দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রাজ্যসভা নির্বাচনে বাদ পড়তে চলেছেন কারা?‌ তৃণমূলের টিকিট পাচ্ছেন সাংবাদিক!‌

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। তা নিয়ে প্রস্তুতি এখন জোরকদমে চলছে। এই বিধানসভা নির্বাচনের মহাযুদ্ধের আগেই নতুন করে রাজ্য–রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠতে চলেছে রাজ্যসভার নির্বাচন নিয়ে। আগামী মার্চ মাসেই মেয়াদ ফুরিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের চার রাজ্যসভা সাংসদের। আর এই চার আসনে কাদের পাঠাবে তৃণমূল কংগ্রেস সেটা নিয়েই এখন জোর চর্চা তুঙ্গে উঠেছে ঘাসফুলের অন্দরে। এবারের রাজ্যসভার নির্বাচনে একাধিক রদবদল ঘটাতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার উঠে আসছে এক সাংবাদিকের নাম। তাহলে বাদ পড়ছেন কারা?‌ এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে তৃণমূল সূত্রে খবর, সাকেত গোখলে আবার টিকিট নাও পেতে পারেন। সেই জায়গায় আসতে পারেন খুব পরিচিত মুখ সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক। তবে তাঁর নাম প্রকাশ্যে আসেনি এখনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতে সাংবাদিকদের রাজ্যসভায় পাঠানোর ঐতিহ্য নতুন নয়। আগে কুণাল ঘোষ থেকে আহমেদ হাসান ইমরানের মতো সাংবাদিকদের সংসদের উচ্চকক্ষে পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী রাজ্যসভায় যাওয়া তৃণমূলনেত্রী সাগরিকা ঘোষও একজন সাংবাদিক। এবারও সেই ধারা অব্যাহত রাখা হবে বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে সাকেত গোখলের টিকিট না পাওয়া যদি নিশ্চিত হয়, তবে তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে সাংবাদিক আসার সম্ভাবনাই প্রবল। আবার রাজ্যসভার আর এক বিদায়ী সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রাজ্যসভায় নাও পাঠাতে পারে তৃণমূল। তৃণমূল সূত্রে খবর, ঋতব্রতকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং বাগ্মিতাকে কাজে লাগিয়ে বিধানসভায় বিরোধী দলগুলির মোকাবিলায় তাঁকে ব্যবহার করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর। মৌসম বেনজির নূরের আসনেও বদল ঘটবে। সেখানে কোনও আমলাকে নিয়ে আসা হতে পারে। আবার মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলার সংখ্যালঘু সমীকরণকে মাথায় রেখে ওই আসনে কোনও নতুন মহিলা মুখ, যিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তাঁকে নিয়ে আসা হতে পারে। তবে তাঁর নাম সামনে এখনও আনা হয়নি।

এছাড়া দলের প্রবীণ নেতা তথা রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে রাজ্যসভায় না পাঠানো নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সেটা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। সেখানে হেভিওয়েট কাউকে আনা হতে পারে। সুতরাং বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যসভার এই নির্বাচন বড় সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করবে। নিয়ম আছে, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যসভার ভোট ঘোষণা হলে বর্তমান বিধায়কদের রাজ্যসভার ভোটে অংশগ্রহণ করতে কোনও বাধা নেই।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

বেনজির ঘটনা, হিঙ্গলগঞ্জের ওসির অপসারণের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

হিন্দু মহিলাকে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম যুবক, সম্প্রীতির নজির বনগাঁয়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ