চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দেশের সুরক্ষায় আপোষ নয়, রাজ্যের পদক্ষেপে খুশি কেন্দ্র

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বরঞ্চ নিত্যদিন সেখানে পরিস্থিতি খারাপই হচ্ছে। সেই সঙ্গে এদেশে জঙ্গি অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার এ রাজ্যে থাকা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দিতে চাইছে। সেই সূত্রেই পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া অরক্ষিত এলাকাগুলির নিরাপত্তা বাড়াতে জমির জোগাড় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, জাতীয় স্বার্থ বিঘ্ন করে কিছু করা হবে না। কেন্দ্রের যে জমি লাগবে তা রাজ্য সরকার যত দ্রুত সম্ভব জোগাড় করে দেবে। প্রতিবেশী দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের জেরে এখন এপার বাংলার নিরাপত্তাই সবথেকে উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে দিল্লির কাছে। এই অবস্থায় রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) জমি নিয়ে আশ্বাস দেওয়ায় সেই পদক্ষেপে খুশি কেন্দ্র সরকারও(Government of India)।

যৌথ প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্যের চাপানউতোর অথবা দোষ ঠেলাঠেলি আকছার দেখা যায়। তবে এ রাজ্যে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিবিড় করার লক্ষ্যে রাজ্যের পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশই করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত জমি জোগাড়, মালিকদের থেকে সরাসরি জমি কিনে এবং কিছু ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের জমি কেন্দ্রকে হস্তান্তরের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার তার প্রশংসা করছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকারও। দেশের নিরাপত্তা যে অগ্রাধিকার পাবে, সেটা সীমান্তবর্তী জেলাশাসকদের বার্তা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে কথা মাথায় রেখে জমি জট কাটাতে আরও তৎপর হতে হবে প্রত্যেককে, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে।  গত কয়েক মাসে রাজ্য যে ভাবে জমি জোগাড় করেছে, তার প্রশংসা করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবও। কেন্দ্রের তরফে সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

প্রশাসনের একাংশের বক্তব্য, এ রাজ্যে জমি জোগাড়ের পদ্ধতি কঠিন এবং সংবেদনশীল। তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটে আটকে থাকা জমিগুলি জোগাড় করতে রাজ্য যে-যে পদক্ষেপ করেছে, তাতেই সন্তুষ্ট কেন্দ্র। জমি জোগাড় করা নিয়েই অতীতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিস্তর টানাপড়েন চলেছে। রাজনাথ সিংহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যের একাধিক বৈঠক হওয়ার পরেও সমস্যা মেটেনি। এমনকি, গত বছরের শেষে সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার শুনানিতে সরাসরি রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, এ রাজ্যের ৯টি জেলায় বাংলাদেশ সীমান্ত আছে। সেগুলির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও সুরক্ষিত নয়। সেই কাজ করতে ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভার একাধিক বৈঠকে কিছুটা নিঃশব্দেই জমি জোগাড়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ওই জমিগুলি বিএসএফের(BSF) হাতে তুলে দেওয়ার কথা। পুজোর আগে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলির সঙ্গে বৈঠক করে নবান্নের সর্বোচ্চ মহল বার্তা দিয়েছে, দ্রুত জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে এবং বাকি সমস্যার সমাধানে বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ করতে হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দু’দফায় হবে পরিচয় যাচাই, বাংলায় ‘মুসলিম’ ভোটারদের আটকাতে নয়া ছক জ্ঞানেশের!

ইডি গ্রেফতার করতেই অসুস্থ ব্যবসায়ী জয় কামদার, ভর্তি R.G.KAR হাসপাতালে

নির্বাচনে আগে কলকাতায় গঙ্গার পাড়ে ধরা পড়ল বিপুল পরিমাণ গাঁজা, ধৃত ২

কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের ডিরেক্টরকে তলব ইডির

কলকাতায় গরম বেড়ে হবে ৩৭ ডিগ্রি, পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪১’র ঘরে

প্রথম দফার ভোটের দিন রাজ্যে থাকবেন মোদি-শাহ, বড় পরিকল্পনা বিজেপির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ