ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চান না প্রাক্তন মার্কিন সেনারা! ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভে আটক ৬০

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে।  দুই পক্ষই একে  অপরকে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়তে নারাজ। ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়লেও যুদ্ধ নিয়ে ভিন্ন মতামত স্পষ্ট হয়ে উঠছে আমেরিকার ভিতরেই।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের  ইরানকে নিয়ে আগ্রাসী অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একেদিকে  ইরানকে হারাতে বারবার  যুদ্ধের পথে হাঁটতে চাইছেন ট্রাম্প,  অন্যদিকে আমেরিকার বহু প্রাক্তন সেনারা সরাসরি যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। এই নিয়ে বিক্ষোভের জেরেই গ্রেফতার হয়েছেন ৬০ জন।   

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধের বিরোধীতা করে  ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন কংগ্রেস ভবনে বিক্ষোভ করেছেন প্রাক্তন মার্কিন সেনারা। স্থায়ীভাবে ইরানের  যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে সরব হন প্রাক্তন সেনারা। তা নিয়েই তৈরি হয় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি। বিক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছালে পুলিশ  প্রায় ৬০ জনকে আটক করে।  জানা গিয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয় ‘অ্যাবাউট ফেস’ (About Face) নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে ওয়াশিংটন ডিসির ক্যানন হাউস অফিস বিল্ডিংয়ে । প্রাক্তন সেনাকর্তাদের   মূল দাবি হল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদের মতে, যুদ্ধ ঠেকানোর ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতেই রয়েছে। 

আরও পড়ুন: কেরলের বাজি কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু আটজনের

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন সেনারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলছেন সাধারণ মানুষকে বলতে হচ্ছে যে, তারা যেন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং নিজেদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে। অর্থাৎ আমারিকার মানুষই ট্রাম্পের ভূমিকায় খুশি নন। প্রক্তন সেনারা ইরাক যুদ্ধের সময়ের কথা তুলে ধরেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে গেলে পুলিশ সকলকে সরে যাওয়ার কথা বললেও প্রাক্তন সেনারা বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে থাকেন। তখনই ৬০ জনকে আটক করা হয়। তবে শুধু প্রাক্তন সেনারা নন, বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন বর্তমানে কর্মরত সেনা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও।  এই ঘটনায়  ইরান ইস্যুতে আমেরিকার অভ্যন্তরে মতভেদ ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। একদিকে কঠোর নীতির পক্ষে রাজনৈতিক বক্তব্য, অন্যদিকে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব। এই দ্বন্দ্ব আগামী দিনে মার্কিন নীতিনির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

ভোট পরবর্তী হিংসায় যোগ, জামালপুরের দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন, জানিয়ে দিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী সিভিক ভলান্টিয়ার, চাঞ্চল্য নবদ্বীপে

‘বয়স ধরে রাখার ইঞ্জেকশন আছে নাকি?’, শেফালির মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন পরাগ

আমুলের পর এবার দুধের দাম বাড়াল Mother Dairy, লিটারে কত বাড়ল?

দাম বাড়ছে Amul দুধের, লিটার প্রতি কত দাম বাড়ছে জেনে নিন

মেট্রোর কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় টানা ৬০ ঘন্টা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ

তিলজলা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে বুলডোজার, নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী

এখনই খুলছে না স্কুল, গরমের জন্য বাড়ল ছুটি, ঘোষণা শিক্ষাদফতরের

বিধবা-প্রবীণদের জন্য শুভেন্দুর উপহার, দ্বিগুণ ভাতা মিলবে এবার

নন্দীগ্রাম ছাড়লেন, ভবানীপুরের বিধায়ক পদেই শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১ জুন থেকে কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, কারা যোগ্য নন? জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

যজ্ঞের কাঠের অভাবে থমকে গিয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান, মুশকিল আসান Instamart-এর

শনিবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে বেআইনি অস্ত্র ,গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান