চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি, পাকিস্তানের কাছে F-16 যুদ্ধবিমান ভিক্ষা চাইলেন মোল্লা ইউনূস

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি নিয়ে দিল্লির সঙ্গে চূড়ান্ত সঙ্ঘাতের পথই বেছে নিচ্ছে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। ভারতীয় সেনা যে কোনও মুহুর্তে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কায় পাল্টা জবাব দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। একদিকে যেমন চট্টগ্রাম ও যশোর সেনানিবাসের সেনা সদস্যদের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ জামান, তেমনই সমরাস্ত্রের ঘাটতি মেটাতেও কোমর কষে ঝাঁপিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতেই  বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আহমেদ মারুফের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা। ওই বৈঠকেই পাকিস্তানের কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধার দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেছেন, বিষয়টি রাওয়ালপিন্ডিতে (পাকিস্তান সেনার সদর দফতর) জানাবেন তিনি।

বাংলাদেশ সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, খালেদা জিয়ার শাসনামলে পাকিস্তান থেকে সেনাবাহিনীর জন্য প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র কিনেছিলেন। তার মধ্যে ছিল ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বখতার শিকান (পাকিস্তানি রেড আ্যারো-৮)। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র কেনা হয়েছিল। এছাড়াও তুরস্ক থেকে দূরপাল্লার (৭০ কিলোমিটার থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে) টিআরজি ৩০০ টাইগার এবং টিআরজি-৩০০ নামাঙ্কিত ৩৬টি ক্ষেপণাস্ত্র কেনা হয়েছিল। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অস্ত্রভান্ডারে মজুত রয়েছে এমআই-১৭১ এসএইচ, মিগ-২৯ ও এফ ৭ যুদ্ধবিমান। তবে ভারতের রাফাল যুদ্ধ বিমানের জবাব দেওয়ার মতো তেমন কিছু হাতে নেই। তাই পাকিস্তানের দখলে থাকা অত্যাধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর সেক্ষেত্রে আমেরিকা বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলে আশাবাদী মার্কিন দালাল হিসাবে পরিচিত মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস।

এদিকে চিন্ময় প্রভুকে নিয়ে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে দুরত্ব বাড়তেই ঘোলা জলে মাছ ধরতে আসরে নেমেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার রাতেই কট্টর ভারত বিরোধী হিসাবে পরিচিত বিএনপি নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে ছূটে গিয়েছিলেন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত। যদিও বিএনপি’র তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাজির হয়েছিলেন পাক দূত। তবে সূত্রের খবর, ভারত বিরোধিতা বাংলাদেশে যেভাবে তুঙ্গে পৌঁছেছে তা কীভাবে কাজে লাগানো যায় এবং বিরোধিতা জিইয়ে রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুজনের। বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান পুরোপুরি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সৈয়দ আহমেদ মারুফ। খালেদার পরেই বাংলাদেশ সেনার দুই শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জ্বালানি সঙ্কট তুঙ্গে, ঢাকার সরকারি হাসপাতালে মোবাইলের আলোয় চলছে চিকি‍ৎসা

তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে খুন, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

বাংলাদেশে ডিগবাজি মতুয়া নেত্রীর, হাসিনাকে ছেড়ে ধরলেন তারেকের হাত

বাংলাদেশের দিনাজপুরে এবার ঘরে আগুন ধরিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হল হিন্দু দম্পতিকে

জীবন বাঁচাতে সম্পত্তি বেচে ভারতে আসার পথে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ