চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দশ কিমি হেঁটে সীমান্ত পার, নেপাল থেকে বাঁকুড়া ফিরলেন ১০ জন পরিযায়ী শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: চলতি সপ্তাহে জেন-জিদের প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল নেপাল। আগুন জ্বল্বছে হিমালয়ের দেশে। হয়েছে সরকারের পতন। এই আবহেই সেখনে আটকে পড়া বিদেশিদের মধ্যে নিজ দেশে ফেরার হুড়োহুড়ি দেখা গিয়েছিল। যে যার মত করে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন জন্মভূমিতে ফেরার জন্য। বাঁকুড়ার ১০ জন পরিযায়ী শ্রমিক নেপাল সীমান্ত পার করতে দশ কিমি পথ পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরেছেন।

জানা গিয়েছে দেশ অশান্ত হওয়ার পর থেকেই ফিরতে চাইছিলেন আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা। যে ১০ জন নেপাল থেকে বাংলায় ফিরেছেন তাদের মধ্যে সাত জনের বাড়ি হিড়বাঁধের মলিয়ান এলাকার লালবাজার গ্রামে ও বাকিরা সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর এবং একজন বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে এখনও নেপালে আটকে রয়েছেন হিড়বাঁধ ব্লকের মলিয়ান এলাকার লালবাজার, শ্যামনগর, মলিয়ান, দেউলি ও নড়িয়া গ্রামের ৩০০ জনের বেশি মানুষ। সকলেই কাজের সূত্রে নেপালে গিয়েছিলেন। যারা ফিরে এসেছেন তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরলেও চিন্তায় রয়েছেন নেপালে আটকে থাকা বাঁকুড়ার বাকি পরিজায়ী শ্রমিকদের কাছের মানুষরা। প্রিয়জনদের সুস্থ প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় বাকি শ্রমিকদের পরিবার। বিধ্বস্ত নেপাল থেকে বাঁকুড়ার ফেরা শ্রমিকরা থাকতেন নেপালের বীরগঞ্জে।

দেশে ফেরা শ্রমিকরা জানিয়েছেন তাঁরা নেপালে সেখানে কাঁসা-পিতলের বাসন তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। বাঁকুড়ার পরিজায়ী শ্রমিকরা জানিয়েছেন জেন-জি আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভপরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তাঁরা কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন। নেপালে কর্মরত লালবাজার গ্রামের প্রশান্ত কর্মকার জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার দুপুরে কিছুক্ষণের জন্য কার্ফু শিথিল হওয়ার পরেই নিজের দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তাঁরা। ঘরে ফেরার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন তাঁরা প্রথমে বীরগঞ্জ থেকে একটি গাড়ি ভাড়া করে ১৫ কিলোমিটার পথ আসার পর আরও ১০ কিমি পথ হেঁটে বীরগঞ্জ-রক্সৌল বর্ডার পার হন। সীমান্তে একাধিকবার চেকিং হয় বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। তবে আধার কার্ড দেখালে সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

এই লম্বা সফর নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা বলেছেন, ভারত-নেপাল সীমান্ত পার করে তাঁরা পৌঁছন বিহারের রক্সোল স্টেশনে। সেখান থেকে রাত ৯টায় ট্রেন ধরে দুর্গাপুরে পৌঁছান শুক্রবার সকালে। দুর্গাপুর থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসেন বাঁকুড়ায় নিজেদের বাড়িতে। এক সময়ে কাঁসা-পিতল শিল্পের রমরমা থাকলেও এখন তা ম্লান, তাই রুজির টানে শ্রমিক হিসেবে কয়েক দশক ধরেই পড়শি দেশ নেপালে কাজের জন্য তাঁরা গিয়েছিলেন বলেই জানা পরিযায়ী শ্রমিকরা। তবে যাই হোক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা কাটিতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পেরে খুশি তাঁরা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেসের তিন নেতা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় ভাঙন

নৈহাটিতে প্রচারে গিয়ে ক্ষোভের মুখে বিজেপি প্রার্থী সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়

আজ রাত থেকেই আকাশে উড়বে ড্রোন, ৭২ ঘণ্টা আগেই বর্ডার সিলের নির্দেশ

ফের খড়্গপুর IIT-তে পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু! তদন্তে পুলিশ

বেতন-বিতর্কে দীপ্সিতা, ‘মিথ্যাচারিণী’ বলে কটাক্ষ পুর কর্মীদের

এবার জঙ্গলমহলে মোদি, রবিবারে চার মেগা সভা প্রধানমন্ত্রীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ