চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নে বাংলাকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে চলা Rashtriya Krishi Vikas Yojana বা RKVY’র রূপায়ণের ক্ষেত্রে নজির গড়ায় বাংলাকে বিশেষ Incentive দিতে চলেছে কেন্দ্রই। এর আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিকর্মন পুরস্কার পেয়েছে বাংলা(Bengal)। তবে কৃষি পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্র এই প্রথম রাজ্যের জন্য Incentive হিসেবে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ করতে চলেছে বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকারের কাছ থেকে ১৩৭ কোটি টাকা Incentive পাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) বাংলা। সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুই এই Incentive পেতে চলেছে। কেন শুধু এই দুই রাজ্যের জন্য এই Incentive ঘোষণা করছে কেন্দ্র? প্রশাসনিক মহলের ব্যাখ্যা, প্রকল্প রূপায়ণের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন অগ্রগতি হয়েছে এই দুই রাজ্যে। যা একাধিক বৈঠকে অন্যান্য সমস্ত রাজ্যের প্রতিনিধিদের সামনে তুলেও ধরেছেন কেন্দ্রের পদস্থ কর্তারা। এমনকী বাংলাকে মডেল হিসেবে সামনে রেখে কাজ করারও নিদান দেওয়া হয়েছে গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিকে।   

জানা গিয়েছে, Rashtriya Krishi Vikas Yojana’র টাকা মাটির পরীক্ষা থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক কৃষি যন্ত্রাংশের ব্যবহার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যার ৬০ শতাংশ টাকা দেয় কেন্দ্র। আর বাকি ৪০ শতাংশ যায় রাজ্যের কোষাগার থেকে। চলতি অর্থবর্ষে মোট ৪টি কিস্তিতে ১৬৮ কোটি টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রের। এছাড়াও এবার Incentive’র অতিরিক্ত ১৩৭ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলেই রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রের খবর। এবিষয় রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘গেরুয়া শিবির বাংলাকে যখন কালিমালিপ্ত করতে চাইছে, ঠিক তখনই কেন্দ্রে তাঁদেরই সরকার রাজ্যের কাজের ভুয়সী প্রশংসা করে Incentive দিচ্ছে। এর থেকেই মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে রাজ্য সরকার কতটা স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করে।’ জানা গিয়েছে, রাজ্যকে এই Incentive দিতে কার্যত বাধ্য হয়েছে কেন্দ্র। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু ছাড়া আর অন্য কোনও রাজ্য বরাদ্দ অর্থ খরচ করতে পারেনি।

প্রসঙ্গত, Rashtriya Krishi Vikas Yojana’র একটি কিস্তির ৫০ শতাংশ টাকা খরচ হলে, তবেই পরবর্তী কিস্তির টাকা মেলে। এক্ষেত্রে প্রতিটি কিস্তির টাকা শুধু খরচ করাই নয়, তার Utilization Certificate বা UC-ও বাংলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেও পাঠিয়েছে কেন্দ্রকে। এতটা নিখুঁত ভাবে সেই কাজ করা হয়েছে যে, তা অন্য রাজ্যের কাছে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে কেন্দ্রের তরফেই। সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাকে এভাবে হাইলাইট করায় আবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশের আধিকারিকেরা। তাঁদের অনেকেই এই ঘটনাকে পরিকল্পীত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু যেহেতু কেন্দ্র সরকারের তরফেই বাংলার কাজকে তুলে ধরা হচ্ছে তাই তাঁরা প্রকাশ্যে এর বিরোধিতাও করতে পারছেন না। আবার বাংলার থেকে বেশি সাফল্য নিজেরাও তুলে ধরতে পারছেন না।    

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘বিজেপি ক্ষমতায় এলে চোখের জল ফেলতে হবে’, পুরুলিয়ায় তৃণমূলের প্রচারে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

‘শওকতকে ওরা খুন করতে চায়’, ভাঙড়ে বিস্ফোরক মমতা

‘কেন্দ্রে এখন মাইনরিটি সরকার’, বারুইপুর থেকে বিজেপিকে তুলোধনা মমতার

‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ মানে মিথ্যার ফুলঝুরি’‌, ভাঙড় থেকে মোদিকে তুলোধনা মমতার

গুরুতর অসুস্থ তৃণমূল নেতা অসিত মজুমদার, কী হয়েছে বিদায়ী বিধায়কের?

লক্ষ্য ২৬! ভোটমুখে ‘সিঁদুর কৌটো’ বিলি তৃণমূলের, শুরু রাজনৈতিক তরজা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ