চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘বিজেপিকে ‌গণতন্ত্রের থাপ্পড় দেবেন’‌, শান্তিপুর থেকে কড়া বার্তা দিলেন মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, সোমবার শান্তিপুরে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখান থেকেই নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তুলোধনা করেন তিনি। আবার দলবদলের কথা বলে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন তিনি। আর টাকার জন্য এই গদ্দাররা দলবদল করে বলেও কটাক্ষ করেন তৃণমূলনেত্রী। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই ভোট না দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে বদলা নিতে পরামর্শ দেন তিনি।

এদিকে বাংলা ভাগ করার চক্রান্ত করা নিয়ে সুর সপ্তমে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। অমিত শাহের নাম না করে মোটা ভাই বলে তোপ দাগেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুর চড়িয়ে বলেন, ‘‌বদলা মানে খুন, দাঙ্গা নয়, বদলা মানে গণতান্ত্রিক ভাবে জবাব। বিজেপি টাকা দিতে এলে নেবেন না। সতর্ক করে দিই। আমাদের নাম করেও কেউ ব্যাঙ্কের তথ্য চাইলে দেবেন। ‘টাকা পাঠাব’ বলে অ্যাকাউন্ট নম্বর নেবে। তার পর কার না কার কালো টাকা পাঠাবে। তার পর ইডি–সিবিআই পাঠিয়ে দেবে। বিজেপি অ্যাকাউন্ট খুলিয়ে কালো টাকা পাঠাবে, পরের দিন ইডি পাঠাবে। কারও কথায় অ্যাকাউন্ট খুলবেন না। রাজনৈতিকভাবে জব্দ করতে হবে বিজেপিকে।’‌

অন্যদিকে সিপিএম নেতা–কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। আর একটা দুটো গদ্দার টাকার জন্য দলবদল করে বলেও কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে খোঁচা দিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, ‘‌বাচ্চা ছেলে দুষ্টুমি করলে থাপ্পড় দেন। কিন্তু এই শয়তানগুলো বাংলা ভাগ করতে এলে কী করবেন? গণতন্ত্রের থাপ্পড় দেবেন। তবেই এরা জব্দ হবে। আজ সাধু সেজোছো? তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট? ডাকাতের দল। অনেক টাকা কামিয়েছে। আগে যারা সিপিএম করত এখন তারা বিজেপিতে গিয়েছে। আর যারা কংগ্রেসে ছিল তারা এখন তৃণমূল কংগ্রেসে আছে। একটা দুটো গদ্দার এদিক–ওদিকে যায়। কারণ তাদের টাকা দরকার। এখন এসেছে মোটা ভাই। তার সঙ্গে এসেছে ইডি–সিবিআই।’‌

এছাড়া তৃণমূলের সম্পদ নেতারা নন, কর্মীরাই সম্পদ বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তোতাপাখি নির্বাচন কমিশন বলছে এজেন্টরা বুথের বাইরে থাকবে আর সেন্ট্রাল ফোর্স ভিতরে থাকবে বলে অভিযোগ তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি মানুষকে বলেন, ‘‌এই বিজেপিকে ভোট দেবেন? আপনার খাবার কাড়বে। আপনার পোশাক কাড়বে। আপনার ভোটাধিকার কাড়বে। ওরা একা থাকবে নিজেদের মতো ধর্ম তৈরি করে। ২০২৬ সালে নিজেরাই ক্ষমতায় থাকবে না, আমাদের ভয় দেখাচ্ছে। আমার তো একটাই ঠিকানা, বাংলা। তাঁরা ঠিক করে নিন কোথায় থাকবেন। আমি এটা বলছি না, তাঁদের অ্যাডড্রেস কেড়ে নেব। আমাকে তো মারবার কত চেষ্টা করছে। কিন্তু ওই কথায় আছে, ‘রাখে হরি মারে কে’। তাই ভয় পাব কেন? জন্মেছি বীরের মতো, মরবও বীরের মতো।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

হলফনামায় ত্রুটি, গায়িকা-তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের

‘‌মহিলা বিলকে পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে জোড়া হল কেন?’‌ কেন্দ্রকে কড়া প্রশ্নবাণ মমতার

‘নির্লজ্জ অর্থমন্ত্রী এসে কার্ড বিলি করছে’, মাথাভাঙা থেকে নিশানা মমতার

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

‘‌যারা বলছে তাড়িয়ে দেব, তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাব’‌, তোপ মমতার

ভোটমুখে বড় সাফল্য নবদ্বীপ থানার পুলিশের, নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার ১

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ