চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ধর্মতলায় ধুন্ধুমার, SIR-এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ নৌশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে ISF -এর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধর্মতলায় আইএসএসের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। সংশোধিত ওয়াকফ আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সংশোধনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আইএসএফ কর্মীরা। পুলিশ ও আইএসএফের মধ্যে চলছে খণ্ডযুদ্ধ।

আইএসএফ এদিন আন্দোলনে নেমেছে মূলত চারটি বিষয়কে নিয়ে। প্রথমত ওয়াকফ সংশোধনী বিল প্রত্যাহার, SIR প্রত্যাহার, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ যে কোনও জীবিত মানুষকে মেরে ফেলছে কমিশন, আর ওবিসি সংশাসত্র নিয়ে রাজ্যের হয়রানি। এই নিয়েই উত্তাল হয়ে ওঠে বুধবারের দুপুরের ধর্মতলা। ভাঙড়ের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বের এদিন আইএসএফ কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ মিছিল আটকাতেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি। আইএসএফ কর্মীদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে পুলিশ বুকে ঘুষি মেরেছে বলে দাবি ক্লরেন নৌশাদ। তাঁর দাবি ছিল, “কলার ধরে ভ্যানে তুলেছে পুলিশ, এর জবাব দেবো।” জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে এদিন আইএসএফ কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন ডিসি সেন্ট্রাল এর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে ভ্যান থেকে নামতে সক্ষম হলেও পরে ফের একবার প্রিজন ভ্যানে ঠেলে তোলা হয় নৌশাদ সিদ্দিকিকে। বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। প্রথমে জোড়াসাঁকো থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বিধায়ক সহ অন্যান্যদের। থানায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। নৌশাদের বুকে ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে  পুলিশের বিরুদ্ধে। তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের কোনও রকম অনুমতি ছাড়াই ধর্মতলায় ধর্নামঞ্চ তৈরি চেষ্টা করছিল আইএসএফ কর্মীরা। আর তা তুলতে গেলেই পুলিশকে লক্ষ্য করে তারা হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

বিহারের পর বাংলাতেও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া শুরু করার ভাবনা চিন্তায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন। রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিকদের ভোটার তালিকার একটি বিশেষ নিবিড় সংশোধন পরিচালনা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলায় SIR হতে দিতে নারাজ তৃণমূল ও অন্যান্য বিরোধী দল। সেই জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে ডেকে পাঠানোও হয়েছিল। সংসদের বাইরে SIR করতে দেওয়া হবে না দেশে, এই মর্মে তৃণমূল, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলি বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

বিহারের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এদের বেশিরভাগই এমন ভোটার যারা আর এই পৃথিবীতে নেই। এমন ভোটারও রয়েছেন যারা স্থায়ীভাবে অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন। এমন কিছু ভোটারও আছেন যাদের নাম একাধিক নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে। তবে, বিরোধীরা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিরোধিতা করছে এবং এটিকে বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের ভোট চুরি বলে অভিহিত করছে।

এদিকে ভোটাধিকার যাত্রা শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। ১৭ অগস্ট বিহারের সাসারাম থেকে ১৬ দিনের যাত্রাপথে বেরিয়েছেন তিনি। প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ শুরু করেছেন রাহুল। আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লক এই যাত্রাকে ‘এক ব্যক্তি এক ভোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

যদিও নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য , ২০০৪ সাল থেকে বিহারে এই ধরনের কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই SIR-এর প্রয়োজন ছিল। অসংখ্য অযোগ্য ভোটার কার্ড পেয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা, আবার কিছু নাগরিক একাধিক আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। এই ঝাড়াই বাছাই পর্ব চলছে। ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনসাধারণের আপত্তি এবং দাবি গ্রহণযোগ্য হবে। এখনও পর্যন্ত, অন্তর্ভুক্তি বা সংশোধনের জন্য ১০,৫০০-এরও বেশি ফর্ম জমা দেওয়া হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তীব্র গরমেও ছিল দীর্ঘ লাইন, নদিয়ায় ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান সম্পন্ন

মেয়ে সক্রিয় বিজেপিকর্মী, রাগে বাবাকে বেধড়ক মার, আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

ডি ককের দুরন্ত শতরান, পঞ্জাবকে ১৯৬ রানের লক্ষ্য দিল মুম্বই

‘লুকসেট’ হয়ে গিয়েছে, এবার আদৃতর সঙ্গে জুটিতে সুস্মিতা, কোথায় দেখা যাবে তাঁদের?

একপেশে ম্যাচে লখনউকে দুরমুশ করে জয়ী বিরাটরা

ধামশা-মাদলের তালে তালে অভিনব প্রচারে বিধাননগরের বাম প্রার্থী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ