দাঁত ও নখ উপরে ফেলেছিল! ফাঁসি দেওয়ার আগে কীভাবে মাস্টারদা’কে কষ্ট দিয়েছিল রক্তপিপাসু ইংরেজরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্রিটিশের চোখে ছিলেন ‘ডাকাত’ কিন্তু ভারতবর্ষের মানুষের জন্য ‘অনুপ্রেরণা’ হলেন মাস্টারদা সূর্য সেন। আজও নির্যাতনের কথা মনে হলে উঠে আসে, মাস্টারদা শব্দটি। তিনিই ছিলেন হতদরিদ্র, শোষিত, নীপিড়িত মানুষদের জন্য ‘আলোর দিশা’। যিনি দেশমায়ের জন্য জন্য হাসতে হাসতে ‘ফাঁসির দড়ি’ গলায় পড়েছিলেন। যাকে পিশাচ ইংরেজরা ফাঁসি দেওয়ার আগে পাশবিক অত্যাচার করেছিল।

তারকেশ্বর দস্তিদার ও মাস্টারদাকে নারকীয় কষ্ট দিয়ে তিলে তিলে হত্যা করেছিল পিশাচের দল। এমনকী দাঁতগুলো একটা একটা করে উপরে ফেলা হয়েছিল।নখগুলোকে থেঁতো করে দেওয়া হয়েছিল। হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গোটা শরীরের সমস্ত হাড়পাঁজরা টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়েছিল। যন্ত্রনার মুখে তৃষ্নায় কাতর মহাবিপ্লবী এক ফোটা জল ও চান নি রক্তপিপাসু ইংরেজদের কাছ থেকে। তিনি এই যন্ত্রণা দেশমায়ের জন্য সহ্য করে নিচ্ছিলেন। এই যন্ত্রণার আর বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারেন নি মাস্টারদা সূর্য সেন। প্রবল যন্ত্রণায় চোটে জ্ঞান হারান তিনি। সেই অবস্থাতেও রেহাই দেয় নি রক্তখেকো ইংরেজরা। অচৈতন্য অবস্থায় গায়ের জ্বালা মেটাতে ফাঁসিকাঠে চড়ানো হয়। এমনকী দুই বিপ্লবীর মৃত্যুর পর তাঁদের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় নি। সৎকারের ব্যবস্থাও করাও হয় নি।

জেল থেকে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হয় এই দুই বিপ্লবীর রক্তাক্ত দেহ। নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রামের ৪ নম্বর স্টিমার ঘাটে। তাতেও শান্তি হয় নি পিশাচদের। সেখানে দেহ দুটিকে লোহার টুকরো দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয় ভাল করে। তার পর ব্রিটিশ ক্রুজার ‘দ্য রিনাউন’য়ে চাপিয়ে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে কোনও জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। লোহার টুকরো বেঁধে দেহ দু’টি ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে সঠিক কোন জায়গায় ডুবিয়েছিল তাঁর তথ্য এখনও অজানা। তবে যখন যখন অন্যায় অত্যাচরের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসে ওঠে তখন তখনই মহাসাগরের অতল-তলে শুধু হাসেন মহাবিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন!

কোন বিশ্বাসঘাতকের জন্য ধরা পড়েছিলেন মাস্টারদা : বিপ্লবী সূর্য সেনকে ধরিয়ে দেওয়ার বিশ্বাসঘাতকের নাম ছিল নেত্র সেন। ইংরেজরা প্রথমে ৫০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে ১০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করলো। কাগজে তা নিয়ে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হল। সূর্য সেন গৈরলা গ্রামে ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িতে আত্মগোপন করে আছেন। বিপ্লবীদের মধ্যে গোপন বৈঠক চলছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকা ব্রজেন সেনের ভাই নেত্র সেন টাকার লোভে ধরিয়ে দেয়। ব্রিটিশবাহিনী পুরো বাড়িটি ঘিরে ফেলে। শেষে গুলি বারুদ চলে। রাতের অন্ধকারে অনান্য বিপ্লবীরা পালিয়ে গেলেও, ধরা পড়েন সূর্য সেন এবং ব্রজেন সেন।

উল্লেখ্য, বহু বিপ্লবীদের  নির্মমভাবে কষ্ট দিয়ে হত্যা করলেও বিদ্রোহের আগুন নেভাতে পারেনি ব্রিটিশ সরকার। বরং আরও বেশি দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে আগুন। দেশপ্রেমীদের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে গিয়েছে পিশাচের দল। শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতার ডাক শোনা গিয়েছে। তাই তো আমরা আজও স্বাধীনতার স্বাদ পাই।

লোকাল ট্রেন লেটের কারণে স্থগিত হয়ে গেল সেমেস্টারের পরীক্ষা, তাজ্জব ঘটনা মুম্বইয়ে

নীল আর্মস্ট্রংয়ের শৈশবের বাড়ি বিক্রি বাঁচাতে সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিলেন প্রাক্তন পাইলট

কবে কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল? দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কোহলির চেয়েও দামী জল খান দিশা পাটানি, দাম শুনলে হতবাক হবেন

হায় রে বাংলাদেশ! জামায়াতের সন্ত্রাসীদের বাধায় দিনের আলোয় কবর দেওয়া গেল না মুক্তিযোদ্ধাকে

পুজোর ছুটির ‘বাহানা’ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে সময় ‘ভিক্ষা’ ঋতব্রত শিবিরের

‘বিজেপি একাই লড়বে,’ সুদীপ-শুভেন্দু সাক্ষাতের মাঝেই সাফ জানালেন শমীক

প্রেমে প্রত্যাখ্যান, ১৩ বছরের নাবালিকাকে অপহরণ, বন্ধ ঘরে আটকে লাগাতার যৌন নির্যাতন

চোরবাগান থেকে শিক্ষা, কালীপুজো ও ছটের প্রস্তুতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী

আরও শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, রাত পোহালেই বাংলায় তুমুল দুর্যোগের পূর্বাভাস

‘শূন্য হাতে ফেরাতে হবে মমতাকে,’ দলীয় কর্মীদের টার্গেট বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী সহ বিজেপি নেতাদের নিয়ে কুরুচিকর পোস্ট, পুলিশের জালে যুবক

জীবিত প্রমাণে ১০২ বছর বয়সে বর সেজে প্রতিবাদ, ১০৬ বছরে থামল দুলিচাঁদের লড়াই

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলার শুনানি চলতি সপ্তাহে, মমতাকে জানাল সুপ্রিম কোর্ট