দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মগরাহাটে জোড়া খুনে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত জানে আলম

নিজস্ব প্রতিনিধি: মগরাহাটে জোড়া খুন কান্ডে মূল অভিযুক্ত জানে আলম মোল্লা গ্রেফতার। রবিবার তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের মাগুরপুকুর গ্রামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার এবং তার বন্ধু খুন হন। মগরাহাট থানার সিভিক ভলান্টিয়ার ২৬ বছর বয়সী বরুণ চক্রবর্তী এবং তার বন্ধু ২৮ বছর বয়সী মলয় মাখালের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় গ্রামের একটি কারখানা থেকে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জানে আলম মোল্লা ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। অবশেষে ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর রবিবার পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। সূত্রের খবর, একটি গাড়িতে চেপে পালানোর চেষ্টা করছিল জানে আলম। এদিন দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশের জেলার তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর অভিযুক্তের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আদালতে তোলা হবে।

শনিবার এই জোড়া খুনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে হয়ে উঠেছিল মগরাহাটের মাগুরপুকুর এলাকা। উত্তেজিত জনতা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ সামাল দিতে নামানো হয় ব়্যাফ। ডায়মণ্ড হারবারের এসডিপিও মিতুনকুমার দে-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তের আশ্বাস দেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান মৃত যুবক মলয় জানে আলমের কাছ থেকে ইমারতি দ্রব্য নেবেন বলে টাকা দিয়েছিলেন। দ্রব্য নেবে বলে ৮০ হাজার টাকা দিলেও তাকে কোনও ইমারতি দ্রব্য দেয়নি বলে অভিযোগ। এরপর টাকা ফেরত চায় মলয়। শনিবার টাকা ফেরত দেবে বলে তাঁকে ডাকে জানে আলম। জানে আলমের কথা মতো মলয় জানে আলমের সঙ্গে দেখা করতে যায়। তার সিভিক ভলান্টিয়ার বন্ধু বরুণ চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। আর আসার পরে জানে আলম তাদেরকে নিজের একটি কারখানার ভিতরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানেই প্রথমে গুলি করে এবং পরে গলা কেটে দুজনকে খুন করা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। জোড়া খুনের ঘটনায় জানে আলম ছাড়া আর কেউ জড়িত আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র অভিযুক্তের কাছে কীভাবে এলো তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকাবাসীর একাংশ জানান,  আলম তার কারখানায় পশুর হাড় রাখত। আর সেই হাড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়াত। সেই ব্যবসার প্রতিবাদ করেছিলেন বরুণ-মলয়রা। ফলে ব্যবসায়ী জানে আলমের সঙ্গে পুরনো শত্রুতা ছিল মলয় ও বরুণের।

অন্যদিকে, রবিবার সকালে নিহতদের বাড়িতে যান জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, বিধায়ক নমিতা সাহা এবং ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা। রাজ্যের তরফে আড়াই লক্ষ এবং বিডিওর তরফে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য নিহতদের পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

বেনজির ঘটনা, হিঙ্গলগঞ্জের ওসির অপসারণের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

হিন্দু মহিলাকে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম যুবক, সম্প্রীতির নজির বনগাঁয়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ