আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে থাকবে অনেক টানাপড়েন, সেগুলি কী কী?

নিজস্ব প্রতিনিধি: সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে বসলেন দিল্লির শালিমার বাগের বিধায়ক রেখা গুপ্ত। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে তাঁকে পরষদীয় দলনেত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রেখা গুপ্ত। সদ্য সমাপ্ত হওয়া দিল্লির বিধান সভা নির্বাচনে ২৭ বছর পর দিল্লি মসনদে বসার সুযোগ পেল বিজেপি শিবির। দিল্লিতে ৭০ বিধানসভা আসনের মধ্যে ৪৮ টি আসনে জয়যুক্ত হয়েছে পদ্মশিবির। আর আম আদমি পার্টি পেয়েছে ২২ টি আসন। যাই হোক, ২৭ বছরের অপেক্ষার পরে দিল্লির কুর্সিতে কে বসবে, তা নিয়ে চলছিল জোর চর্চা। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্যে এগিয়ে ছিলেন অনেকেই। ৪৮ টি আসনের মধ্যে ৪ মহিলা বিধায়ক নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। সেই ৪ জন মহিলার মধ্যে রেখা গুপ্তর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পরাজিত করা বিধায়ক প্রবেশ শর্মা।

অবশেষে ২৭ বছর পর দিল্লির মসনদে বিজেপি, এবং দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হলেন রেখা গুপ্ত। তিনি ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শালিমার বাগ আসন থেকে আম আদমি পার্টির (এএপি) প্রার্থী বন্দনা কুমারীকে ২৯,৫৯৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। তবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হলেও ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের মতো কিছু ক্ষমতা থাকবে না রেখা গুপ্তর, কারণ, দিল্লি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজ্য নয়, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। তাই জনসাধারণের ভোটে গঠিত দিল্লি সরকার একজন উপদেষ্টার মতো কাজ করে। এটি কেবল নীতি ও নিয়ম তৈরি করতে পারে, কিন্তু সেগুলি বাস্তবায়নের অধিকার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের হাতে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কোন কোন ক্ষমতা নেই?

পুলিশের উপর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই: দিল্লি পুলিশ দিল্লি সরকারের অধীনে নয় বরং কেন্দ্রীয় সরকারের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) অধীনে। অন্যান্য রাজ্যে পুলিশের উপর মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, কিন্তু দিল্লিতে তা হয় না।

আইনশৃঙ্খলার উপর কোন কর্তৃত্ব নেই: দিল্লি সরকার দাঙ্গা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত নীতি নির্ধারণ করতে পারে না। দিল্লিতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের।

জমির উপর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই: দিল্লিতে সরকারি জমির প্রশাসন দিল্লি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ডিডিএ) এবং এলজি-এর অধীনে। অন্যান্য রাজ্যে, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের জমি সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

রাজ্যপালের পরিবর্তে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের (এলজি) হস্তক্ষেপ বেশি: অন্যান্য রাজ্যে, রাজ্যপালকে সাধারণত উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করতে হয়, কিন্তু দিল্লিতে, লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। দিল্লি সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত শর্তসাপেক্ষে বন্ধ বা পরিবর্তন করতে পারেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।

দিল্লি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর কেন্দ্রের আরও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে: দিল্লি সরকারের অনেক আইন কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ছাড়া বাস্তবায়ন করা যায় না। অন্যান্য রাজ্যে, বিধানসভা আইন তৈরি করতে পারে এবং সরাসরি তা বাস্তবায়ন করতে পারে, কিন্তু দিল্লিতে, লেফটেন্যান্ট গভর্নর এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। কেননা, সংবিধানের ২৩৯AA অনুচ্ছেদের অধীনে দিল্লিকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যার অধীনে কেন্দ্রীয় সরকার আরও ক্ষমতা পেয়েছে। ১৯৯১ সালে দিল্লি যখন আংশিক রাজ্যের মর্যাদা পায়, তখন পুলিশ, ভূমি এবং আইনশৃঙ্খলা কেন্দ্রের অধীনে রাখা হয়। দিল্লি জাতীয় রাজধানী (এনসিটি), যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সংসদও কাজ করে, তাই নিরাপত্তা ও প্রশাসনের উপর কেন্দ্রের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘কান্তারা’ বিতর্কে বড় স্বস্তি, রণবীরের বিরুদ্ধে FIR খারিজ কর্নাটক হাইকোর্টের

‘পঞ্জাব কা গদ্দার’, হরভজনের বাড়ির দেওয়ালে কালিতে লিখে দিলেন আপ কর্মীরা

​’লরেন্স অফ পঞ্জাব’-এর মুক্তি স্থগিত, সিধু মুসেওয়ালার বাবাকে খুনের হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

BJP-তে যোগদানের পরেই ১০ লক্ষ ফলোয়ার হারালেন রাঘব চাড্ডা

বিজেপির হয়ে কলকাতায় প্রচারে আসছেন রাঘব চাড্ডা, হতে পারেন কেজরিওয়ালের মুখোমুখি

​’পুলিশের কাজ ছাড়ছি, দাউদ ইব্রাহিমে যোগ দিচ্ছি, রাঘবের দলবদলে প্রকাশ রাজের মিম-খোঁচা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ