এই মুহূর্তে

“লিভ ইন কোন অপরাধ নয়”: জয়া বচ্চন

নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বইঃ বর্তমান দিনে তারকাদের মধ্যে বিয়ের আগে এক সঙ্গে থাকাটা নতুন কোনো বিষয় নয়। পোশাকই ভাষায় যার নাম ‘লিভ ইন’ (Live in)। অনেকেই বিয়ের আগে এক সঙ্গে বেড়িয়েও আসেন দেশ বিদেশে। এমনকি বিয়ের আগেই মা হয়েছেন এমন অভিনেত্রীর সংখ্যাও টলিউড এবং বলিউডে কম নেই। এতো গেল সেলিব্রিটিদের কথা। কিন্তু তারকাদের বাইরে দেশের বর্তমান যুব প্রজন্মের মধ্যেও প্রেমিক প্রেমিকার একসঙ্গে থাকার ক্ষেত্রে ট্যাবু ভেঙ্গেছে। অনেকেই উচ্চ শিক্ষার জন্য বা কর্মসূত্রে বাইরে থাকতে গিয়ে প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে একঙ্গেই থাকেন। তবু এখনও কিছু ক্ষেত্রে বর্তমান প্রজন্মের এই লিভ ইনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক হয়। এবার এই বিষয়েই মুখ খুললেন জয়া বচ্চন (Jaya Bacchan)। পরিস্কার জানিয়ে দিলেন লিভ ইন কোন অন্যায় নয়।

সম্প্রতি নাতনি নভ্যা নাভেলি নন্দার পডকাস্টের সর্বশেষ পর্বে এই বিষয়ে কথা বলেন অমিতাভ পত্নী। জয়া জানান একটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের চাবিকাঠি। তিনি বলেন, “আমার এই বিষয়ে কথা বলাটা অনেকের কাছেই আপত্তিকর মনে হতে পারে, তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে শারীরিক আকর্ষণ এবং সামঞ্জস্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সময়ে, আমরা পরীক্ষা করতে পারতাম না। কিন্তু আজকের প্রজন্ম, সেটা করে”। এরপরই জয়া প্রশ্ন তোলেন, “কেন তারা এটা করতে পারবে না”? তিনি আরও বলেন, “এটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্যও খুবই প্রয়োজনীয়। শারীরিক সম্পর্ক না থাকলে ভালবাসার সম্পর্ক খুব বেশিদিন টিকে না। আপনি কেবল প্রেম, এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার উপর সম্পর্ককে স্থায়ী করতে পারবেন না”।

পডকাস্টের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য দোষী করা উচিত নয়। এতে অনেক তরুণ প্রজন্ম নিজেদের অপরাধী বোধ করবে। এটা খুবই ভুল”। আমরা কেন জাজমেন্টাল হয়ে পড়ছি? তিনি বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের প্রত্যেক তরুণী এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু তারা তাদের পরিবারের কাছ থেকে এটি লুকিয়ে রাখে”। জয়া আরও বলেন “ঠিক আছে, আপনি হয়তো আপনার শারীরিক সম্পর্কের কথা প্রকাশ নাই করতে পারেন। কিন্তু কেন আমরা মানুষের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছি”?

উল্লেখ্য এর আগে জয়ার কন্যা শ্বেতা বচ্চনও (Shweta Bacchan) ‘লিভ ইন’ সম্পর্কে নভ্যার পডকাস্টে একই মত পোষণ করেছিলেন, শ্বেতা বলেছিলেন “এটি লিভ ইনকে অপরাধ বলে মনে করার অর্থ সম্পূর্ণ ভাবে মহিলাদের নিয়ন্ত্রণ করা। নারীদের শরীর নিয়ে কিছু বলার নেই। তাদের সমস্ত সিদ্ধান্ত পুরুষদের দ্বারা নেওয়া হয়”।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

একপেশে ম্যাচে লখনউকে দুরমুশ করে জয়ী বিরাটরা

ধামশা-মাদলের তালে তালে অভিনব প্রচারে বিধাননগরের বাম প্রার্থী

‘মামলা করায় স্পেশ্যাল ডিগ্রি রয়েছে শুভেন্দুর’, তোপ নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের

ভারতের সর্বোচ্চ উচ্চতার হ্রদ কোনটি এবং সেখানে কীভাবে পৌঁছাবেন?

সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম বাদ প্রিসাইডিং অফিসারের! প্রশিক্ষণের পর উঠছে প্রশ্ন

জেলায় জেলায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক, কাঠগড়ায় কমিশন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ