দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

উপনির্বাচনে সবুজ ঝড়, গর্তে মুখ লোকালেন টলিপাড়ার লাল ‘নট-নটীরা’

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ বাংলার বিধানসভা উপনির্বাচনে এক ঐতিহাসিক জয়ের সাক্ষী তৃণমূল। ছয়টি কেন্দ্রেই ছক্কা হাঁকিয়েছে জোড়া ফুল। এদিন বিরোধী দলনেতাদের কার্যত চুপ করিয়ে দিয়েছে বাংলার সাধারণ মানুষ। শমীক ভট্টাচার্যের মাদারিহাট কেন্দ্রে বিজেপির জয়ধ্বজা ওড়ানোর স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, তিনি নাকি এই নির্বাচনের ফলাফলের বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন। অর্থাৎ বিজেপি নেতৃত্বরা নিজেদের পরাজয়ের কথা নিজমুখেই স্বীকার করে নিচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকের লোগো লাগানো গাড়ি থেকে উদ্ধার ১২০ কেজি গাঁজা, চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের

এবার আসা যাক তথাকথিত বুদ্ধিজীবী বামেদের কথায়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় খবরের চ্যানেলে মুখে পাউডার মেখে ধারালো ডায়লগ পেশকারী বামেরা এই ছয় আসনেই ডাহা ফেল করেছে। এদিনও শূন্য পাওয়ার রেকর্ড বজায় রাখল তাঁরা। রাজ্যে ঘটে যাওয়া আরজি কাণ্ড নিয়ে এই দলই সবচেয়ে বেশি গলা ফাটিয়েছিল। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন কিছু বাম-সমর্থনকারী টলিউডের গুরুত্বহীন সেলেবরা যাদের বিস্ফোরক মন্তব্যের মাধ্যমেই খবরের শিরোনামে থাকতে হয়। শুধুমাত্র প্রচার পাওয়ার লোভে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কুরুচিকর মন্তব্য করতেও পিছপা হননি এই বামপন্থী ভেকধারী সেলিব্রিটিরা।

আরজি কর কাণ্ডের সময় ঘন্টায়-ঘন্টায়, মিনিটে-মিনিটে পোস্ট। সেখানে শুধুই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার। কিন্তু আজকের বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পর কর্পূরের মতোই উবে গিয়েছেন মিত্র-মুখোপাধ্যায়-দত্তরা। আজ তাঁরা যেন বাণী-হারা পথিক। অন্যদিকে আরজি কর কাণ্ডের নেপথ্যে ছিলেন কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ। বিচারে কিছুজন অভিযুক্ত শাস্তি পাচ্ছেন এবং এখনও অনেকের শাস্তি পাওয়া বাকি। কলকাতার তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা না বুঝলেও সাধারণ গ্রাম্য মানুষরা উপলদ্ধি করতে পেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের নিজেদের লোক। তিনি থাকতে রাজ্যবাসীর কোনও অসুবিধা নেই, চিন্তা নেই।

আরও পড়ুনঃ ১০০ টাকা করে জমিয়ে পান ২ লক্ষ টাকা, ধনী হওয়ার দারুণ সুযোগ দিচ্ছে ডাকঘর

পরিশেষে একটি কথা না উল্লেখ করলেই নয়। জিতু কমল, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, কিংবা কিঞ্জল নন্দের মতো অভিনেতারা বাম-মনস্ক হলেও তাঁরা কেউই কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করেননি কখনও। অন্যদিকে পাত্র-মিত্ররা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ঋতুপর্ণার মতো জায়গা কেন পাননি সেই ক্ষোভ রাজ্য সরকারের উপর ঝাড়তে পারদর্শী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তথাকথিত শিল্পীদের দু-চোখের বিষ হলেও বাংলার মানুষের কাছে তিনিই নয়নমণি, তা প্রমাণ হয়ে গেল আবারও। সর্বত্রই আজ মমতা ও মা-মাটি-মানুষের জয়জয়কার।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

সৌরভের পরিবর্তে ‘দাদাগিরি’ সঞ্চালনায় এবার লিয়েন্ডার পেজ কিংবা দেব!

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

বেনজির ঘটনা, হিঙ্গলগঞ্জের ওসির অপসারণের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ