চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অজানা ইতিহাস, কলকাতার বস্তিতে থাকেন মুঘল সম্রাটদের বর্তমান উত্তরসূরি সুলতানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তাঁদের পূর্ব পুরুষেরা একসময় শাসন করেছিলেন প্রায় অর্ধেক এশিয়া। তাঁরা মুঘল, রত্নখচিত ময়ূর সিংহাসনে বসে শাসন করতেন সুবিশাল এক সাম্রাজ্য। কিন্তু জানেন কী বর্তমানে সেই মুঘল সম্রাটদের বংশধররা কেমন আছেন? ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে নির্বাসনের মধ্যে দিয়ে ব্রিটিশরা মুঘল সাম্রাজ্যর ৪০০ বছরের শাসনের ইতি ঘটিয়েছিল। সেসময় ব্রিটিশরা সম্রাটের কয়েকজন পুত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ফলে পরিবারের কয়েকজন জীবন বাঁচাতে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় পালিয়ে আসেন। বাকি কয়েকজন আবার হায়দ্রাবাদ বা উদয়পুরে পালিয়ে যান। যদিও অনেকেই নিজেদেরকে মুঘল বংশধর বলে দাবি করেছেন। এদের মধ্যে একটি অন্যতম শাখা বসবাস করেন আমাদের তিলোত্তমা কলকাতায়।

আরও পড়ুন  Big Breaking লালকেল্লার মালিকানা ফেরত চাইলেন কলকাতার সুলতানা, রুজু মামলা

শোনা যায়‚ কলকাতায় চলে এসেছিলেন প্রায় ৭০ জন মুঘল বংশীয় উত্তরসূরী। সম্প্রতি তাঁদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে সবথেকে বেশি চর্চা হয়েছে তিনি হলেন সুলতানা বেগম।কলকাতার বাসিন্দা সুলতানা বেগম, যিনি শেষ মুঘল বংশধর বাহাদুর শাহ জাফরের নাতবউ। অর্থাৎ সুলতানার শ্বশুরমশাইয়ের ঠাকুরদা ছিলেন নির্বাসিত শেষ মুঘল সম্রাট। প্রমাণ হিসেবে তাঁর কাছে রয়েছে কিছু পারিবারিক নথি ও ছবি। এই সুলতানা বেগমই সম্প্রতি ঐতিহাসিক লালকেল্লার মালিকানা ফেরত চাইলেন ভারত সরকারের কাছে। এমনকি লালকেল্লার মালিকানা ফেরত চেয়ে মামলাও দায়ের করেছেন। সুলতানা বেগমের স্বামী মির্জা বেদের বুকত ১৯৮০ সালে মারা যান। এরপর থেকেই তাঁর জীবনে দারিদ্রতা নেমে আসে। কোনও রকমে কলকাতার এক বস্তিতে দিনযাপণ করছেন তিনি। দু কামরার ছোট্ট ঘরে কোনওমতে দিন গুজরান। পাঁচে মেয়ের মধ্যে একজনের এখনও বিয়ে হয়নি। আছে এক ছেলে ও তাঁর পরিবার।

সুলতানার স্বামী এলাকার নাম করা দর্জি ছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর আর সেই দোকান চালাতে না পেরে সুলতানা সেখানে চায়ের দোকান শুরু করেন। পরে সেই দোকানও উঠে যায়। যদিও বর্তমানে তিনি মহিলাদের পোশাক তৈরি করছেন স্বামীর শেখানো পথে। বস্তির বাকি মহিলাদের সঙ্গে একটাই রান্নাঘরে খুন্তি নাড়া। রাস্তার টাইমকলে কাপড় কাচা আর বাসন মাজা তাঁর নিত্যদিনের কাজ। আর ভরসা সবেধন নীলমণি মাসে সামান্য কয়েক হাজার টাকা সরকারি পেনশন। এক কথায় বলতে গেলে ওই ৬ হাজার টাকাই তাঁর সম্বল।

তবে সুলতানা জানিয়েছেন, তাঁদের আত্মীয়ের অনেকেই আমেরিকা, জার্মানি এবং অন্য উন্নত দেশগুলোতে বসবাস করেন। যদিও তাদের কারও সঙ্গেই তাঁর যোগাযোগ নেই বর্তমানে। সেই মহিলাই এবার গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিতে চলেছেন। তাঁর শ্বশুরকূলের উত্তরসূরীরা বানিয়েছিলেন আগ্রার ফতেপুর সিক্রি। তাঁদের হাতেই মাথা তুলেছিল দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লা। সেই বংশের বেগম সুলতানা ওসব কোনওদিন দেখেনওনি। কিন্তু সংগ্রহে রয়েছে কিছু নথিপত্র। এর জেরেই তিনি লালকেল্লার দখল ফেরত চাইলেন। আগামীদিনে যা নিঃসন্দেহে আলোড়ন ফেলবে গোটা দেশে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

অক্ষয় তৃতীয়ায় শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার শুভ লগ্ন কখন শুরু?জানুন সময়সূচি

৯ কোটি টাকায় নিলাম টাইটানিকের ‘বেঁচে যাওয়া’ এক যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট

ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী নয়, চাকরি খুঁজছেন অনেকেই! ভাইরাল নতুন ট্রেন্ড

কোকাকোলার আগেই ভারতের কোল্ড ড্রিঙ্ক, ইতিহাসের সাক্ষী ‘আর্ডিস’

র‍্যাম্প থেকে যুদ্ধক্ষেত্র! ‘মিস ইন্ডিয়া’ কাশিশ এখন ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট

আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ভারত-সহ বিশ্বের ৫০ কোটি শিশুর ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ