চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন করতেই সংবিধান সংশোধনী বিল’, তোপ অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিনিধি,দিল্লি: সাংসদদের ভূমিকা আজ আপনারা দেখেছেন। টিএমসি নতুন বিলের ইন্ট্রোডাকশনেই বিরোধিতা করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সকালে কথা হয়েছে আমাদের।ওয়েলে নেমে আমরা সরব হয়েছি। আমাদের কারণেই লোকসভা স্থগিত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ২০ জন মার্শাল নিয়ে কাপুরুষের মতো বিল ইন্ট্রোডিউস করতে হয়েছে।আমাদের ২৯ আসনে মানুষ জিতিয়েছে। এটা উল্টো হলে অর্থাৎ আমরা ১২ ওরা ২৯ তাহলে আজ উল্টো হত। এতক্ষণে বিল পাশ করাত।ওরা গায়ের জোরে সংবিধান সংশোধন করতে চায়। ভাবুন ওদের হাতে ৪০০ সাংসদ থাকলে কি হত? মানুষ আজ রুখে দিয়েছে। সংসদে মন্ত্রীবন্দী নিয়ে নয়া বিল আনা প্রসঙ্গে এভাবেই বুধবার বিকেলে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(MP Abhisekh Bandopdhay)।

তিনি বলেন,SIR থেকে নজর ঘোরানোর মরিয়া প্রচেষ্টা। আমাদের প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে নিপুণ ভাবে এটা করার চেষ্টা করেছে।এই সরকার মানুষের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত নয়। কৃষকের, শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় এদের ইন্টারেস্ট নেই।ভারতের সর্বভৌমত্ব কি ভাবে রক্ষা করা যায়। সেটা নিয়ে আগ্রহ নেই। এদের লক্ষ্য ক্ষমতা কুক্ষিগত করা। ৬২-৬৩ আসন হেরেও এটা করা তাদের লক্ষ্য।আমি আমার আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় পাব না। তাহলে তো বিচার বা আইনকে বুড়ো আঙুল দেখানো।একটা লোককে রাজনৈতিক ভাবে হেনস্থা করলে সে তো আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে না।টিএমসি ভয় পেলে ঘরে বসে থাকত। আমরা মাঠে ময়দানে লড়াই করছি। মানুষের কথা আমরা বলছি।মানুষের হয়ে যারা প্রশ্ন করছে তাদের হেনস্থা, জেলে ঢোকানোর জন্য এই বিল আনছে।৫৮৯২ কেস ইডি তদন্ত করেছে, মাত্র ৮ কেসে শাস্তি হয়েছে গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান এটা। এটা সংসদে দেওয়া কেন্দ্রের পরিসংখ্যান।

তার মানে ৯৯% কেস রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সদস্যদের ২৮ জনের কেস আছে। এর মধ্যে ১৯ জনের খুনের অভিযোগ আছে।বিজেপির লক্ষ্য এই বিল এনে রাজনৈতিক ভাবে শুন্য করা বিরোধীদের। বিজেপির লক্ষ্য সঠিক হলে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, শুভেন্দু অধিকারী এদের একটা সমন অন্তত পাঠানো হোক। এরা ধোয়া তুলসীপাতা হয়ে গেল। আপনাদের অভিপ্রায় ঠিক থাকলে আমরা সই করব, ৩০ দিন নয় ১৫ দিন করুন। তাতে সমর্থন করব। যা করছেন তাহলে দেশে আদালত রাখার দরকার নেই।যে এখনও টালির ঘরে থাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার কাছ ত্থেকে নৈতিকতা শিখব নাকি যে ৫০০ কোটির দলীয় কার্যালয় বানাচ্ছে তার থেকে নৈতিকতা শিখব?হেমন্ত সোরেন, কেজরীওয়াল, মণীষ সিসোদিয়া, সঞ্জয় রাউত, সুদীপ বন্দোপাধ্যায়কে জোর করে জেলে রেখেছিলেন।আজ আমাদের মহিলা সাংসদদের হেনস্থা করা হয়েছে। এটাকে আমরা সিরিয়াসলি নিচ্ছি।চর্তুর্থ রো’তে বসে মার্শাল দিয়ে ঘিরিয়ে বিল পেশ করতে হয়েছে। গায়ের জোরে করতে চাইলে বিজেপি, সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই হবে।

আপনাদের ই স্কোয়ার চলছে। একটা ইডি(ED), একটা ইলেকশন কমিশন(Election Comission)। একটায় বিরোধী নেতাদের একটা সাধারণ জনগণের অধিকার কাড়তে চাইছেন। ক্ষমতা থাকলে বিল পাশ করে দেখাক। বাংলার মাটি থেকে চ্যালেঞ্জ করছি।যাদের টাকা নিতে দেখা গেছে টিভির পর্দায় তাদের সুরক্ষা দিয়ে রাখা হয়েছে। যারা মহিলাদের কটুক্তি করছে তাদের ব্যাপারে আদালত নীরব।আমার জন্য এক আইন, ওরা বিজেপি করে বলে ওদের আইন আলাদা। আমরাও তো এদেশের নাগরিক।যারা এদের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি। তাদের ধমকাতে চমকাতে এজেন্সি ব্যবহার হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে একটা কিছু জমা দিতে পারেনি। আমি তো ছয় বছর ধরে লড়ছি।এটাই নতুন ভারতের নিদর্শন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দু’দফায় হবে পরিচয় যাচাই, বাংলায় ‘মুসলিম’ ভোটারদের আটকাতে নয়া ছক জ্ঞানেশের!

ইডি গ্রেফতার করতেই অসুস্থ ব্যবসায়ী জয় কামদার, ভর্তি R.G.KAR হাসপাতালে

নির্বাচনে আগে কলকাতায় গঙ্গার পাড়ে ধরা পড়ল বিপুল পরিমাণ গাঁজা, ধৃত ২

কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের ডিরেক্টরকে তলব ইডির

কলকাতায় গরম বেড়ে হবে ৩৭ ডিগ্রি, পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪১’র ঘরে

প্রথম দফার ভোটের দিন রাজ্যে থাকবেন মোদি-শাহ, বড় পরিকল্পনা বিজেপির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ