চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

এনকাউন্টারের ভয়ে জেলেই জ্বর এসে গিয়েছিল সঞ্জয়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বলিউডের সফল অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম সঞ্জয় দত্ত। তিনি পেশাগত জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন। ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের সময়ে বেআইনিভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অপরাধে সঞ্জয় দত্ত অনেকদিন জেল খেটে ছিলেন। সেই সময়ে সেখানে কাজ করেছেন আইপিএস অফিসার মিরান চাদা বোরওয়াঙ্কর। তিনি সেই সময়ে তদন্তকারী অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। অতিরিক্ত মহাপরিচালক ছিলেন।সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শোতে সঞ্জয় দত্তের জেলে থাকাকালীন একটি অজানা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানালেন এই IPS অফিসার। জানালেন, সঞ্জয় দত্ত জেলে থাকার সময় ভাল আচরণের জন্যে প্যারোল এবং ফার্লোর অনুমোদন পেয়েছিলেন। কিন্তু একসময় তাঁকে একটি কঠিন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। সাইরাস ব্রোচার পডকাস্টে অফিসার বলেন, অভিনেতা যখন জেলে ছিলেন তখন বিশেষ চিকিৎসা পেতেন।

তিনি সুন্দর আচরণ করেছিলেন বলেই তাঁকে প্যারোল এবং ফার্লো দেওয়া হয়েছিল, যদি তিনি ভালো আচরণ না করতেন তবে তাঁকে ফার্লো বা প্যারোলের অনুমতি পেতেন না। সে জেলের সমস্ত আসামীর সঙ্গে কাজও করতেন। কিন্তু একসময় তাঁকে একটি ঘটনা বিভ্রান্ত করেছিল। সেটি হল, যখন অভিনেতাকে এক জেল থেকে অন্য জেলে স্থানান্তর করা হচ্ছিল, তখন তিনি ভেবেছিলেন তাঁকে বোধহয় এনকাউন্টার করা হবে। সেই ভেবে অভিনেতা রীতিমতো ঘামতে শুরু করেন। এবং ধুম জ্বরে পড়ে যান। বোরওয়াঙ্কর তাঁর জীবনী বইয়ে সেই সম্পর্কে লিখেছেন, যখন দত্ত এনকাউন্টারে নিহত হওয়ার বিষয়ে বিমূঢ় ছিলেন যখন তিনি আর্থার রোড জেল থেকে পুনের ইয়েরওয়াদা জেলে স্থানান্তরিত হতে চলেছিলেন। দত্ত ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন এই ভেবে, যে তিনি পথে এনকাউন্টারে মারা যাবেন! তার ভয় এতটাই বাস্তব ছিল যে তিনি ঘামতে শুরু করেছিলেন এবং জ্বর হয়ে গিয়েছিল। তবে এই ঘটনাটি হওয়ার পরে তাঁকে আর সেই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়নি। স্থানান্তরটি বাতিল করা হয়েছিল।

দত্তকে এনকাউন্টারের ভুল বিশ্বাসের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার পরে তাকে কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে সঞ্জয় দত্তকে সন্ত্রাসী ও সংহতি নাশমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য গ্রেফতার করা হয়। তার উপর আনা চার্জ মওকুফ হলেও তাঁকে বেআইনি অস্ত্র রাখার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সাজা ভোগকালীন ভাল ব্যবহার ও আচরণের জন্য ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি অত্যধিক মাদকাসক্ত ছিলেন এবং একাধিক বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী মান্যতা এবং দুই সন্তান।তাঁর আগের পক্ষেও এক বিবাহযোগ্য কন্যা রয়েছে। কাজের ভিত্তিতে, দত্তকে সম্প্রতি তামিল ফিল্ম লিও-তে দেখা গিয়েছিল যেখানে তিনি অ্যান্টনি দাসের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তাকে পরবর্তীতে তেলেগু ফিল্ম ডাবল স্মার্ট, পাঞ্জাবি ফিল্ম শেরান দি কাউম পঞ্জাবি এবং কন্নড় ফিল্ম কেডি – দ্য ডেভিল-এ দেখা যাবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

টলিপাড়ায় ফের শোকের আবহ, শুটিংয়ের মাঝে আচমকাই প্রযোজকের মৃত্যু

রাজেশ খান্নার সমুদ্রমুখী বাংলো ‘আশীর্বাদ’ ৯০ কোটিতে বিক্রি, ক্ষোভ প্রকাশ মুমতাজের

সলমানের পর সুরজ বরজাতিয়ার আইকনিক ‘প্রেম’ চরিত্রে এবার আয়ুষ্মান, জুটিতে শর্বরী

হঠাৎ ‘কৃষ ৪’-র কাজ বন্ধ করলেন হৃতিক! কী জানালেন অভিনেতা?

বাবার হাত ধরে বলিউডে হাতেখড়ি, ‘রাজা শিবাজী’-তে বিশেষ চমক রীতেশ-পুত্র রাহিলের

দাদুর মৃত্যুতে শোকাহত ‘সাইয়ারা’-র অনীত পাড্ডা, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা লিখলেন অভিনেত্রী…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ