আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

স্কুলে ফেরা নিয়ে একজোট চাকরিহারা শিক্ষকরা

নিজস্ব ছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্কুলে ফিরতে চান শিক্ষকরা। আবার বই, চক-ডাস্টার ব্ল্যাক বোর্ডের কাছে ফিরতে চান তাঁরা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে চাকরিহারা শিক্ষকদের স্কুলে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দেওয়ার পরেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া শোনা গিয়েছে শিক্ষকদের মুখে। তবে বেশিরভাগ শিক্ষকই ফিরতে চাইছেন স্কুলে। দ্বিধা, ধন্দের মাঝে কাজ চালিয়ে যেতে বেশিরভাগ শিক্ষকই বদ্ধ পরিকর।

সু্প্রিম কোর্টেন নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যাওয়ার পরে স্কুলে স্কুলে দেখা গিয়েছে হতাশার ছবি। প্রিয় শিক্ষক-শিক্ষিকার থেকে আলাদা হওয়ার যন্ত্রণার ছবি ফুটে উঠেছিল। চোখ ভিজেছিল সাধারণ মানুষেরও। সোমবারের পর থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে ওই কচি কাঁচারা। পছন্দের শিক্ষক-শিক্ষিকা আবার আসবেন স্কুলে।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেছেন, যোগ্যদের চাকরি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। বরখাস্তের নোটিস না পেলে চাকরিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নিজের ইচ্ছায় সকলেই কাজ করতে পারেন। দু’মাসের মধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জীবদ্দশায় যোগ্যদের কারও চাকরি বাতিল হবে না।

স্কুলে যাওয়ার কথা তো বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, কিন্তু শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁদের প্রশ্ন, স্কুলে গেলেও কী মিলবে বেতন? কতদিনই বা এইভাবে চলবে? সবকিছুর স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন। সেই সমাধান মিলবে কীভাবে? যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। সুপ্রিম কোর্ট সেই তালিকা দেবে, না স্কুল সার্ভিস কমিশনের দেওয়া উচিত, তা বুঝতে পারছেন না শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের একাংশ।

শিক্ষকদের মধ্যে বেশিরভাগই বলছেন, স্কুলে তো যাবেনই। বেতন ঢুকলে তাও নেবেন। কিন্তু আইনগতভাবে এই চাকরির বিষয়টি সুনিশ্চিত করুন মুখ্যমন্ত্রী। অনেকে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী স্কুলে যেতে বলেছেন। স্কুলে যাবেন। পাশাপাশি নিজেদের যোগ্য মনে করেন বলেই স্কুল যাওয়া বন্ধ করার প্রশ্নই ওঠে না। চাকরিহারাদের অনেকে আবার মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার পরে কিছুটা আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। স্কুলে পরীক্ষা চলছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুলে বিপুল পরিমাণ শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী কমে গেলে সঙ্কট বাড়বে। ফলে স্কুল যাওয়া নিয়ে সিংহভাগ শিক্ষকই রাজি। এত বছরের সম্পর্ক স্কুল, চেয়ার-টেবল, ব্ল্যাকবোর্ড, ছোটো ছোট পড়ুয়াদের সঙ্গে। এক লহমায় সব বন্ধন কাটানো এত সহজ নয়। তাই নিজেদের স্বার্থই হোক বা নিজেদের যোগ্যতাই হোক বা নিজেজের ভালোবাসা। স্কুলে ফিরতে রাজি সকলেই।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তের চাকরির মেয়াদ ৬ মাস বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র

দ্বিতীয় দফার আগে ‘জিরো টলারেন্স’, ৩৬ ঘণ্টায় মধ্যে গ্রেফতার ১৫৪৩ দুষ্কৃতী

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কলকাতা মেট্রোর সূচি কেমন থাকবে?‌ জেনে নিন পরিষেবার আপডেট

বাইক নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও মুখ পুড়ল নির্বাচন কমিশনের

‘দেখুন কী রোগা হয়ে গিয়েছে’, দিব্যজ্যোতির চেহারায় পরিবর্তন নিয়ে দুঃখপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

শেষ দফার ভোটের আগে নজরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, হস্টেলে ছানবিনের নির্দেশ কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ