আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সেনাবাহিনীর সেনা–অফিসাররা পেলেন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করার অনুমতি, নয়া নিয়ম চালু

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ ভারতীয় সেনাবাহিনী এবার সোশ্যাল মিডিয়ার নীতিতে পরিবর্তন নিয়ে এল। সেনা ও অফিসারদের ক্ষেত্রে নয়া নীতি নিয়ে আসা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সেনা এবং অফিসাররা ইনস্টাগ্রাম দেখতে পারবেন। কিন্তু কোনও লাইক, কমেন্ট করতে পারবেন না। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। সকলেই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্স হ্যান্ডেল, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। সেখানে সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আছে। যা নিয়ে নানা সময়ে নানা কথা উঠে এসেছে। এবার বড়দিনের উৎসবের মাঝে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসা হল নীতিতে।

এদিকে এই পরিবর্তনের নির্দেশ সেনা ও অফিসাররা পেয়ে গিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত সেনা এবং অফিসাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখতে পারবেন। তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন, নিজেদের আপডেট করতে পারবেন এবং দেখতেও পারবেন। কিন্তু কোনওরকম লাইক, কমেন্ট করা যাবে না। বরং যদি কোনও সেনা বা অফিসার দেখতে পান ভুল তথ্য কেউ বা কারা দিয়েছেন তখন তাঁরা তা সিনিয়র অফিসারদের নজরেও আনতে পারবেন বলে সূত্রের খবর। এর আগে সেনাবাহিনীর সেনা ও অফিসারদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার না করার নির্দেশ ছিল।

অন্যদিকে আগের সেই নির্দেশ শিথিল হওয়ায় খুশি সেনা এবং অফিসাররা। অত্যন্ত দেখতে তো পারবেন। সারাদিন কঠিন পরিশ্রম করার পর একটু ক্লান্তি দূর করার ক্ষেত্রে নজর রাখতে পারবেন তাঁরা। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই আগে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এখন তা খানিকটা শিথিল করা হল। এই কড়া নিয়ম জারি করার প্রধান কারণ হল, সেনারা যেন হানিট্র‌্যাপে পড়ে না যান এবং দেশের গোপন তথ্য বেরিয়ে না যায়। সম্প্রতি ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সেনা কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নিয়মাবলী উল্লেখ করেছিলেন প্রতিরক্ষা অনুষ্ঠানের সভায়।

এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকেন নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। বহু নতুন প্রজন্মের যুবক এখন আছেন সেনাবাহিনীতে। তাঁদের এভাবে বেঁধে রাখা কী সম্ভব?‌ এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে সেনা প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, ‘‌এটা সত্যিই একটা সমস্যা। কারণ যখন তরুণরা ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে আসে তখন তারা প্রথমেই খুঁজে বের করে যে তারা তাদের ফোন কোথায় লুকিয়ে রাখবে। ক্যাডেটদের বোঝাতে তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগে যে, ফোন ছাড়া জীবন সম্ভব। কিন্তু স্মার্টফোন কি আজকাল অপরিহার্য? আমার মনে হয় এটি আজকাল অপরিহার্য। আমি সৈন্যদের বলি, স্মার্টফোন অপরিহার্য। তবে আমি কখনও সেনাদের কিছু দিতে অস্বীকার করি না। কারণ, আমরা সবসময় মাঠে থাকি। আপনার সন্তানের স্কুলের ফি আপনাকে দিতে হবে। আমি আমার দুই সন্তানের জন্মের সময়ও সেখানে থাকতে পারিনি। তাহলে আজ যদি একজন সেনা দূরে কোথাও থাকে এবং তার সন্তানের প্রথম কান্না দেখতে চায়, তাহলে সে কীভাবে দেখবে? একটি ছবিতেই তাদের দেখতে পাবে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘কান্তারা’ বিতর্কে বড় স্বস্তি, রণবীরের বিরুদ্ধে FIR খারিজ কর্নাটক হাইকোর্টের

‘পঞ্জাব কা গদ্দার’, হরভজনের বাড়ির দেওয়ালে কালিতে লিখে দিলেন আপ কর্মীরা

​’লরেন্স অফ পঞ্জাব’-এর মুক্তি স্থগিত, সিধু মুসেওয়ালার বাবাকে খুনের হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

BJP-তে যোগদানের পরেই ১০ লক্ষ ফলোয়ার হারালেন রাঘব চাড্ডা

বিজেপির হয়ে কলকাতায় প্রচারে আসছেন রাঘব চাড্ডা, হতে পারেন কেজরিওয়ালের মুখোমুখি

​’পুলিশের কাজ ছাড়ছি, দাউদ ইব্রাহিমে যোগ দিচ্ছি, রাঘবের দলবদলে প্রকাশ রাজের মিম-খোঁচা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ