October থেকেই মাইনে ৭৩,৮৮৭জন পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধির

রাজ্যের অর্থ দফতর রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় নির্বাচিত ৭৩,৮৮৭জন জনপ্রতিনিধিদের মাসিক সাম্মানিক প্রদান করার কাজ শুরু করে দিল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম জমানা এখন অতীত। তাই রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার(Three Tier Panchayat System) জনপ্রতিনিধিদের  অনিয়মিত ভাবে মাস মাইনে(Salary) পাওয়ার ছবিটাও এখন অতীত হয়ে গিয়েছে। কেননা তৃণমূলের জমানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার প্রতি মাসের ২ তারিখে তাঁদের Bank Account-এ মাস মাইনে পাঠিয়ে দেয়। যদিও রাজ্য সরকার একে মাইনে বলতে নারাজ। বলা হচ্ছে সাম্মানিক। গত জুলাই মাসেই রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সব জেলায় জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে নয়া বোর্ড গড়া হয়ে গিয়েছে। স্থায়ী কমিটি গঠনের পালাও কার্যত শেষের পথে। আর তাই রাজ্যের অর্থ দফতর রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় নির্বাচিত ৭৩,৮৮৭জন জনপ্রতিনিধিদের(Elected Members) মাসিক সাম্মানিক প্রদান করার কাজ শুরু করে দিল। আগামী মাসের ২ তারিখেই তাঁরা নিজ নিজ Bank Account-এ মাস মাইনের টাকা পেয়ে যেতে চলেছেন।

রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্যসমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটকর্মী এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাম্মানিক প্রদানের ছাড়পত্র দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এই বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে ১২ সেপ্টেম্বর। তারপরই নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাম্মানিক প্রদানের তোড়জোড় শুরু করেছে পঞ্চায়েত ডিরেক্টরেট। আর তাই পুজোর মাস থেকেই সাম্মানিক পেতে শুরু করবেন রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েতগুলির ৬০ হাজারের বেশি নবনির্বাচিত প্রতিনিধি। এখনও পর্যন্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় যেখানে যেখানে বোর্ড গঠন হয়ে গিয়েছে সেগুলির সদস্যরাই October থেকে এই সাম্মানিক পাবেন। সব জায়গায় বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেলে মোট ত্রিস্তরের ৭৩,৮৮৭ জন এই সাম্মানিক পাবেন। আর তার জন্য রাজ্য সরকারের খরচ হবে মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। প্রতি বছরের খরচ প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।  

২০১৯ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন প্রতিমাসে সাম্মানিক হিসাবে সর্বোচ্চ ৯০০০ টাকা পান জেলা পরিষদের সভাধিপতিরা। এছাড়া একজন সহকারী সভাধিপতি পান ৮০০০ টাকা, কর্মাধ্যক্ষরা পান ৭০০০ টাকা এবং জেলা পরিষদ সদস্যরা পান ৫০০০ টাকা। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির ক্ষেত্রে সাম্মানিক ৬০০০ টাকা। অন্যদিকে সহকারী সভাপতি পান ৫৫০০ টাকা এবং অনান্য সদস্যরা পান ৩৫০০ টাকা করে। পঞ্চায়েত প্রধানরা প্রতিমাসে পান ৫০০০ টাকা। পঞ্চায়েত সদস্যের ক্ষেত্রে সেই সাম্মানিকের পরিমাণ ৩০০০ টাকা। একসময় এই সাম্মানিক ভীষণ অনিয়মিত দেওয়া হতো। মাঝে অনেকটা বকেয়াও পড়েছিল। তবে আজকের পরিস্থিতি একেবারে আলাদা। এখন এই টাকা নিশ্চিতভাবে প্রতিমাসের ২ তারিখে দেওয়া হয়। নির্বাচন পরবর্তী সমস্ত প্রক্রিয়া মিটিয়ে এবারও সেই ধারা বজায় রাখতেই পদক্ষেপ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

আরামবাগের সরকার বাড়িতে সন্ধিপুজোয় হাজির হয় কালো ভ্রমর, তার পর…

হাত থেকে বার বার ঠাকুরের জিনিস পড়ে যাচ্ছে? শুভ নাকি অশুভের ইঙ্গিত?

নবরাত্রিতে ঘট স্থাপন করবেন? শুভ মুহূর্ত ও পুজোর নিয়ম জেনে নিন

শনির সুদৃষ্টিতে পুজোর মুখে চাকরিতে প্রমোশন, বিদেশে ভ্রমণের দারুণ প্রস্তাব

হোপ-রাদারফোর্ডের তাণ্ডব, ৯ বল বাকি থাকতেই জয়ী ক্যারিবীয়রা

নবরাত্রিতে উপোসের ফাঁকে মুখরোচক কিছু খেতে চান? বানান সাবুদানা-বাদামের রেসিপি

খাদ্যাভ্যাস বদলেই বাড়ছে বাতের ব্যথা? নতুন সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য

‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি’, দেখা করে বেরিয়ে এসে দাবি রাহুলের

ক্যারিবীয় বোলারদের বেধড়ক ঠ্যাঙানি দিয়ে ২৪৯ রান তুললেন শ্রেয়সরা

শনিতে আরশোলাদের বিক্ষোভ, দিল্লি জুড়ে যুদ্ধের আবহ, বন্ধ থাকছে ইন্টারনেট

পুজোর আনন্দ মাটি করবে বৃষ্টি, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

যাত্রী সেজে ক্যাব ভাড়া করে চালককে খুন! গ্রেফতার তিন দুষ্কৃতী

প্রথম ভোটে নেমেই জামানত বাজেয়াপ্ত ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের

দ্বিতীয় বিয়েতে পথের কাঁটা, বিরিয়ানি খাইয়ে মেয়েকে গলা টিপে মেরে ফেললেন পাষণ্ড বাবা