চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘মসজিদের নামে সুড়সুড়ি দিচ্ছে’, নাম না করে সংহতি দিবসে হুমায়ুনকে তোপ ফিরহাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মতলায় সংহতি দিবস পালন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনে সম্প্রীতি রক্ষার দাবি নিয়ে প্রতি বছরেই এই দিনটিকে পালন করে তৃণমূল। ধর্মতলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের উদ্যোগে সংহতি দিবসের সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভায় হাজির রয়েছেন সর্ব ধর্মের, সর্ব জাতির মানুষ। আর এই সমাবেশ থেকেই সুর চড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রীরা। চন্দ্রীমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা এবং মেয়র ফিরহাদ হাকিম জাত ধর্ম নিয়ে রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধনা করেন প্রত্যেকেই।

কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম এদিন মঞ্চ থেকে ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, “ভারতবর্ষে এখন একটা অন্ধকার সময় চলছে।” সংহতি দিবস পালন করল তৃণমূলের ছাত্র যুব সংগঠন। ফিরহাদ এদিনের মঞ্চ থেকে সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন।

তিনি এদিন বলেন, “কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ ভারতবর্ষকে ভেঙেছিল। আজকে আবার বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা করছে বিজেপি। আর তাতে সাহায্য করছে আমাদের কিছু মীরজাফর। ভারতের ঐক্যই ভারতের শক্তি। বিভাজন শেষ কথা বলবে না। ভারতবর্ষের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা, সংহতির কথা বলা হয়েছে, সার্বভৌমত্বের কথা বলা হয়েছে। সেটাই শেষ কথা বলবে।”

তাঁর আরও সংযোজন, “তখনকার শিক্ষিত মানুষ এত বোকা ছিলেন না যে সংবিধানকে তাঁরা ধর্মীয় আদর্শ মেনে তৈরি করবে। বিজেপির চোখে চোখ রেখে লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ওপর অনেক অত্যাচার হয়েছে। কিন্তু তিনি সবসময় সংবিধান রক্ষার জন্য ভারতকে এক রাখার জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, আজও করে যাচ্ছেন। তাই আজ এই সংহতি দিবসে আমরা তৃণমূলের সৈনিকরা বলতে চাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথই হল ভারতবর্ষের ঐক্য ও স্বাধীনতা রক্ষার পথ।”

এদিন নাম না করে হুমায়ুন কবীরকেও আক্রমণ করেছেন ফিরহাদ। বলেছেন, “বাংলাতেও সুড়সুড়ি দেওয়া হচ্ছে। কেউ মসজিদের নামে কেউ মন্দিরের নামে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। ধর্মীয় বিভাজনকে বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে নজরুলের সেই একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান নীতিতেই। এই বাংলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ সকলেই সংহতি ও ঐক্যের কথা বলেছেন। গুজরাত থেকে আসা মোটা ভাই বা দাঁড়িওয়ালাদের পথে আমরা এগোবো না। আমরা রামকৃষ্ণ দেবের দেখানো যত মত তত পথ নীতিতে এগিয়ে যাব।”

মেয়রের আরও সংযোজন, “আগামী দিনে হয়তো কেউ না কেউ বলবে বাংলা আজ যা ভাবে ভারত তা কাল ভাবে। বিজেপি ঘৃণার রাজনীতি করছে। আমরা ঐক্যের রাজনীতি করব, ভালবাসার কথা বলব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ নিয়ে আমরা চলব, বাংলা দখল করব। ভারতও দখল করব।” এইভাবে শনিবারের দুপুরে কার্যত মোদি শাহ’র বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ফিরহাদ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভয় পেয়ে বিজেপি এজেন্সির চাপ দিচ্ছে, ভবানীপুরে কমিউনিটি বৈঠকে তোপ মমতার

শীতলকুচির নাম বদলে বিজেপি লিখল ‘শীতলকুচ’, তুলোধনা করল তৃণমূল

রতুয়ায় তৃণমূল বিধায়কের বাড়ির পাশ থেকে নীতিন নবীনের পরিবর্তনের ডাক

‘‌বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপশব্দ ব্যবহার নয়’‌, পানিহাটিতে লাগাম টানলেন অভিষেক

আর্থিক তছরূপ মামলায় টানা ৭ ঘন্টা জেরার পর অবশেষে গ্রেফতার ব্যবসায়ী জয় কামদার

মধ্যমগ্রামে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ সরকারি কর্মচারীদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ