Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ইংরেজবাজারে মনোনয়ন দাখিল কৃষ্ণেন্দুর, সঙ্গী স্ত্রীও

এবারে কৃষ্ণেন্দু ও তাঁর স্ত্রীকে তৃণমূলের তরফে পুরনির্বাচনে প্রার্থী করলেও তাঁদের জয় নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবে কৃষ্ণেন্দুবাবু ও তৃণমূল ইংরেজবাজারের পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হলে দল যে তাঁকে আবারও পুরপ্রধানের পদে বসাতে পারে সেই সম্ভাবনা এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সোমবার মালদা জেলার সদর শহর ইংরেজবাজারে আসন্ন পুরনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দাখিল করলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। সঙ্গী ছিলেন তাঁর অনুগামীরা ও তাঁর স্ত্রী কাকলি চৌধুরী। এবারের পুরভোটে ইংরেজবাজার পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন কৃষ্ণেন্দুবাবু। তাঁর স্ত্রীও এবারের পুরভোটে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দাঁড়াচ্ছেন শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। এদিন কৃষ্ণেন্দুবাবুর সঙ্গে তৃণমূলের আরও ৩জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়ন দাখিল করেন। এদিন মনোনয়ন দাখিলের আগে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জহুরা কালীবাড়ি সহ শহরের একাধিক কালী মন্দিরে পূজো দেন। এদিন মনোনয়ন দাখিল করে বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কৃষ্ণেন্দুবাবু জানান, আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তৃণমূল কংগ্রেস।

কৃষ্ণেন্দুবাবু দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। তাঁর রাজনীতির কেরিয়ারও রীতিমত ইর্ষা করার মতোই। বার বার দলবদল, তারপরেও ক্ষমতা ধরে রাখার কায়দা তিনি বেশ ভালই রপ্ত করেছিলেন। তবে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইংরেজবাজার বিধানসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁর কেরিয়ার বার বার ধাক্কা খাচ্ছে। ১৯৭৪ সালে কংগ্রেসের হাত ধরে তিনি তাঁরা রাজনীতির কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। কিন্তু ২০০৬ সালে তিনি আবারও ফেরেন কংগ্রেসে। সেখানেও থিতু হননি তিনি। ২০১৩ সালে আবারও ফেরেন তিনি সেই তৃণমূলেই। এখনও সেখানেই আছেন। তবে অনেকটাই ক্ষমতাহীন অবস্থায়। তিনি এখন না বিধায়ক, না মন্ত্রী, না পুরসভার কাউন্সিলর বা চেয়াম্যানও। যদিও ২০০৬ ও ২০১১ সালে তিনি ইংরেজবাজার থেকেই কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে জয়ী হয়েছিলেন। এমনকি ২০১৩ সালেও তিনি এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই উপনির্বাচনে জিতে রাজ্যের মন্ত্রীও হন। ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন।

কিন্তু ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর থেকেই তাঁর হাত থেকে একের পর এক ক্ষমতার ভরকেন্দ্র হাতছাড়া হতে শুরু করে। এবারে একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও দল তাঁকে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল। ঘটনাচক্রে একুশের বিধানসভা নির্বাচনেই তৃণমূল মালদা জেলা থেকে সব থেকে বেশি আসন পেয়েছিল। এর আগে মালদা থেকে তৃণমূল এইরকম কোনও সাফল্যের মুখ দেখেনি। জেলার ১২টি আসনের মধ্যে ৮টি আসনেই জয়ের মুখ দেখে তৃণমূল। কিন্তু তারপরেও ইংরেজবাজারে জয়ী হননি কৃষ্ণেন্দু। সেখানে জিতেছে বিজেপি। তাই এবারে কৃষ্ণেন্দু ও তাঁর স্ত্রীকে তৃণমূলের তরফে পুরনির্বাচনে প্রার্থী করলেও তাঁদের জয় নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবে কৃষ্ণেন্দুবাবু ও তৃণমূল ইংরেজবাজারের পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হলে দল যে তাঁকে আবারও পুরপ্রধানের পদে বসাতে পারে সেই সম্ভাবনা এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

মঙ্গলে শেয়ার বাজারে বড় ধস, সেনসেক্সে ৪২০ পয়েন্ট পতনে চাপে বিনিয়োগকারীরা

চলন্ত বাইকে তরুণীকে চুল টেনে একের পর এক ঘুষি, ভাইরাল হাড়হিম ভিডিও

মেট গালায় মনীশ মালহোত্রার ভাইরাল লুক, ৯৬০ ঘণ্টার বন্দগলায় কী আছে জানেন?

প্রেমের সমস্যা সমাধানের নামে পোশাক খুলতে বাধ্য করা হল মহিলাকে, তারপর যা ঘটল…

পালাবদলের পরেই নতুন সচিব পেলেন রাজ্যপাল, কে দায়িত্বে?

বিজয়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে এ আর রহমানের বার্তা, কি লিখলেন জানেন?

গরম কমাতে বিয়ের শোভাযাত্রায় বরযাত্রীদের জন্য বিশেষ তাঁবুর ব্যবস্থা… ভাইরাল ভিডিও

ট্রেনে বন্ধুত্ব করেই বিপদ! ‘অশ্লীল’ ভিডিওর ফাঁদে পড়ে ৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন বৃদ্ধ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের উপর মার্কিন হামলায় নিহত ৫, আমিরশাহিতে ড্রোন হামলা ইরানের

কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি, সঙ্গে রাখুন ছাতা

গেরুয়া ঝড়ে কুপোকাত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা, গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ সুজিত-অরূপরা

ফুটল না ‘জোড়া ফুল’, নন্দীগ্রাম থাকল শুভেন্দুরই হাতে

মহীরূহ পতন, নিজের গড়েই হেরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মমতা-শুভেন্দু, দু’জনের ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ কমিশনের