দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

নভেম্বরে বাড়ছে তাপমাত্রা, শীতের আগমনে জোর ধাক্কা নয়া নিম্নচাপের, কী বলছে হাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে রাজ্যে চড়েছে পারদ। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে রাজ্যের সর্বত্র তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সকালের দিকে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে। বিগত সপ্তাহে তাপমাত্রার যেমন পতন হয়েছিল। আগামী কয়েকদিন তেমন তাপামাত্রা নামার সম্ভাবনা নেই। তবে শিরশির ঠাণ্ডা জারি রয়েছে ভোরের দিকে। রাতের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু হালকা ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। কার্তিক পেরিয়ে অগ্রাহায়নের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজে ধাক্কা। বঙ্গোপসাগরের ওপরে নিম্নচাপের কারণেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে। নভেম্বরের শুরুতেই তাপমাত্রা অনেকটাই নেমেছিল শহরে। ১৭ ডিগ্রির কাছে নেমে গিয়েছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সেই তাপমাত্রা এখন অনেকটাই চড়েছে।  কার্তিকে মৃদু শীতের আনন্দ উপভোগ করলেও অগ্রাহায়নের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে উধাও শীতের আমেজ। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে উত্তর থেকে দক্ষিণ রাজ্য জুড়ে রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। বর্তমানে রাজ্যের কোনো জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

বঙ্গোপসাগরের পূবালী হওয়া আগামী অন্তত ন’দিন প্রভাব বিস্তার করবে দক্ষিণবঙ্গে। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় দেখা যাবে পরিবর্তন। সাময়িক সময়ের জন্য শীতের দেখা পাওয়া এখন ভার। নভেম্বরে আর জাঁকিয়ে পড়ছে না শীত। বরং বিগত সময়ে দিনে ও রাতের দিকে যে শীতের আমেজ ছিল তাও গায়েব হতে চলেছে।

রাজ্যের কোন জেলায় আপাতত ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণে উত্তরবঙ্গে সব জেলায় আগামী তিনদিন রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে। পরবর্তী চার দিন তাপমাত্রার হেরফের বিশেষ থাকবে না। শনিবার নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল। সেটি আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আরও বেশি করে স্পষ্ট হবে।

আবহাওয়া দফতর বলছে এবার হানা দেবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। ২০ থেকে ২১ নভেম্বর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বয়ে যাবে উত্তরবঙ্গের ওপর দিয়ে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিমের কিছু অংশে ২০ এবং ২১ তারিখ হালকা বৃষ্টি সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে আগামী শনিবার তৈরি হচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তা গভীর নিম্ন চাপে পরিণত হবে। এই নিম্নচাপ ২৬ নভেম্বর মৃদু শক্তির একটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে বলে দাবি করছে কয়েকটি আন্তর্জাতিক আবহাওয়া গবেষণা সংস্থা। ২৭ নভেম্বর অন্ধ উপকূলের কলিঙ্গপত্তনম মৎস্য বন্দরের কাছাকাছি এই ঘূর্ণাবর্ত প্রবেশ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তার জেরে নভেম্বরের ২৭ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় ছয় জেলায় আকাশ থাকবে মেঘলা, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং আর্দ্র অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

বেনজির ঘটনা, হিঙ্গলগঞ্জের ওসির অপসারণের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

হিন্দু মহিলাকে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম যুবক, সম্প্রীতির নজির বনগাঁয়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ