বংশপরম্পরায় আজও পীরপুকুর গ্রামে মাদুর তৈরি করে চলেছেন শিল্পীরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,দক্ষিণ দিনাজপুর: বংশপরম্পরায় আজও মাদুর কাঠি চাষ ও মাদুর তৈরি করে চলেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার(Dakhin Dinajpur District) বংশীহারী ব্লকের কুশকারী এলাকার পীরপুকুর(Pirpukur) গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী পঞ্চায়েত বংসারী ব্লক এলাকার বিভিন্ন জায়গাতে বিশেষ করে হরিরামপুর, কুশকারী, ধুমশা দীঘি সহ বিভিন্ন গ্রামে বংশপরম্পরাকে প্রাধান্য দিয়ে আজও মাদুর শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য অকার্য তো তার দ্বারা রোজগারের লক্ষ্যে কুশকারী পীরপুকুর গ্রামের প্রায় শতাধিক দেবনাথ পরিবারের সদস্যরা মাদুর তৈরি করে চলেছেন।

জানা গেছে, এই এলাকার প্রত্যেকটি বাড়ির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নিজস্ব জমি বা অন্যের জমি চুক্তিবদ্ধ করে নিয়ে মাদুরকাঠির চাষ করে মাদুর তৈরি করে। এরপর তা বাজারে বিক্রি করেন। আর এতেই তাদের লক্ষ্মীর ভার পূর্ণ হচ্ছে। তথাকথিতভাবে মাদুর তৈরি করে সেই আয়ের টাকায় সংসার চলে এই এলাকার শতাধিক পরিবারের। উল্লেখ্য, প্রতিবছর ফাল্গুন চৈত্র মাসে জমিতে মাদুরকাঠির চাষ করা হয় এবং আশ্বিন কার্তিক মাসে সে মাদুর কাঠি জমি থেকে কেটে বাড়িতে তোলা হয়। একবার বছরে জমিতে বীজ বপন করলে তা তিন বছর আর করার প্রয়োজন পড়ে না। সেই বীজেই নতুন মাদুরকাঠি থেকেই তারা মাদুর কেটে মাদুর তৈরি করে বাজারজাত করে বাজারে বিক্রি করবার জন্য প্রস্তুত করে। তারা প্রতিদিন সারাদিনে খেটে খুঁটে প্রায় আট থেকে দশটি মাদুর তৈরি করে। পাইকারি দরে ২০০ থেকে আড়াইশো টাকা হিসেবে সেই মাদুর বিক্রি করা হয় বিভিন্ন হাটে বাজারে।

তথাকথিতভাবে মাদুর(Mat) শিল্পকে বাঁচাবার জন্য দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশকারী এলাকার পীর পুকুরের প্রায় শতাধিক পরিবার মাদুর শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, বংশ পরম্পরায় চলে আসা কার্যের মধ্য দিয়ে, তা বলাই বাহুল্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও কোনরকম সরকারি কোনো সুযোগ সুবিধা পাননি বলে অভিযোগও করেন ওই এলাকার একাংশ মাদুর শিল্পীরা। এই বিষয়ে মাদুর শিল্পী সুশীল দেবনাথ( ৬০) জানান, “বাপ ঠাকুরদার আমল থেকে চলে আসা ব্যবসাকে টিকিয়ে রেখেছি বংশপরম্পরার মধ্যে দিয়ে। তবে বাজারে জিনিসের দ্রব্যমূল্য হওয়ার ফলে আমাদের মাদুর তৈরি করা, চাষ করা বড় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। কোনরকম সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ায় খুবই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি আমরা তথা এই মাদুর শিল্পীরা। পাশাপাশি এই মাদুর তৈরি করবার জন্য নানা রকম রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা হয়।

কিন্তু তা প্রাকৃতিক নিয়মে এরপর কেটে নিয়ে এসে বাড়িতে মাদুর তৈরি করা হয়। বিভিন্ন হাটে বাজারে বিক্রি করা হয় পাইকারি দরে। তাছাড়াও বছরের একটা লাভের অংশ আসলেও সেখান থেকে জিনিসের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হওয়ার জন্য খরচায হয় বেশি ।সরকারি সহযোগিতা পেলে খুব উপকার হত। এছাড়াও মাসে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার বা কুড়ি হাজার টাকা লাভ হলেও এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে খুব কষ্টে দিন গুজরান করতে হচ্ছে তাদের। সরকার যদি একবার আমাদের মত এই মাদুর শিল্পীদের দিকে নজর দিতেন তাহলে খুব উপকৃত হতাম”। সর্বশেষে বলাবাহুল্য দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুসকারী এলাকার বিভিন্ন গ্রামের এই মাদুর শিল্পীরা বংশপরম্পরার টানে আজও নস্টালজিয়া এই মাদরশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন তাদের ঐকান্তিক চেষ্টায়।

আটকে থাকা টাকা উদ্ধার হবে, সেপ্টেম্বরের শেষে মালামাল হবেন ৪ রাশির জাতকরা

ফ্রিজের উপর কর্পূর রাখেন? জানেন সংসারের কত বড় ক্ষতি করছেন!

জ্যাম-চুইংগাম প্রেমী! জানন কি প্রিয় খাবারেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোকের ঝুঁকি?

সাবধান! প্রতিদিন ১০০ গ্রামের বেশি এই খাবারগুলি খেলেই বাড়বে হৃদরোগের ঝুঁকি

বলিউডে নক্ষত্র পতন, ক্যানসারের কাছে হার মানলেন সলমান-অক্ষয়ের সহ অভিনেতা

আপনার নাম করে অন্য কেউ সিম ব্যবহার করছেন? গুণতে হতে পারে ৫০ লাখ জরিমানা

জানেন কি, ‘হনুমান অংশ’-এর নিম করোলি বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রাক্তন সেনা কর্তা

কেন্দু পাতা সংগ্রহকারীদের পাশে শুভেন্দুর সরকার, আর্থিক সাহায্য করলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু

‘পুলিশ কি করবে?’, বিহারের বাঁকার বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রেই তরুণীর শ্লীলতাহানি

জ্ঞানেশ কুমারকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে ইস্তফা চাইলেন রাহুল গান্ধি

সোনারপুর ও বারুইপুর স্টেশনের মাঝে ট্রাফিক ব্লক, শনি-রবি বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন

‘মামলা তুলতে পুলিশ মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ছিল,’ হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি রত্না দেবনাথের

প্রিয় গরুর মাংস ছেড়েছেন মেসি, আর্জেন্টাইন মহাতারকার ডায়েট চার্ট জানেন?

ভীমরুলের হুলে ক্ষতবিক্ষত হয়ে মৃত্যু দিদিমা-নাতনির, মর্মান্তিক ঘটনা ময়মনসিংহে