এই মুহূর্তে

দোলে অতিরিক্ত ভাং খেয়ে শরীর অসুস্থ? এই টিপসগুলি মানলে বিপদ এড়াবেন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  দোল মানেই রংয়ের উচ্ছ্বাস, আড্ডা আর ভাংয়ের শরবত। বহু বাঙালির কাছে রং খেলার অন্যতম অনুষঙ্গ এই ভাং। মিষ্টি স্বাদের শরবত পেটে যাওয়ার কিছু সময় পরেই চড়তে শুরু করে নেশা- মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, শরীর ভার লাগা। অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকদের মতে, আতঙ্কের কিছু নেই; সঠিক যত্ন নিলেই এই হ্যাংওভার কেটে যায়।

নেশা কাটাতে কী করবেন?

ভাংয়ের নেশা কাটাতে সবচেয়ে জরুরি হল প্রচুর পরিমাণে জল পান। শরীরে জল কম থাকলে অস্বস্তি বাড়ে। জল টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। এ সময় মশলাদার বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল। তার বদলে হালকা, পুষ্টিকর ঘরোয়া খাবার- যাতে ভিটামিন ও মিনারেলস রয়েছে- সেগুলি খাওয়া উচিত।পাতিলেবুর রস মিশ্রিত ঈষদুষ্ণ জল ঝিমুনি কমাতে কার্যকর। ডাবের জলও দারুণ উপকারী; এতে থাকা প্রাকৃতিক মিনারেল শরীরকে দ্রুত চাঙা করে। অস্বস্তি বেশি হলে হালকা গরম জলে স্নান করলে পেশি শিথিল হয়, মাথা ঘোরা কমে। সাধারণত এক-দু’দিনের মধ্যেই নেশা কেটে যায়। গুরুতর সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

এ বছর হোলির তারিখ নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। জ্যোতিষী পণ্ডিত দৈবগ্য কৃষ্ণ শাস্ত্রীর মতে, ২ মার্চ রাতে ভাদ্র শেষ হওয়ার পর হোলিকা দহন করা শ্রেয়। সেরা সময় রাত ১২:৫০ থেকে ২:০২। ৩ মার্চ চন্দ্রগ্রহণ থাকায় ওই সময়ে দহন অনুচিত। গ্রহণের পরদিন, অর্থাৎ ৪ মার্চ রঙের হোলি পালিত হবে। রঙে মেতে ওঠার আগে তাই সচেতন থাকুন- আনন্দ হোক নিরাপদ ও সুস্থ। 

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

বিয়ের আগে মুখে ট্যান? ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে দূর করবেন, জানুন…

অফিসের সহকর্মী বদমায়েশ? শান্ত মাথায় পরিস্থিতি সামলানোর ৫টি কৌশল

ভুলেও ঘরের এই দিকে ঠাকুরের মূর্তি রাখবেন না! জানুন শাস্ত্রের নিয়ম

দিনেও অন্ধকার, প্রকাশ্যে বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণের নির্ঘণ্ট, ভারতে কি দেখা যাবে?

অঙ্ক পরীক্ষায় ‘সিলি মিসটেক’ হচ্ছে? এই দুর্দান্ত ট্রিকসগুলি জানলেই কেল্লাফতে

কোন বয়সে কীভাবে সঞ্চয়? সংসারের খরচ কমাতে জানুন সহজ অর্থনীতি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ