চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জয়ী কোটা আন্দোলন, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বড় জয়। সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার সকাল সোয়া দশটা নাগাদ প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের রায়ের বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের করা লিভ টু আপিলের শুনানি শুরু হয়। আগামী ৭ অগস্ট এই শুনানি হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও দেশ জুড়ে চলা সহিংস পরিস্থিতি বিবেচনা করে শুনানির তারিখ এগিয়ে এনেছিল শীর্ষ আদালত। প্রায় তিন ঘন্টা ধরে শুনানি চলে। শুনানি শেষে রায় দিতে গিয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়কে বাতিল বলে ঘোষণা করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বিচারপতিরা জানিয়ে দেন, সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে।

২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ বরাদ্দ ছিল। কোটা বাতিলের আন্দোলনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রকের তরফে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চালু থাকা সংরক্ষণ পদ্ধতি বাতিল করা হল। ওই বিজ্ঞপ্তির ফলে মহিলাদের জন্য থাকা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য থাকা ৩০ শতাংশ এবং জেলাভিত্তিক ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫ ও প্রতিবন্ধীর ১ শতাংশ কোটা বাতিল হয়। সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন। গত ৫ জুন ওই মামলার শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য থাকা ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে রায় দেয় হাইকোর্ট।

আর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ফের শুরু হয় আন্দোলন। কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামে ঢাকা-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। প্রথমদিকে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু চিন সফর থেকে ফিরে সাংবাদিক সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ (দেশদ্রোহী ও স্বাধীনতা বিরোধী) হিসাবে আখ্যা দেন। তাতেই ফুঁসে ওঠেন আন্দোলনকারীরা। গত মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার থেকে তা রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠে। তিন দিনে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে ১১২ জনের মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার রাতেই দেশ জুড়ে কার্ফু জারি এবং সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যদিও শনিবার কার্ফুর মাঝেই রাজধানী ঢাকা ও সাভারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুই পুলিশ কর্মী-সহ ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে।

এদিন সকাল সোয়া দশটা নাগাদ প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের রায়ের বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের করা লিভ টু আপিলের শুনানি শুরু হয়। আগামী ৭ অগস্ট এই শুনানি হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও দেশ জুড়ে চলা সহিংস পরিস্থিতি বিবেচনা করে শুনানির তারিখ এগিয়ে এনেছিল শীর্ষ আদালত।

২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ বরাদ্দ ছিল। কোটা বাতিলের আন্দোলনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রকের তরফে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চালু থাকা সংরক্ষণ পদ্ধতি বাতিল করা হল। ওই বিজ্ঞপ্তির ফলে মহিলাদের জন্য থাকা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য থাকা ৩০ শতাংশ এবং জেলাভিত্তিক ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫ ও প্রতিবন্ধীর ১ শতাংশ কোটা বাতিল হয়। সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন। গত ৫ জুন ওই মামলার শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য থাকা ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে রায় দেয় হাইকোর্ট।

আর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ফের শুরু হয় আন্দোলন। কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামে ঢাকা-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। প্রথমদিকে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু চিন সফর থেকে ফিরে সাংবাদিক সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ (দেশদ্রোহী ও স্বাধীনতা বিরোধী) হিসাবে আখ্যা দেন। তাতেই ফুঁসে ওঠেন আন্দোলনকারীরা। গত মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার থেকে তা রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠে। তিন দিনে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে ১১২ জনের মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার রাতেই দেশ জুড়ে কার্ফু জারি এবং সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যদিও শনিবার কার্ফুর মাঝেই রাজধানী ঢাকা ও সাভারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুই পুলিশ কর্মী-সহ ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বাংলাদেশের দিনাজপুরে এবার ঘরে আগুন ধরিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হল হিন্দু দম্পতিকে

জীবন বাঁচাতে সম্পত্তি বেচে ভারতে আসার পথে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মোদি সরকার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ