চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধের ছবি নিয়ে বিরক্ত সেলিনা! সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়তেই বিতর্কের ঝড়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইজরায়েল-হামাস বিধ্বংসী যুদ্ধ নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন একাধিক তারকা। কেউ কেউ এই যুদ্ধে ফিলিস্তিনির পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ কেউ ইজরায়েলকে সমর্থন করছেন। ভারতীয় তারকাদের মধ্যে অনেকেই সেখানকার বিধ্বস্ত মানুষদের অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন। যাই হোক, এবার ইজরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে নীরবতা ভাঙলেন আন্তর্জাতিক পপ গায়িকা সেলেনা গোমেজ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি খুবই সক্রিয় সেলিনা। মাঝে মধ্যেই বডি শেমিংয়ের জন্যে তাঁকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। যাই হোক, এবার ৩১ বছর বয়সী গায়িকা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতির ঘোষণা করলেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিলেন যে, কিছুদিন তিনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকবেন কারণ ফিলিস্তিন-ইজরায়েল যুদ্ধের ক্ষত-বিক্ষত ভিডিও এবং ফটো তিনি আর দেখতে পারবেন না।

এমনকী তিনি নিরীহ নেটি নাগরিকদেরও নিন্দা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্ট পরিবর্তন আনতে পারে না’ তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে ভাল হয়নি। ইনস্টাগ্রামে তিনি প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ফলোয়ারের মাল্কিন। সেলেনা তাঁর গোমেজের ইনস্টাগ্রামের স্টোরিজে লিখেছেন, “আমি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিচ্ছি কারণ বিশ্বে যে সমস্ত ভয়াবহতা, ঘৃণা, সহিংসতা এবং সন্ত্রাস চলছে তা দেখে আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছে। মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা বা যেকোনো গোষ্ঠীর প্রতি ঘৃণা, সবটাই ভয়াবহ। আমাদের সকল মানুষকে, বিশেষ করে শিশুদের রক্ষা করতে হবে এবং ভালোর জন্য সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। আমি দুঃখিত যদি আমার কথাগুলি সবার জন্য খারাপ লাগে। কাশ আমি যদি পৃথিবী পরিবর্তন করতে পারতাম।”

তবে গায়িকার এই পোস্ট নিয়েও শুরু হয়েছে একাধিক ট্রোলড। সেলিনার ভক্তরা গায়ককে এতদিন যুদ্ধের বিষয়ে নীরব থাকার কারণ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। এমনকি তাঁরা সেলিনাকে মনে করিয়ে দিলেন যে, তিনি ২০০৯ সাল থেকে ইউনিসেফের রাষ্ট্রদূত, তিনি এতদিন কেন চুপ রয়েছেন। তাঁর সৌন্দর্য পণ্য কোম্পানি বয়কট করার হুমকিও দিয়েছিলেন। একজন লেখেন, “আপনার জন্য লজ্জা। আপনি উদারতা এবং অন্য সব কিছুর পক্ষে অনেক বেশি সমর্থন করেন, কিন্তু গণহত্যা সম্পর্কে কথা বলার ক্ষেত্রে হঠাৎ করে একটি পোস্ট কোন পার্থক্য করতে পারে না। আপনার একটি বিশাল প্রভাব রয়েছে এবং আপনার কাছে সঠিক বার্তা প্রচার করার ক্ষমতা এবং কণ্ঠস্বর রয়েছে। আপনার ব্র্যান্ডকে আর কখনও স্পর্শ করিনি। তাই হতাশ যে আপনি এমন একটি রাষ্ট্রকে সমর্থন করছেন যেটি গণহত্যা করছে এবং তারপরে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি সম্পূর্ণ ব্র্যান্ড তৈরি করছেন। যা অত্যন্ত ভণ্ডামি।” 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

শর্তের বিনিময়ে ও অবরোধ জারি থাকায় পাকিস্তানে আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে না ইরানের

আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব, হত আট শিশু

‘আর ভদ্রতা নয়’, মার্কিন চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

চিনের হাফ ম্যারাথনে ইতিহাস গড়ল রোবট, মানুষকেও হারাল এআই প্রযুক্তি

হায়দরাবাদ ছেড়ে মুম্বইয়ে ঘর বাঁধছেন আল্লু অর্জুন, হঠাৎ ঠিকানা বদল কেন?

আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গুলির ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ল ভয়াবহ আতঙ্ক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ