চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলাদেশে সাত দিনে খুলেছে শতাধিক আওয়ামী লীগ কার্যালয়, হাড়কাঁপুনি শুরু এনসিপি নেতাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: কথায় আছে, ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’। জামায়াতে ইসলামী-জাতীয় নাগরিক পার্টির জঙ্গিদের দেশ জুড়ে গুন্ডামি বন্ধ করতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার ক্ষেত্রে ‘নীরব সমর্থন’ জানিয়েছেন তাঁরা। পুলিশকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আওয়ামী লীগের কোনও নেতা-কর্মীকে যেন অকারণে হেনস্থা না করা হয়। আর বিএনপি নেতৃত্বের এমন ভূমিকাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জঙ্গি সংগঠন এনসিপির শীর্ষ নেতারা। মুখে প্রতিরোধের হুঙ্কার ছাড়লেও বিভিন্ন জায়গায় দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ পাঠিয়েছেন, ‘কোথাও অশান্তিতে না জড়াতে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখলের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় কার্যালয় খুলতে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। বরিশাল-খুলনা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, পিরোজপুর, ময়মনসিংহ সহ শতাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগ অফিস পুনরায় দখল নিয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। লক্ষ্যণীয়, সংসদ নির্বাচনে যে সমস্ত আসনে বিএনপি জয়ী হয়েছে এবং হারলেও যেখানে বিএনপির সংগঠন মজবুত, সেখানেই দলীয় কার্যালয়ের দখল নিয়েছেন শেখ হাসিনার দলের নেতা-কর্মীরা। আর আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলার পিছনে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের প্রচ্ছন্ন মদতও রয়েছে। ফলে বাধা দেওয়ার সাহস দেখাননি তোলাবাজ হিসাবে পরিচিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সশস্ত্র ক্যাডাররা।

বিএনপির ক্ষমতা দখলের ক্ষেত্রে এবার বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সমর্থক ভোটাররা। শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ-সহ আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটিতে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমানের ধানের শীষের প্রার্থীরা। আর প্রতিদান দিতেই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ দিচ্ছেন তাঁরা। বিএনপির এক শীর্ষ নেতার কথায়, ‘জামায়াত ও এনসিপির গুন্ডামি রুখতে পারে একমাত্র আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা। গত ১৮ মাস ধরে ইউনূস সরকারকে ব্যবহার করে দাদাগিরি চালিয়ে নিরীহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উপরে চরম নির্যাতন চালিয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি-সহ একাধিক আওয়ামি লীগ নেতার বাড়ি ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। ফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন তাঁরা। প্রতিশোধ নেওয়ার আগুন জ্বলছে তাদের বুকে। জামায়াতে ও এনসিপিকে শায়েস্তা করতে আওয়ামী লীগ কর্মীরা অব্যর্থ দাওয়াই হয়ে উঠবেন। আমরা শুধু বসে মজা দেখব।’

দেশ জুড়ে একের পর এক আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় হাড়কাঁপুনি শুরু হয়ে গিয়েছে নাহিদ ইসলাম-সহ জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি০ সামবাদিক সম্মেলন ডেকেই এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ আভিযোগ করেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার পিছনে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ‘গ্রিন সিগন্যাল’ (সবুজ সঙ্কেত) রয়েছে। বিএনপির কাছ থেকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছাড়া আওয়ামী লীগ এটা করার সুযোগ বা সাহস পেত না।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মোদি সরকার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

তেলের ভান্ডার শূন্যের পথে, জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশে স্থগিত নির্বাচন

মৌলবাদীদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ঢাকায় পয়লা বৈশাখে বের হল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ