দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ড্রেনের নোংরা জল দিয়ে মিটবে তৃষ্ণা, পানীয় জলের চাহিদা মেটাতে বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলের অপর নাম জীবন এই কথা কারও অজানা নয়। তবে দিনে দিনে বিশ্বজুড়ে জলের সঙ্কট যেভাবে বাড়ছে তাতে উদ্বেগ বাড়ছে সকলের। শুধু কলকাতা নয় রাজ্যের একাধিক জেলাতেই গরম বাড়লে দেখা দেয় তীব্র জলসঙ্কট। একফোঁটা জলের জন্য চারিদিকে হাহাকার পরে যায়। গরম আসছে তাই এই সমস্যা এবার আরও বাড়বে।  সেই সমস্য সমাধানে এবার উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। ড্রেনের নোংরা জল পান করা যাবে। শুধু তাই নয়  এবার থেকে কাপড় কাচা, বাসন মাজা, স্নান, সবই করা এই  ড্রেনের নোংরা জল  দিয়েই। এই বিষয় বাস্তবায়নের জন্য সম্প্রতি রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর একটি ‘ড্রাফট পলিসি’ (খসড়া নীতি) তৈরি করেছে। শুধু তাই নয় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে নাগরিকদের কাছ থেকে। 

জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে এই সমস্যা সমাধানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার উদ্যোগী হয়েছে। ড্রেনের নোংরা জলকে শোধন করে নিত্যদিনের ব্যবহারের কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি কর্তারা বলছেন ড্রেনের নোংরা জল যদি পরিশোধিত করে বাড়ি বাড়ি পাঠানো যায় তাহলে জলের সমস্যা অনেকটা মিটবে। সেই সঙ্গে নদী বা সমুদ্রে জলে দূষণ কমবে। এখন প্রযুক্তির কল্যাণে সবই সম্ভব। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রেনের নোংরা জলকে শোধন করে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব। তবে কীভাবে এই কাজ করা যাবে আগে তার সুস্পষ্ট সরকারি নীতি না থাকায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন এই পদক্ষেপ নিতে গেলে নতুন আইন তৈরিরও প্রয়োজন । ঠিক সেই কারণেই  ড্রাফট পলিসি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত জানাতে পারবেন। 

আরও পড়ুন: যুবসাথী: ৪৭ লক্ষ আবেদন ডিজিটাইজ করা বাকি, দ্রুত সম্পন্নের নির্দেশ 

প্রসঙ্গত, নিত্যদিনের ব্যবহারের নোংরা জল সবটাই ড্রেনের  মাধ্যমে পুকুর, নদী বা সমুদ্রে মেশে। সেই জল যদি ব্যবহার করা যায় তাহলে জলের সঙ্কট অনেকটাই দূর হবে। সুডার অধীনে একটি ‘ওয়েস্ট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট সেল’ থাকবে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। ওয়েস্ট ওয়াটার রিসাইক্লিং করার পরে সেটা যাতে লোকজন ব্যবহার করেন সেই বিষয়ে  সাধারণ মানুষ এবং শিল্পসংস্থাগুলিকে সচেতন করার দায়িত্ব নেবে পুরসভাগুলি।  রাজ্য সরকার ড্রেনের জলকে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে যে খসড়া নীতি প্রণয়ন করেছে, সেখানে  বলা হয়েছে, পুরো বিষয়টি তদরাকি করতে রাজ্যস্তরে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হবে যার নেতৃত্বে থাকবেন মুখ্যসচবির। সেই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, পরিবেশ, পিএইচই, এমএলএমই, সেচ ও জল অনুসন্ধান, পুর ও নগরোন্নয়ন, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং বাণিজ্য ও শিল্প দপ্তরের সচিবরা।  সঙ্গে থাকবে একটি স্টিয়ারিং কমিটি, যার মাথায় থাকবেন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর নোডাল এজেন্সি হিসেবে কাজ করবে ।

 

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

হিন্দু মহিলাকে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম যুবক, ভোট আবহে মানবিক দৃশ্য বনগাঁয়

‘মা-বোনেরা প্রাণ ভরে দিদিকে ভোট দিয়েছে’, তৃণমূলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী জুন মালিয়া

মারাত্মক গরমেও রোড-শোয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’, নবদ্বীপে রচনার জমজমাট প্রচার

‘সব ভোট মোদিবাবুর বিরুদ্ধে পড়েছে‌’‌, প্রধানমন্ত্রীর দাবি ফুৎকারে ওড়ালেন মমতা

‘সোনারপুর হয়ে গেল সোনাপুর’, ভুল পোস্টারে শাহ-কে তোপ লাভলির

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ