চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

 সেভেন সিস্টার্সে হামলা চালাতে ৮,০০০ বাংলাদেশি ইসলামি জঙ্গিকে নিয়ে গঠিত হচ্ছে যোদ্ধাবাহিনী, নেতৃত্বে নিজামী পুত্র

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ভারতের সংবেদনশীল সেভেন সিস্টার্সে (উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্য) হামলা চালাতে ৮,০০০ বাংলাদেশি জঙ্গিকে নিয়ে বিশেষ বাহিনী গঠন করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। ওই বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছে একাত্তরে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর দোসর জামায়াতে ইসলামী নেতা গোলাম আযমের পুত্র আবদুল্লাহিল আমান আজমি। বাংলাদেশ সেনার পূর্বতন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের সহকারীর দায়িত্ব পেয়েছেন  বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সংস্থা ‘রাওয়া’ ক্লাবের চেয়ারম্যান কর্নেল আব্দুল হক ও প্রাক্তন সেনা আধিকারিক তথা আইএস জঙ্গি হাসিনুর রহমান।

২০২৪ সালের ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরেই বাংলাদেশে হিন্দু ও ভারত বিদ্বেষ ছড়াতে আসরে ঝাঁপিয়েছিলেন একাত্তরের ঘাতক গোলাম আযমের পুত্র আবদুল্লাহিল আমান আজমি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ বাদ দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবের শাসনামলে রচিত সংবিধান বাতিলেরও দাবি তোলেন। সূত্রের খবর, রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য বেসামরিক বাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেন গোলাম আজম পুত্র। বনানীর বাসভবনে ওই বাহিনীর গঠন নিয়ে ঢাকাস্থ পাকিস্তানি দূতাবাসের একাধিক শীর্ষ কর্তার পাশাপাশি আইএসআইয়ের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে লাগাতার বৈঠক করে চলেছেন তিনি। প্রতি জেলায় অন্তত ১ হাজার ইসলামি জঙ্গিকে ভারতের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার এক পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত ওই পরিকল্পনায় খানিক রদবদল ঘটানো হয়।

গত ২৩ ডিসেম্বর বনানীর বাড়িতে পাকিস্তান দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ওয়াসিমের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন গোলাম আজম পুত্র। বৈঠকে ছিলেন কর্নেল আব্দুল হক, হাসিনুর রহমান, বাংলাদেশ সেনার প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান, জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা গোলাম পরওয়ার, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রেহমানি, হরকাতুল জিহাদির নেতা আবু সায়েম খালেদ। ওই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে, ৮,০০০ ইসলামি জঙ্গি নিয়ে গঠিত হবে ‘ন্যাশনাল  আর্মড রিজার্ভড’ (এনএআর) নামে বিশেষ যোদ্ধাবাহিনী। ফরিদাবাদ মাদ্রাসা, মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা, নারায়ণগঞ্জের জামিয়া কারামিয়া মাদ্রাসার পাশাপাশি চট্টগ্রামের হাটহাজারি সহ একাধিক মাদ্রাসা থেকে উগ্র ইসলামবাদীদের রিক্রুট করা হবে। তার পর তাদের কক্সবাজার, চাঁপাওনবাবগঞ্জ, বাগেরহাট, পঞ্চগড়, ময়মনসিংহ সহ বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বাহিনীতে থাকা যোদ্ধাদের কাছ থেকে দেশের জন্য আত্মাহুতি দেওয়ার অঙ্গীকার করে নেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন যোদ্ধাদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা করে বেতন দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকা-খাওয়া ফ্রি। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে মারা গেলে পরিবারকে ৫ কোটি করে টাকা দেওয়া হবে। ওই যোদ্ধা বাহিনীর যারা কমান্ডার হবেন তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য গাড়ি দেওয়া হবে। কমান্ডাররাই ভবিষ্যতের যোদ্ধাদের খুঁজে আনার কাজ করবেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জ্বালানি সঙ্কট তুঙ্গে, ঢাকার সরকারি হাসপাতালে মোবাইলের আলোয় চলছে চিকি‍ৎসা

তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে খুন, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

বাংলাদেশে ডিগবাজি মতুয়া নেত্রীর, হাসিনাকে ছেড়ে ধরলেন তারেকের হাত

বাংলাদেশের দিনাজপুরে এবার ঘরে আগুন ধরিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হল হিন্দু দম্পতিকে

জীবন বাঁচাতে সম্পত্তি বেচে ভারতে আসার পথে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ