৃতি প্রমাণ করেছে ভুল পেশাকে বেছে নেননি তরুণ বঙ্গ তনয়। বিখ্যাত পরিচালকদের সহযোগী হিসাবে কাজ করা তরুণ সম্পাদক মনে করেন ‘বেশ খানিকটা প্রতিকুলতা থাকলেও সমান্তরাল বাংলা ছবির ভবিষ্যত রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির দর্শক সমান্তরাল বাংলা ছবির ভক্ত। ভাল ছবি তৈরি হলে তারা আপনিই ছুটে আসবেন।’

১৯৯১ সালের ১৪ এপ্রিল কলকাতায় জন্মগ্রহণ নীলাদ্রি রায়ের। ছোট বেলা পাঠভবন স্কুলে পড়ার সময়েই সিনেমার প্রতি বিশেষ আগ্রহ জন্মে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র খুব অল্প বয়সেই ছবির জগতে পা রাখেন। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তথ্যচিত্র, মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্র, কর্পোরেট চলচ্চিত্রে সম্পাদনার কাজ করেছেন। তাঁর সম্পাদিত পূর্ণ দৈর্ঘ্যের বাংলা ছবির মধ্যে রয়েছে-শঙ্খচিল (সেরা বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ৬৩তম জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী), রাহগীর, মহালয়া।  সম্পাদনার পাশাপাশি সঙ্গীতেও বিশেষ দক্ষতা রয়েছে নীলাদ্রির। একাধিক বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন এবং শব্দ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা উপভোগ করেন। সঙ্গীতের প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ সম্পাদনার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে।

বাংলার একাধিক নামী-দামী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হলেও এখনও বলিউডের কোনও পরিচালকের সাথে কাজ করা হয়ে ওঠেনি। তবে সুযোগ পেলে হিন্দি কিংবা অন্য কোনও ভাষার ছবিতেও কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তরুণ সম্পাদক। তবে মাতৃভাষা হওয়ার কারণে বাংলা ছবিকেই বাড়তি গুরুত্ব দিতে চান। জাতীয় পুরস্কারের মতো স্বীকৃতি পেলেও নীলাদ্রি বিশ্বাস করেন, ‘যাব‍ৎ বাঁচি, তাব‍ৎ শিখি’ তত্ত্বে। তাই নিজেকে ঝালিয়ে নিতে আরও শিখতে চান তিনি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যে সম্পাদনার ক্ষেত্রে অনেকটা বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে তাও অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন তরুণ সম্পাদক। বাংলা ছবির ভবিষ্যতের স্বার্থে  এবং প্রযোজকদের বিনিয়োগ করা অর্থ সুরক্ষিত রাখতে আরও বেশি করে প্রেক্ষাগৃহে বাংলা ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার সওয়াল করেছেন নীলাদ্রি। তাঁর কথায়, ‘বাণিজ্যিক হোক কিংবা সমান্তরাল- বাংলা ছবির দর্শক রয়েছে। শুধু তাঁদের ছবি দেখার মতো সুযোগ করে দিতে হবে। যাতে কাছের কোনও প্রেক্ষাগৃহে তাঁরা ছবি দেখতে পারেন। তাহলেই ওটিটি, ইউটিউব-সহ ডিজিটাল মিডিয়া থেকে সরে এসে ফের হলে যাবেন তাঁরা। তা না হলে বাড়িতে বসে ডিজিটাল মিডিয়ায় অন্য কিছু দেখবেন।’

‘জীবনে কোনও বৈধ কাজ করেনি,’ অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ রাজীবের

বিশ্বকাপ জিতলেই অবসর! ফাইনালের আগে বড় ঘোষণা স্পেনের তারকা ফুটবলারের

ফের শহরে আসছেন মেসি, তিলোত্তমায় খেলবেন ফুটবলও

পানিহাটিতে নির্মল ঘোষের ছেলেকে রাস্তায় ঘোরাল পুলিশ, উঠল ‘চোর-চোর’ স্লোগান

সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে উদ্বিগ্ন তৃণমূলনেত্রী মমতা

হিন্দু পরিচয়ে মন্দিরে নাবালিকাকে বিয়ের অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে গ্রেফতার মুসলিম ব্যক্তি

ফিলিস্তিনি বন্দিদের নজরদারিতে কুমির দিয়ে ঘেরা কারাগারের তৈরির পরিকল্পনা ইজরায়েলের

‘রিপোর্ট দিচ্ছে না হাসপাতাল, চিকিৎসাও শুরু হয়নি’, বিস্ফোরক দাবি ওয়াংচুকের স্ত্রীয়ের

অভিষেকের অবৈধ কার্যালয় বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ

ইতিহাস গড়ল ভারত, মহাকাশে পাড়ি দিল ‘বিক্রম-১’

নন্দনের বড়পর্দায় বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ! আর্জেন্টিনা-স্পেনের দ্বৈরথ দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী

ঘরেই বানিয়ে ফেলুন সুজির শুকনো মালপোয়া, মুচমুচে স্বাদে জমে যাবে মিষ্টিমুখ

নিরামিষ ভোজে নতুন চমক, বাড়িতে সহজেই বানিয়ে নিন সয়াবিন মুইঠ্যা