দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিজেপি বিরোধী জোটে গুরুত্ব মমতাকে, গদি হারাতে পারেন অধীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপির(BJP) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তৃণমূলকে(TMC) পাশে চায় কংগ্রেস(INC)। বাংলার অগ্নিকন্যা তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee) পাশে চাইছেন কংগ্রেস শীর্ষনেত্রী সোনিয়া গান্ধি(Sonia Gandhi)। আর তাই তাঁকে অসন্তুষ্ট করে বিরোধী জোটের সলতে পাকাতে চান না সোনিয়া। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকেও(Mallikarjun Kharge) তেমনটাই তিনি জানিয়েছেন বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। আর এই কারণেও বাংলার বুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে অতিবড় মমতা বিরোধী হিসাবে থাকা অধীররঞ্জন চৌধুরীকে(Adhir Ranjan Chowdhury) সরাতে পারে All India Congress Committee বা AICC। তবে এই বদল শুধু যে বাংলায় হবে তা নয়, দেশের মোট ৬টি রাজ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে বদল ঘটাতে চলেছে AICC। বাংলা ছাড়াও যে সব রাজ্যে এই বদল ঘটনাও হবে তার মধ্যে থাকছে গুজরাত, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, রাজস্থান ও দিল্লি।

আরও পড়ুন গঙ্গা ভাঙনে জেগে ওঠা চরে হবে সমীক্ষা, লাভবান হবেন আড়াই লক্ষ মানুষ

অধীর বরাবরই তীব্র মমতা বিরোধী। সেই বিরোধিতার মাশুল গুণতে হচ্ছে কংগ্রেসকেও। অধীরের মমতা বিরোধিতা এতটাই উচ্চগ্রামে উঠে যায় যে এক এক সময় মনে হয় তিনি বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে মমতা ও তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন। ভোটের রাজনীতিতেও দেখা যাচ্ছে অধীরের অতবড় মমতা বিরোধিতার জেরে আখেরে লাভ হচ্ছে বিজেপিরই। কংগ্রেস ভোট হারাচ্ছে। সেই ভোট চলে যাচ্ছে বিজেপির দিকে। কিছু ভোট যাচ্ছে তৃণমূলেও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে সেই কারণেই বাংলার বিধানসভা থকে মুছে গিয়েছিল। সাগরদিঘীর উপনির্বাচনে কংগ্রেস জয়ের মুখ দেখলেও সেই জয়ী প্রার্থী এখন আবার তৃণমূলেই চলে এসেছেন। এমনকি সর্বভারতীয় স্তরেও ৪-৫জন কংগ্রেস সাংসদ তৃণমূলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এটাও খুব ভাল বুঝতে পারছেন যে, এবারে ২০২৪’র ভোট কার্যত মোদি(Narendra Modi) বনাম মমতা হতে চলেছে। বাংলা থেকেও তৃণমূলই সব থেকে বেশি আসন নিয়ে দিল্লি যাবে। হয়তো তৃণমূলই দেশের তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে আসবে। সেই সঙ্গে মমতাকে ঘিরেই কেজরিওয়াল, অখিলেশ, তেজস্বী, কে চন্দ্রশেখর রাওরা জোট বাঁধছেন। আর এই জোটকে বাদ দিয়ে কখনই দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী সরকার গঠন সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন সরকারি হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া নিয়ে কড়া নির্দেশ

কার্যত সেই সব হিসাব কষেই এখন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব চাইছেন মমতার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার। অধীর প্রদেশ কংগ্রেস পদে থেকে গেলে সেই সম্পর্ক কখনই সুস্থ স্বাভাবিকতার পথে হাঁটবে না। তিনি তাঁর তীব্র মমতা বিরোধিতার পথ থেকেও সরে আসবেন না। তাই তাঁকেই এবার সরাতে চাইছে AICC। কিন্তু কে অধীরের পদে আসবেন সেটাও ভাবাচ্ছে AICC-কে। কেননা অস্বীকার করার উপায় নেই সোমেন মিত্রের পরে অধীরই বাংলার বুকে কংগ্রেস শিবিরে সর্বজনগ্রাহ্য ও সর্বাধিক জনপ্রিয় নেতা। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁকে সরাতে গেলে এমন কাউকে এনে বসাতে হবে যিনি প্রদেশ কংগ্রেস ও বাংলাকে নিজের হাতের তালুর মতো চেনেন। সেই মুখ না পেলে অধীরকে নাও সরাতে পারে AICC। অন্তত সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

ভোটার নন, তবু ভোটের কাজে! সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বাংলার ৬৫ ভোটকর্মী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ