চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ফের দুই শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডারকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী, রইল বাকি ১০

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাওবাদী দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মহারাষ্ট্র-ছত্তিশগড় সীমান্তে নারায়ণপুরের অবুঝামড় অঞ্চলে লড়াইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য কাট্টা রামচন্দ্র রেড্ডি এবং কাদরি সত্যনারায়ণ রেড্ডি। এই দুজনের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে লাল সন্ত্রাস মুক্ত হওয়ার দিকে আরও এক ধাপ এগোল দেশ। বর্তমানে মাত্র ১০ মাওবাদী কমান্ডার বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিরাপত্তা বাহিনীর নাগালের বাইরে রয়ে গিয়েছে। যদিও খুব শিগগিরই ওই ১০ কমান্ডারকে নিকেশ করার হুঙ্কার ছেড়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা। নিহত দুই মাওবাদী কমান্ডারের মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ টাকা করে।

এদিন সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দুই মাওবাদী কমান্ডারকে নিকেশের খবর জানিয়ে ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লিখেছেন ‘আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী নকশালদের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। মহারাষ্ট্র-ছত্তিশগড় সীমান্তে নারায়ণপুরের অবুঝামড় অঞ্চলে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য কাট্টা রামচন্দ্র রেড্ডি এবং কাদরি সত্যনারায়ণ রেড্ডিকে নিকেশ করেছে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী নকশালদের শীর্ষ নেতৃত্বকে পরিকল্পিতভাবে ভেঙে দিচ্ছে, লাল সন্ত্রাসের মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।’

২০২৬ সালের মধ্যে দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় জোরকদমে মাওবাদী দমন অভিযান ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ শুরু হয়। এপ্রিল মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র-ওড়িশা সহ মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকশো মাওবাদীকে নিকেশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তার মধ্যে রয়েছে সিপিআই-মাওবাদীর সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন শীর্ষ মাওবাদী নেতা মনোজ ওরফে মোডেম বালকৃষ্ণ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর তেলঙ্গানা পুলিশের ডিজিপর কাছে আত্মসমর্পণ করেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পুথুলা পদ্মাবতী (কল্পনা নামে বেশি পরিচিত) মইনাক্কা, ময়নাবাঈ ও সুজাতা। এর মধ্যে সুজাতা প্রায় ৪৩ বছর আন্ডারগ্রাউন্ডে বা অজ্ঞাতবাসে ছিলেন। এর দুই দিন বাদে ১৫ সেপ্টেম্বর কারান্ডোর জঙ্গলে ঝাড়খণ্ড পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারান আর এক কেন্দ্রীয় নেতা সহদেব সোরেন। তারও মাথার দাম ছিল এক কোটি। সহদেবের সঙ্গেই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান রঘুনাথ হেমব্রম ও বীরসেন ঘাঞ্জু নামে আরও দুই দুধর্ষ মাওবাদী কমান্ডার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত কয়েক মাসে মাওবাদীদের অধিকাংশ শীর্ষ নেতাকেই খতম করা হয়েছে। মাত্র ১০ মাওবাদী কমান্ডার বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেঁচে। তারা হলেন-মুপাল্লা লক্ষণ রাও, মালোজোল্লা বেণুগোপাল, থিপ্পিরি থিরুপতি (মাওবাদীদের নয়া সাধারণ সম্পাদক), পুল্লারি প্রসাদ রাও, পাকা হনুমানথুলু, পুসুনুরু নরহরি (এরা সবাই তেলেঙ্গানার), মিশির বেসরা ও অনল দা (ঝাড়খণ্ড), মাধবী হিডমা ও মাজ্জিদেব (দুজনেই ছত্তিশগড়ের)। এদের মধ্যে মুপাল্লা লক্ষণ রাও দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ। আর মাধবী হিডমা দণ্ডকারণ্য বিশেষ আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা মোদির, যা লিখলেন…

উপেক্ষার বদলা! প্রেমিককে চেয়ারে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে মারল প্রেমিকা

কেরলের বাজি কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু আটজনের

মহারাষ্ট্রের পালঘরে আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ২ শ্রমিক

সহ্যসীমার বাইরে তাপমাত্রা, বাড়ির কাছে এসি হোটেল বুক করলেন তরুণী! ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

অফিসের ক্রেডিট কার্ড থেকে খরচ ২৭ লক্ষ, হিসেব চাইতেই বসকে অশ্লীল ছবি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ