আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

গুলমার্গ ও পহেলগাঁওয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে গেল, কেমন আবহাওয়া থাকবে ভূস্বর্গে?

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ ভূস্বর্গ কাশ্মীর। পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি জায়গা। সারাবছরই এখানে পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। যার জন্য এই জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধান জীবিকা পর্যটন। কিন্তু এখন শীতে সেখানে কেমন অবস্থা?‌ এই প্রশ্ন এখন মনে রয়েছে বহু পর্যটকদের। কারণ শীতের ছুটি সব স্কুলেই পড়ে গিয়েছে। অনেকেই তাই চান বর্ষবরণ গুলমার্গ কিংবা পহেলগাঁও এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে কাটাতে। কিন্তু আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর শহরে রাতের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের উপরে ছিল। আর এখন গুলমার্গ এবং পহেলগাম পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গিয়েছে।

এদিকে এই কড়া শীতের মধ্যে পর্যটকরা কতটা সেখানে হিমেল স্পর্শ মেখে আনন্দ উপভোগ করবেন তা নিয়ে সন্দিহান সবপক্ষই। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শ্রীনগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গুলমার্গ ও পহেলগাঁওয়ে যথাক্রমে মাইনাস ৪.২ এবং মাইনাস ২.২ ডিগ্রি। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। তবে পর্যটকরা এই কড়া শীতেও এসেছেন। তবে জম্মু শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাটরা শহরে ৯.৪ ডিগ্রি, বাটোটে ৪.২ ডিগ্রি, বানিহালে ৬.৪ ডিগ্রি এবং ভাদেরওয়াহে ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা বেশ কড়া ঠাণ্ডার সাক্ষ্য বহন করছে।

অন্যদিকে জাঁকিয়ে ঠাণ্ডার মধ্যেও আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস থাকছে। রাতের আকাশ পরিষ্কার থাকার কারণে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ৪০ দিন ধরে তীব্র শীতকালীন সময় শুরু হয় ২১ ডিসেম্বর থেকে। এটার একটা নাম আছে। তা হল— ‘‌চিল্লাই কালান’‌। এই আবহাওয়া ইতিবাচকভাবে শুরু হয়েছিল। কারণ উপত্যকার সমস্ত উঁচু জায়গায় বহু প্রতীক্ষিত তুষারপাত হয়েছিল। আর সমতলে বৃষ্টিপাত হয়েছিল। এমনকী এই বৃষ্টিপাতের ফলে উপত্যকায় ৩ মাস ধরে চলা শুষ্ক আবহাওয়া ভেঙে গিয়েছে। যার জেরে বেশিরভাগ মানুষ তীব্র ঠান্ডা, ফ্লু এবং হৃদযন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত অসুস্থতা দেখা দেয়।

তাছাড়া বৃষ্টি এবং তুষারপাতের জেরে হোটেল মালিক, ট্যুর ও ট্রাভেল অপারেটর এবং পর্যটন শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত অন্যান্যদের আশা জাগিয়ে তুলেছে। কারণ এই মানুষগুলি এখন গুলমার্গ ও অন্যান্য পাহাড়ি স্টেশনগুলিতে বড়দিন এবং নববর্ষের প্রাক্কালে পর্যটকদের আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে। আর সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের পর উপত্যকার তুলনামূলকভাবে উষ্ণ পরিবেশে শীতকাল কাটানো লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণ এলাকা থেকে বেরিয়ে খোলা মাঠ এবং জলাভূমিতে খাবার খেতে শুরু করেছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মধ্যপ্রদেশে ৩১ যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতে ডুবল ক্রুজ! মৃত অন্তত ৪, নিখোঁজ অনেকে

শুক্র থেকেই মহারাষ্ট্রের রিকশা-ক্যাব চালকদের মরাঠিতে কথা বলা বাধ্যতামূলক

‘তিনি মাদ্রাজ-এর এপস্টিন’, তামিল সুরকারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ গায়িকার

নিরাপত্তা প্রত্যাহার ইস্যুতে পঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হরভজন

মিশন পঞ্জাব, মাদক ইস্য়ুতে আম আদমি পার্টিকে জব্দ করতে ব্লু প্রিন্ট তৈরি শাহের

রাতে এসি চালিয়ে ঘুমালে বাড়তে পারে একাধিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ