চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ধর্ষণ বিরোধী আইনের অপব্যবহার হচ্ছে, পর্যবেক্ষণ আদালতের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের পুরুষ সমাজের(Men Society) দীর্ঘদিনের দাবি, ধর্ষণ বিরোধী আইনের অপব্যবহার(Misusing of Anti Rape Law) হচ্ছে। এবার সেটাই মেনে নিল দিল্লি আদালত(Delhi Court)। সেই সঙ্গে ধর্ষণের মিথ্যে মামলা দায়ের করার জন্য এক মহিলার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি আদালতের বিচারক শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন(Justice Shefali Barnala Tandon)। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইন মহিলাদের বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা দেয় বলে সেটাকে ব্যক্তিগত রাগ মেটানোর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। ভারতে আইন(Laws of India) পুরুষদেরও সমানাধিকার এবং একই রকম আইনি সুরক্ষা দেয়। এই রায় দেশের সব রাজ্যে সমান ভাবে প্রযোজ্য না হলেও কার্যত দৃষ্টান্ত হিসদাবে থেকে গেল। কেননা দেশের পুরুষ সমাজের দীর্ধদিনের দাবি কার্যত মান্যতা পেয়েছে এই রায়ে। 

আরও পড়ুন প্রসূতি মৃত্যুতে শীর্ষে কলকাতা, ঘুম উড়েছে স্বাস্থ্য দফতরের

জানা গিয়েছে, গত ১৪ জুলাই দিল্লির একটি থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণের অভিযোগের ভিত্তিতে এক যুবকের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছিল পুলিশ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতারও করেন আইনের রক্ষকরা। তার জামিনের আবেদনের শুনানি চলছিল দিল্লির আদালতে। অভিযোগ দায়েরের পর অবশ্য অভিযোগকারিণী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিবৃতি দেন, তিনি স্বেচ্ছায় ওই যুবকের সঙ্গে হোটেলে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক হয়েছে দু’জনের। কিন্তু একটা বিষয়ে যুবকের সঙ্গে মতভেদ হওয়ায়, রাগে ধর্ষণের ভুয়ো মামলা করেছেন তিনি। সেই বক্তব্য শোনার পরেই উঠে আসে আদালতের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ যা নিয়ে এখন দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াগুলিতে। গত ২৫ জুলাই আদালত এই মামলার রায় দিয়েছে।

আরও পড়ুন কেন্দ্রের RSS ছাড়ে সায় নেই রাজ্যের, সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহাল থাকছে নিষেধাজ্ঞা

আদালতের বক্তব্য, ‘ভারতের আইন পুরুষদেরও সমানাধিকার এবং সম-সুরক্ষা দেয়। মহিলারা আইনে কিছু বিশেষ সুবিধা পান। কিন্তু মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়া সেই আইন কোনও ব্যক্তিগত রাগ মেটানোর অস্ত্র হতে পারে না। সমাজে এই প্রবণতা বাড়ছে। অথচ, একটা মিথ্যে ধর্ষণের অভিযোগ শুধু অভিযুক্তের জীবন বরবাদ করে না, তাঁর পরিবারের সামাজিক সম্মান, ভাবমূর্তি সব নষ্ট করে দেয়।’ ধর্ষণের ভয়াবহতা স্বীকার করেও আদালতের পর্যবেক্ষণ, ধর্ষণ বিরোধী আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। ব্যক্তিগত প্রতিশোধের জন্য কখনও এমন অভিযোগকে অস্ত্র করা উচিত নয়। এর পরই দিল্লি পুলিশকে আদালতের নির্দেশ, মিথ্যে মামলা দায়েরের জন্য অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে হবে। কারণ, তাঁর মিথ্যে মামলার কারণেই নিরপরাধ যুবককে ১০ দিন জেলে কাটাতে হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৪ ঘন্টা ঘুরপাক খেতেই আতঙ্কে চোখে জল যাত্রীদের

জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা! মৃত ১০, আহত একাধিক

‘HR-কে জড়িয়ে ধরে চুমু’! প্রকাশ্যে নাসিকের মতো ঘটনা, গ্রেফতার NGO-র চেয়ারম্যান

বদ্রীনাথের দৈব মানবকে ৪০ কেজি চাল ও মাংস নিবেদন, জানেন কি এই প্রাচীন প্রথা?

মুখে নারী ক্ষমতায়ন! বাংলার প্রথম দফার ভোটে বিজেপির মহিলা প্রার্থী মাত্র ১৫

তামিলনাড়ুতে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে মৃত্যু ১৬ শ্রমিকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ