চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সলমন খানের কৃষ্ণসার হরিণ মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় আবারও স্বস্তি পেলেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। রাজস্থান হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি স্থগিত রাখা হয়েছে। বিচারপতি বলজিন্দর সিংহ সান্ধুর বেঞ্চ রাজস্থান সরকারের দায়ের করা এই মামলার শুনানি করতে অস্বীকার করেছে। ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ উঠেছিল সলমান খানের বিরুদ্ধে। তাঁর পাশাপাশি এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল সইফ আলি খান, অভিনেত্রী নীলম, সোনালি বেন্দ্রে, তব্বু এবং দুষ্মন্ত সিংহের মতো ছবির প্রধান তারকাদের। এই নিয়ে সলমানকে একাধিকবার আইনি বিপাকে পড়তে হয়।

১৯৯৮ সালে লুনি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছিল যে, ১৯৯৮ সালের ১ থেকে ২ অক্টোবর রাতে এই শিকারের ঘটনা ঘটেছিল। আর এই মামলায় সলমান খান, সইফ আলি খান, অভিনেত্রী নীলম, সোনালি বেন্দ্রে, তব্বু এবং দুষ্মন্ত সিংহকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। সলমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের ধারা ৯/৫১ এর অধীনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু ভাইজানের সহ-অভিযুক্তদের ৫ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে বেকসুর মুক্তি দেওয়া হয়। আর সলমানকে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর সলমান যোধপুরের জেলা ও দায়রা আদালতে তাঁর সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং জামিনে মুক্তি পান। তবে সইফ আলি খান, নীলম, তব্বু, সোনালি বেন্দ্রেকে মুক্তি দেওয়ার বিরুদ্ধে রাজস্থান সরকার একটি আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। সেটিই এখন রাজস্থান হাইকোর্টে বিচারাধীন। কিন্তু রাজস্থান হাইকোর্ট এই আপিলের শুনানি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের আপিলের শুনানি করবে নতুন বেঞ্চ। বিষয়টি এখন প্রধান বিচারপতির সামনে উপস্থাপন করা হবে। এরপর কোন বেঞ্চ এই আপিলগুলি শুনবে তা পরে নির্ধারিত হবে।

এদিকে এই মামলায় সলমানের আপিল রাজস্থান হাইকোর্টে স্থানান্তরের জন্য আবেদন দাখিল করা হয়েছিল। এরপরেই আপিলটি ২১ মার্চ, ২০২২ তারিখে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়।আর কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার কারণে ২৮ বছর পরেও ভয়ে রয়েছেন অভিনেতা। কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং অভিনেতাকে মৃত্যু হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। একাধিকবার তাঁর বাড়িতেও হামলা চালিয়েছে। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দাবি, যতক্ষন না অভিনেতা কৃষ্ণসার হত্যার কারণে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা না চাইবেন তাঁকে এমন হুমকির মধ্যে থাকতে হবে। তাঁর মৃত্যু অনিবার্য। আসলে বিষ্ণোই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণকে ভগবান হিসেবে পূজা করেন। তাই তার হত্যা এখনও মেনে নিতে পারেনি বিষ্ণোই সম্প্রদায়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তামিলনাড়ুতে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে মৃত্যু ১৬ শ্রমিকের

শ্রীনগরের বিমানবন্দরে পাকড়াও দুই মার্কিন নাগরিক, তল্লাশিতে মিলল স্যাটেলাইট ফোন

সুরাতের উধনা স্টেশনে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্মম লাঠিচার্জ পুলিশের

হায়দরাবাদ ছেড়ে মুম্বইয়ে ঘর বাঁধছেন আল্লু অর্জুন, হঠাৎ ঠিকানা বদল কেন?

তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার নয়ডার শ্রমিক বিক্ষোভের ‘মাস্টারমাইন্ড’

মুচির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮০ কোটি টাকার লেনদেন! গ্রেফতার ২

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ